নিজেকে স্মার্ট হিসেবে প্রতিষ্টিত করতে আজকাল কিছু মেয়ে যা করছে আর পড়ছে তা শালীনতার মাত্রা একেবারেই লঙ্ঘন।
আসলে এতে কি তাদের সম্মান বাড়ে? নাকি পেছনে, আড়ালে, মানুষের বাজে মন্তব্য শুনতে হয়!
(আমি সবার কথা বলছি না। আজকাল জিন্স-টি শার্ট বা ফতুয়া অনেক মেয়েই পড়ছে। শারীরিক ভাষা (বডি ল্যাঙ্গুয়েজ) এবং কাঠামো ঠিক থাকলে কোনো সমস্যা পরিলক্ষিত হয়না। বি:দ্র: এখানে কাঠামো বলতে অবশ্যই পজেটিভ কোনো বিষয়কে বুঝানো হয়েছে, নেতিবাচক হিসেবে নিবেন না দয়া করে।)
আজ ফেসবুকে একটা পোষ্ট দেখে আমার খুব মজার এক চাচা একটি কাহিনী শুনালেন। শেষে বললেন, ভাগ্নে! তুই এবার যা খুশি বুইঝা ল....
গল্পটা হয়তো অনেকের শুনা, আবার কপি-পেষ্টও হতে পারে। ঘটণার প্রেক্ষিতে দেয়া হলো:
এক লোক বাজারে কলা বিক্রি করতে গেলো। বিক্রি ভালই হচ্ছিল। সে হঠাৎ চিন্তা করল। আহা..!মানুষে কলা কিনে তা কষ্ট করে ছিলে খাবে!
তার চেয়ে বরং আমি কলাগুলোর খোসা ফেলে দেই। এতে মানুষের কষ্ট কম হবে খেতে। লোকটি তার কলাগুলোর খোসা ফেলে দিয়ে একটি ডালায় সাজিয়ে রাখল।
এবার যে কিনতে আসে সে এক নজর দেখেই চলে যায়।
কলা কেউ কিনে না।ইতোমধ্যে খোসাবিহীন নগ্নকলার ঘ্রান পেয়ে একদল বখাটে মাছি কলার উপর হামলে পড়ল।
ভন ভন করতে লাগল কলার উপর। সেই সাথে ধুলোবালি পড়তেও লাগল।
এসব দেখে ক্রেতারা কলা কিনতে এসে নাক সিঁটকে চলে যায়।
কলা বিক্রেতা ক্রেতাদের চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করলঃ ওই মিয়ারা! তোমার কলা কিনছোনা ক্যান?
কলায় কি দোষ করল?
এক ক্রেতা জবাব দিলঃ ধুর মিয়া! আপনার কলা কেউ কিনবে না।
কারণ আপনি কলার খোসা (আবরণ)ফেলে দিয়ে দিয়েছেন।
যার জন্য কলা মূল্যহীন হয়ে পড়েছে।
কলা বিক্রেতা তার ভুল বুঝতে পেরে বললঃ আচ্ছা ঠিক আছে,কলা মাগনা, ফ্রী দিচ্ছি, নিয়ে যান।
ক্রেতাঃ কাম নাই আর খায়া লয়া! এই কলা মাগনা, ফ্রী দিলেও নিমু না।
ধুলা-বালি,মাছি,পিপড়া পইরা কলাগুলা খাবারও অযোগ্য অইয়া গ্যাছেগা।
কলা বিক্রেতা দেখল কলা এখন কেউ মাগনাও নিচ্ছে না। এখন উপায়? কলা ফেলেও দেয়া যাচ্ছে না, লোকে হাসবে।
আবার বাড়িতেও ফিরিয়ে নিতে গেলে নষ্ট হয়ে যাবে। তাই সে এবার জোর আওয়াজে বলতে লাগলঃ ওই মিয়ারা, কলা নিবেন কলা! মাগনা দিমু ফ্রী দিমু,সাথে সাথে টেকাও দিমু।
এইবার কিছুলোক টাকার লোভে কলা বিক্রেতার কাছে থেকে কলা এবং টাকা নিল। অতঃপর কিছুদুর গিয়ে কলা ফেলে দিল, টাকা রেখে দিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




