ইনবক্স অণুকাব্য : ১ : হাসান মনজু
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নন্দিনী এখন সুখের প্রাসাদে বন্দিনী
শ্বেত পাথরে পা
সোনার পালঙ্কে গা
কোনো এক অক্টোবরের ঘূর্ণিঝড়
উড়িয়ে নিয়ে গেছে অর্ক'র বাড়িঘর
এখন দুই মেরুতে পরস্পর
আজো মনে মনে টিনএজার দুরন্ত অর্ক আর অভিমানী নন্দিনী
ভ্রমনের গতিপথ জেনে পথের ধারে
কখনো দেখা হয় খেয়া পারাপারে
সতীর্থের দৃষ্টি এড়িয়ে এখন তখন,
পৃথিবীর কোনো কার্ডিওলজিষ্ট
বুঝতে পারেনা তাদের
অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন
এখনো আগের মতই অটুট
অর্ক'র দূর্বার ব্যাকুলতা আর
নন্দিনীর ভীরু চপলতা
প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় এখন
যোগাযোগ মাধ্যম ইনবক্স.......
ইনবক্স : এক
=নন্দিনী,ভাগ্যিস মাঝরাতে তোমার চিঠি এলো
না হয় এমন প্রান্তর ভেসে যাওয়া জোৎস্না অজান্তেই পালিয়ে যেতো
-ভাগ্যিস বিদ্যূৎ পালিয়েছিলো,
না হয় কে ছাদে যেতো
আমার চিঠি তোমার ছোঁয়া পেতো ?
হাতড়ে হাতড়ে চিলেকোটায়
অন্ধকার জাপটে ধরলো
= তাকে তাকেই ছিলো,
আমার মত বোকা নয়,
বোঝে মোক্ষম সময়
আর জনমে দশ দিগন্তের
অন্ধকার হবো
তোমার দেওয়া গোলাপ
বুক পকেটে ছিলো
-তারপর ?
তারপর আবার কি,ঘুমের ঘোরে
বুকের চাপে চিড়ে চ্যাপটা হলো
মাঝরাতে ঘুম ভাঙ্গালো
-আর জনমে ফুল হতে চাই
=যে আমি আরশোলাদের ভয়ে
ঘর ছেড়ে পালাতাম
না মেরে,শুঁড় ধরে ছুঁড়ে ফেলতাম
তাকে বানালে খুনী
কেন এই অপবাদ নন্দিনী ?
সেদিন অন্ধকারে ডাকাতের মত
আমার হাত ধরোনি ?
দশ দিগন্তের অন্ধকারে
তোমার খোলা ডানা
একটুখানি কাছে এলেই
আমি অস্পৃশ্য ছুঁতে মানা চলবে~~~~~~~~~~

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


