

প্রাচীন কালে মানুষ অমর হওয়ার জন্য কত চেষ্টা সাধনাই না করেছে। তার উৎকৃষ্ট উদাহরন ফারাও দের মমি গুলো । মিশরের ফারাওরা অমরত্ব পাবার আশায় মমি করে রাখতো তাদের দেহ। কিন্তু এই দেহ দিয়ে কি সেই আগের মানুষটিকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব ?? কারন মমি করতে গিয়ে তাদের দেহের প্রায় ৬০% অংশই নষ্ট হয়ে গেছে। এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের আসতে হবে আধুনিক যুগে । ডি এন এ সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। আপনি যে একটা খাবার খাচ্ছেন , আপনি ঘুমাচ্ছেন, আপনি লেখা লেখিতে ভাল, আপনার গানের গলা ভাল। এগুলো সব কিছুই পূর্ব নির্ধারিত । একটা কম্পিউটারের যেমন সব কিছু তার হার্ড ডিস্কে জমা থাকে । ডি এন এ ও আমাদের সব কিছু জমা করে রাখে । প্রয়োজন শুধু আপনার ক্ষমতাকে সেই ডি এন এর ভিতর থেকে বের করে আনতে পারা ।খুব কম লোকই যদিও এই কঠিন কাজটি পারে । এই শক্তিশালী ডি এন এ অক্সিজেন ,নাইট্রোজেন, কার্বন , দ্বারা গঠিত । ডি এন এ দেখতে পেচানো সিঁড়ির মত । বাবা –মার শুক্রাণু আর ডিম্বাণুর মিলনের সময় ডি এন এ মিশে যায় সন্তানের ডি এন এর সাথে । কিন্তু সন্তান বাবা-মার পুরোপুরি বৈশিষ্ট্য পায় না। একটা মানুষ তার ডি এন এ দ্বারা আরেক জনের থেকে স্বতন্ত্র । ডি এন এ একটা মানুষ মারা যাওয়ার অনেক দিন পর পর্যন্ত অক্ষত থাকে। এর জন্যই মারা যাওয়ার অনেক অনেক বছর পর ও একটা লোককে শনাক্ত করা সম্ভব হয় ডি এন এ টেষ্ট দিয়ে। আগামী দিনের অমরত্ব আসবে এই ডি এন এর হাত ধরেই । হয়তো আপনার আমার ডি এন এ এমন একটা জন্মপ্রকিয়ার সাথে যুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে যেখানে আমরা বেড়ে উঠব এখন যেভাবে আছি ঠিক সেভাবেই। মমি গুলো থেকে ডি এন এ সংগ্রহ করে হয়তো ফিরিয়ে আনা যাবে সেই ফারাও খুফু , আর তাদের সামন্তদের । এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ততো দিন আমরা হয়তো বেচে থাকব না ............ আমাদের ডি এন এ ??!! সেটাও অবশিষ্ট্য থাকবে না

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



