somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্যাংক, অডিট এবং ট্যাক্স অথরিটি'র ট্রিপল ট্রিগার - তিনে মিলে এবার জমবে খেলা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বেশকিছুদিন হল বাংলাদেশ ব্যাংক এর ডেটাবেইজ এর সাথে এনবিআর এর ডেটা এক্সেস নিয়ে কাজ চলছে। সম্প্রতি শুরু হয়েছে অডিট রিপোর্ট নিয়ে “ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন সিস্টেম”। আর এখানেই জমে উঠেছে খেলা!!! প্রথমেই বলে নেই “ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন সিস্টেম” তথা DVS এর কথা, খুব সহজ জিনিস; আপনার কোম্পানীর আয়-ব্যয়,সম্পদ-দায় এর হিসেব অডিট হবে; সেখানে একটা অনলাইন নিবন্ধিত অডিট রিপোর্ট নাম্বার থাকবে, যে নাম্বার দিয়ে এনবিআর এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সহ যে কোন প্রতিষ্ঠান খুব সহজেই সেই অডিট রিপোর্ট, তার অডিটর এর সাথে সরাসরি কানেক্ট হবে। ফলে বহুযুগ থেকে চলে আসা ব্যাংক লোণ এর জন্য আলাদা অডিট রিপোর্ট, ইনকাম ট্যাক্স এর জন্য আলাদা রিপোর্ট, নিজেদের কাজের জন্য আলাদা রিপোর্ট, এমনকি ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক থেকে লোণ নিতে ভিন্ন ভিন্ন রিপোর্ট এইসব খুব শীঘ্রই একেবারে বন্ধ হতে যাচ্ছে। প্রশ্ন হল কেন? সেই কেন এর উত্তরে যাওয়ার আগে দেখে নেয়া যাক আই “ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন সিস্টেম” তথা DVS আসলে কি?

“ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন সিস্টেম” তথা DVS হচ্ছে ICAB কর্তৃক প্রণীত একটা অনলাইন বেইজড সফটওয়্যার যা প্রায় এক বছর আগে; ০১লা ডিসেম্বর ২০২০ থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে অডিট এর জন্য। ভালো কথা যারা ICAB চিনেন না, তাদের জন্যঃ সিএ ফার্ম, সিএ এসব নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন; এই সিএ ফার্ম যে প্রতিষ্ঠান এর নিয়ন্ত্রণে থাকে, যে প্রতিষ্ঠান থেকে সিএ ডিগ্রী নেয়া হয়, সেটাই ICAB তথা “The Institute of Chartered Accountants of Bangladesh (ICAB)”। আর হ্যাঁ, ভালো কথা, দেশের একাউন্টিং প্রফেশনের সকল নিয়ম কানুন এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণা থেকেই প্রণীত হয় এবং সারা বিশ্বের প্রতিটি দেশেই একটি করে Institute of Chartered Accountants রয়েছে এই কাজের জন্য।

এখন “ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন সিস্টেম” তথা DVS এর মধ্যে একজন অডিটর একটি কোম্পানির অডিট কাজ শেষ করার পর ঐ কোম্পানীর কিছু আর্থিক ব্যবসায়িক তথ্য সাবমিট করবেন এবং এরপর সেই অডিট রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্ট ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটসমেন্ট এর জন্য একটা “ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন কোড” জেনারেট হবে। সেই কোড অতি অবশ্যই সেই অডিট রিপোর্ট এবং ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটসমেন্ট এ অডিটর এর স্বাক্ষরেরে পাশে লিখতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে; যেটা ছাড়া অডিট রিপোর্ট বা উক্ত ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটসমেন্ট গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। এই কোডটি দিয়েই পরবর্তীতে অডিট রিপোর্ট এবং ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটসমেন্ট এর এক্সটার্নাল ইউজার তথা ট্যাক্স, ভ্যাট, ব্যাংক সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান উক্ত রিপোর্ট এবং স্টেটসমেন্টস ভেরিফাই করতে পারবেন। আর এর ফলে একই অর্থ বছরে আগে যে ভিন্ন ভিন্ন কাজে, উদ্দেশ্যে কয়েকটা করে অডিট রিপোর্ট করতে পারতো একটা কোম্পানী; সেই সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে।

তো এবার প্রথম যে ঝামেলা বাঁধছে, তা হলো আগের মত সরজমিনে পুরো অডিট না করে কোন কোম্পানীর অডিট রিপোর্ট অডিট ফার্মগুলো স্বাক্ষর করতে রাজী হচ্ছে না। কিন্তু কাহিনী হল, বাংলাদেশের কোম্পানি আইন অনুযায়ী প্রথম অডিটর এবং কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব অডিটরের নিয়োগ হয় কোম্পানীর বার্ষিক সাধারণ সভায় (এ জি এম) অর্থাৎ মোটামুটি এক বছর আগে এবং সেক্ষেত্রে হিসাববর্ষ শেষ হবার এবং কোম্পানি কর্তৃক ফিনান্সিয়াল স্টেটমেন্টস প্রস্তুত করার পরপরই অডিটরের কাজ শুরু করতে পারে। সেই কারনেই বাংলাদেশের আয়কর আইনে অর্থবছর ৩০ জুনে শেষ হলেও কোম্পানীর ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ সময় ছয়-সাত মাস পর পর্যন্ত বর্ধিত থাকে। তো এবার কোম্পানীগুলো বিপদে পড়েছে তারা তো গত বছর কোন অডিটর নিয়োগ দেয়া নাই। এদিকে শোনা যাচ্ছে, অডিট ফার্মগুলো কতগুলো কোম্পানীর অডিট করতে পারবে এরকম একটা বিধিনিষেধও নির্ধারিত হয়েছে। ফলে কোম্পানীগুলো পড়েছে মাইনকার চিপায়। কিন্তু গুরু সবে তো মাত্র শুরু…

তো দুয়েক বছরের মধ্যে এই DVS এর মাধ্যমে কোম্পানীর অডিট রিপোর্ট এবং ফাইন্যান্সিয়াল তথ্যাদি যখন এনবিআর এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এর সাথে কানেক্টেড হয়ে যাবে; তখন শুরু হবে আসল দৌড়ঝাঁপ। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই জেনে; কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে; যারা কর ফাঁকি দিয়েছেন এক রিপোর্ট দেখিয়ে আয়কর বিভাগকে অন্যদিকে ব্যাংককে বেশী রেভিনিউ এবং লেনদেন দেখিয়ে বেশী অংকের লোন নিয়ে গেছেন; সবাই এখন পড়বেন ঝামেলায়। ভাবার কোন অবকাশ নেই; পেছনের বছরগুলোতে করা এই অপকর্ম ছাড় পাবে; বকেয়া কর আদায় এর জন্য ব্যাংকে সাবমিট করা আর্থিক বিবরণী সঠিক ধরে ঝাঁপিয়ে পড়া সময়ের ব্যাপার। কারণ, করোনাকালীন সময়ে সারা বিশ্বে সরকারী কোষাগারে অর্থ জমার চাইতে খরচ হচ্ছে অনেক বেশী। আর আমাদের দেশে একসাথে চলছে অনেকগুলো উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ। ফলে সরকার মনে হয় না, এই বিষয়ে দয়া দেখাবে কোন রকম। আমি আজ থেকে দশ বছর আগে, আমার তৎকালীন কর্মক্ষেত্র’র মালিক মহোদয়কে বলেছিলাম; কোনদিন যদি এই অডিট ফার্ম, এনবিআর এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অনলাইন মার্জ হয়ে যায়, সবাই পড়বেন বিপদে। উনি হেসে বলেছিলেন, “তুমি বেশী বুঝো; এত পন্ডিতি করতে হবে না, তোমার কাজ কর গিয়া মিয়া।“ গরীবের কথা বাসি হলেই ফলে। আজ এই লেখা লিখতে গিয়ে অন্য আরেকটা কথা মনে পড়ে গেল।

সময়টা আজ থেকে ঠিক এক যুগ আগে। আমি যে কোম্পানীতে চাকুরী করতাম, সেখানকার ম্যানেজমেন্ট এর প্রয়োজন এবং অনুরোধে ম্যানেজমেন্ট অডিট রিপোর্ট করেছিলাম। মজার ব্যাপার প্রায় চল্লিশ পাতার রিপোর্ট এ সরাসরি টপ ম্যানেজমেন্টকে দায়ী করেছিলাম কোম্পানীর কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ার জন্য। সাথে এটাও বলেছিলাম আগামী তিন বছর এর মধ্যে কোম্পানী কোলাপ্স করবে। তখন চলমান প্রজেক্টগুলোর কাজ শেষ করার জন্য কোম্পানীর কি পরিমাণ ফান্ড লাগবে এবং রেভিনিউ থেকে কি পরিমাণ ফান্ড আসবে তার হিসেব দিয়েছিলাম সাথে। কোম্পানীর বোর্ড অফ ডিরেক্টর এর হেড আমার উপর প্রচন্ড আক্রোশে ফেটে পড়েন। ফালতু, তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটা রিপোর্ট, যা করেছে একটা একাউন্টস ব্যাকগ্রাউন্ড এর লোক। উনি ইঞ্জিনিয়ার টিমকে দিয়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে হিসেবে নিকেশ করে যে ফিগার বের করেছিলেন তার সাথে আমার দেয়া ফিগার এর পার্থক্য শতকরা ২ ভাগ এরও কম ছিলো। তো, শেষ পর্যন্ত পরের তিন বছর আমি ঐ কোম্পানীতে কর্মরত ছিলাম না; কিন্তু কোম্পানী কিন্তু ডুবেছিলো ঠিকই।

তো যে কারণে এত কথা বলা, আমরা যারা চাকুরী করি, এন্টারপ্রেনাররা তাদের আসলে চাকর বা হুকুমের তালিম করার লোক মনে করেন। কিন্তু আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি, প্রতিটি জব হোল্ডার এক এক জন এন্টারপ্রেনারও বটে। আমাদের পণ্য সার্ভিস; আমরা সার্ভিস বিক্রি করি। ব্যাংক, মোবাইল কোম্পানী, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, উকিল, ডাক্তার, নার্স এর সবার সার্ভিস প্রোভাইডার; শুধু পণ্যই বিক্রি করা যায় না। পরামর্শও বিক্রি করা যায়! পদ্মাসেতুর মত মেগা প্রজেক্টগুলোতে কনসালটেন্সি ফি (পরামর্শ নিবেন, টাকা দিবেন) মোট খরচের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ কিন্তু…!!! তাই সার্ভিস প্রোভাইডার কর্মচারী’র কাছ থেকে তাদের পরামর্শগুলো শুনুন, একটু ভাবুন, নিজের মতের বিপরীতে হলেও যৌক্তিকভাবে চিন্তা করে দেখুন। একজন এমপ্লয়ি কোম্পানীর অবস্থা খারাপ দেখলে চাকুরী ছেড়ে অন্য চাকুরী বা অন্য কোন জীবিকা নির্বাহের পথ খুঁজে নিবে। কিন্তু একজন এন্টারপ্রেনার কিন্তু চাইলেই হুট করে সকল দায় দেনা চুকিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে পারেন না। আজকের দিনে দীর্ঘ পড়ালেখা এবং অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে যে সকল এমপ্লয়ি বড় পদগুলোতে কাজ করছেন, তাদের মতামত অনেক ভ্যালু ক্যারি করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় বেশীরভাগ বেসরকারী কোম্পানীর মালিকেরা নিজেদের কথার উপরে অন্য কারো কথার গুরুত্ব দিতেই নারাজ; হাতে গোনা দুচারটা ব্যতিক্রম ছাড়া।

তো এবার সবাই দৌড়ের উপর থাকো। কয়েকদিন আগে কে যেন ভানুমতির খেলা নিয়ে একটা লেখা দিয়েছিলেন। এবার অপেক্ষায় রইলাম নতুন ভানুমতি’র দেখা পাওয়ার জন্য। অডিট রিপোর্ট, এনবিআর এবং বাংলাদেশ ব্যাংক মিলে খুব শীঘ্রই তাক করতে যাচ্ছে ট্রিপল ট্রিগার; তিনে মিলে জমবে খেলা এবার…


ভালো কথা, DVS এর মাধ্যমে অডিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ০১ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে, সুতরাং সবাই অনেক আগে থেকেই জানতো যে DVS ছাড়া অডিট সম্ভব হবে না; কিন্তু কোম্পানির পরিচালক বা ম্যানেজমেন্ট আগে থেকেই অডিট সম্পন্ন করার কোন ব্যবস্থা করেন নাই। এখন শেষ মুহূর্তে এসে সবাই ঢালাওভাবে DVS এর দোষ দিচ্ছে যে এর কারণে কোম্পানিগুলো তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারছে না এবং সরকারের আয়কর রাজস্ব সময়মত আদায় হচ্ছে না। খেলা সবে মাত্র হয়েছে শুরু, ওহে গুরু, আসো চিল করি, “আজ ব্লু হ্যায় পানি, পানি, পানি, পানি, পানি, পানি….

আমার মত বোকাদের জন্য তথ্যকেন্দ্রঃ
DVS নিয়ে দৈনিক ডেইলি স্টার এর Sep 20, 2020 এর রিপোর্ট
DVS সম্পর্কে জানতে
ICAB সম্পর্কে জানতে
NBR সম্পর্কে জানতে
Bangladesh Bank সম্পর্কে জানতে
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:৩৯
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সত্যিই কি দারিদ্র্য মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৬ শে মে, ২০২২ সকাল ৯:২৩


মাত্র আট বছর বয়সে কবি নজরুলের পিতৃবিয়োগ ঘটে। ওনার মা দ্বিতীয় বিবাহ করেন। এটা কবি মেনে নিতে পারেন নি। মায়ের সাথে তার দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়।
শুরু হয় কঠিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্রামের সুন্দর মুহুর্তগুলো।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৬ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:১০

গ্রাম্য শিশু বালিকা বেশে।


শিশুটির বয়স খুবই কম। কিন্তু সে মোবাইল চালনায় বিশেষ পারদর্শী। সাজুগুজুর কথা বললে তো কথায় নেই; প্রথম কাজ হলো ঠোঁটে লিপিস্টিক দেওয়া এবং বিশেষ ভঙ্গিমায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা!! ই-পাসপোর্ট !!

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ২৬ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:৫২



আমার সর্বশেষ এমআরপি পাসপোর্টটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৭ইং তারিখে।
তারপরে নানার কারণে (মূলত আলসেমী ও প্রয়োজন না থাকা এবং শেষে করনার উসিলায়) আর পাসপোর্ট তৈরি করা হয়নি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাছ তেল বেগুনি : একটি জীবনঘনিষ্ঠ গল্প

লিখেছেন বিবাগী শাকিল, ২৬ শে মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১০



“আপনি কে?”
প্রশ্নটি যে করেছে, তাকে আমার কাছে মনে হলো বিশ-বাইশ বছরের তরুণী। তার পরনে বহুল ব্যবহৃত মলিন শাড়ি। মাথায় লম্বা ঘোমটা। ঠিকমতো কপালও দেখা যাচ্ছে না। কথা বলছে কীরকম আড়ষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৭৮টি মালটি-নিক থেকে কি কারণে ব্লগার চাঁদগাজীর উপর আক্রমণ চালানো হয়েছিলো?

লিখেছেন সোনাগাজী, ২৬ শে মে, ২০২২ রাত ৯:৪৫



কয়েক'শ মালটি-নিক বানায়ে ব্লগার চাঁদগাজীকে আক্রমণ করা হয়েছিলো; কি কারণে আক্রমণ চালানো হয়েছিলো, ব্লগার চাঁদগাজী ব্লগে দিনরাত বসে কি করছিলেন?

ব্লগটিম বলেছেন যে, তাঁরা এসব মালটি-নিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×