গত ২৫ আগস্ট মায়ানমার সামরিক বাহিনীর শুদ্ধি অভিজান শুরু হওয়ার পর ৫০০০০০ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। দিনে দিনে এ সংখা আরো বাড়ছে। এ মুহূর্তে সমস্যার একিউট ফেজ চলছে। বিভিন্য দেশ বিদেশ থেকে সাহায্য আসছে, দেশের মানুষ, সামাজিক সংগঠন সবাই ঝাপিয়ে পড়েছে, বিভিন্য দেশ থেকে ত্রান আসছে। রাস্তায় ত্রানের ট্রাকের বহর। কিন্তু এ সমস্যার সমাধান ত্রান নয়, সমাধান আন্তর্জাতিক কূটনীতি।
অভিযানের ধরণ থেকে বোঝা যায় মায়ানমার তাদের কে এমন ভাবে নির্যাতন করেছে , তাদের ঘড়বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে যাতে তারা সহজে ফিরে যেতে না পারে। গত কয়েক দিন পত্রিকা পড়ে যা বুঝলাম, অপরদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতির অগ্রগতি খুবই সীমিত।নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যরা একটা জরুরী বৈঠকের আয়োজন করে কিন্তু এখানে আলোচনা সমালোচনা ছাড়া কিছুই হয়নি। চীন অবশ্য আশ্বাস দিয়েছে তারা সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।এদিকে আমাদের চিরবন্ধু ভারত আমাদের সাথে নেই। তারা বলে দিয়েছে ত্রান দেয়া ছাড়া তাদের কিছুই করার নাই। আর আমেরিকার অবস্থান নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আল জাজিরা কে দেয়া একটা সাক্ষাতকার ইতোমধ্যেই ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। আমেরিকার উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকেরা এ সমস্যা কে আপাতত পাত্তা দিচ্ছেন না। অপরদিকে জাপান এ সমস্যার পক্ষে বিপক্ষে এখনও পর্যন্ত একটা বিবৃতি পর্যন্ত দেই নি। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সমস্যা সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন, যার প্রথম দফা মায়ানমারের মধ্যে নিরাপদ অঞ্চল গঠন। শুনতে স্বস্তির শোনালেও এই প্রথম দফা নিয়ে রয়েছে পক্ষে বিপক্ষে মতামত।
আমরা সমস্যা টাকে নিয়ে বেশি চিন্তা করছি কারণ আমরা ভুক্তভোগী। কিন্তু মায়ানমারের জনগণ রোহিংগাদের নিজেদের দেশের নাগরিক মনে করে না। সেখানকার রাজনীতিকরা এবং কলামিস্টরা রোহিংগাদের বিরুদ্ধে দেশের মধ্যে বিষবাস্প ছড়াচ্ছেন। তারা সাধারণ মানুষ কে বোঝাতে চেষ্টা করছেন।আমার ভয় হই তারা আবার দেশে দিরে যেতে চাইলে বর্মিরা তাদের নিবে কিনা?আচ্ছা, বিভিন্য দেশ যারা ত্রান দিয়ে সহায়তা করেছে তারা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে তো? ৫০০০০০ রোহিংগা নিয়ে বাংলাদেশ মায়ানমারের পাতা ফাঁদে পা দিল না তো?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



