রাজনীতি একটি চরম বুদ্ধির খেলা। এ খেলা খেলার জন্য প্রয়োজন বুদ্ধি ও কর্মকৌশল। তাই খালেদা জিয়া মনে মনে B.N.P ও তারেকের জন্য কি পরিকল্পনা অাটঁছেন ? চলেন দেখি খালেদা জিয়ার মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষন করে কি পাওয়া যায়।
এর জন্য কয়েকটি প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করি এবং এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি।
১. খালেদা জিয়া কেনো সংসদে যান না?
২. খালেদা জিয়া বিদেশে গেলে কেনো বি,এন,পি'র জন্য কোনো প্রতিনিধি মনোনয়ন করেন না?
৩. বি,এন,পিকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনে কেনো কোনোপ্রকার উদ্যোগ নেন না?
আসেন এবার তিনটা প্রশ্নেন উত্তর আলোচনা করি।
উত্তর (১ নং প্রশ্ন): কারন সংসদে গেলেই সরকারি দল তারেক,কোকো, মামুনের এবং বি,এন,পি'র অপকর্ম তুলে ধরে। খালেদা জিয়া ভালো করেই জানেন এদেশের মানুষের স্মরণ শক্তি হলো গল্ডফিশ মাছের মতো। আগামী নির্বাচন আসার অাগেই জনগন সব ভুল যাবে এবং বি,এন,পিকে ভোট দিবে। তাই তিনি চান না, জনগন আওয়ামীলীগের মুখে তাদের অপকর্মের ফিরিস্তি শুনে জনগন তা মনে রাখুক। তাছাড়া সংসদে গেলেও বাড়তি কোনো সুবিধা পাওয়া যাবে না। যা পাবার তা তো এমনেই পাবেন।
উত্তর (২ নং প্রশ্ন): কাউকে প্রতিনিধি নির্বাচন করলেই তো একটা চেইন অব কমান্ড তৈরি হবে। ঐ বেচারার দলের মধ্যে গ্রহনযোগ্যতা তৈরি হবে। যা তারেকের জন্য হুমকি।
উত্তর (৩ নং প্রশ্ন): দল পূর্নগঠন করতে হলে জনপ্রিয় নেতাদের উপর নির্ভর করতে হবে, অন্যদিকে এতে তারেকের পক্ষের এবং তার মনপূত: নেতারা নেতৃত্বে আসতে পারবে না। আর দল সংগঠিত করলে তারেক এসে কি করবে? দল অসংগঠিত থাকলে নেত্রী বলবেন , "দল ও দেশের জন্য তারেকের প্রয়োজন আছে"। আনেকটা , " আসবেন, দেখবেন ও জয় করবেন"। ফলে দলের ভিতরে ও বাইরে তারেকের বিরোধীতা কারীদের মোকাবেলা করতে সক্ষম হবেন। যা তারেকের জন্য অনুকুল পরিবেশ তৈরি করবে।
খালেদা জিয়া ভাবতাছেন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে। ২০০১ সালে জনগন লীগের অত্যাচার সইতে না পের বি,এন,পিকে ভোট দিয়েছিলো, এবারও তাই ঘটবে। কারন জনগন যাবে কোথায়, জলে কুমির আর ডাঙ্গায় বাগ (বি,এন,পি আর আওয়ামী লীগ)।
তবে রাজনীতিতে শেষ কথা বলা কিছু নেই। এখানে অনেক কিছু ঘটাই সম্ভব। [লেখাটি মনস্তাত্তিক আর কল্পনাপ্রসূত বলে অনেকে উড়িয়ে দিতে পারেন, তবে খালেদা জিয়ার কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ করলেই অনেককিছু বোঝা যায়]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


