ধরম টাকে কেন যেন মাঝে মাঝে আদিম মানুষের তৈরী সংবিধান মনে হয়। মনে হয় যুগে যুগে যুগে সে তার নিজের প্রয়জনে সৃষ্টি করে চলেছে ধরমের বিধিবিধান।
এটা মনে হউয়ার যথেষ্ট কারন আছে।
কোন যুগে কোন কাজ কে ঈশ্বর হালাল করে দিয়েছেন আবার পরের যুগেই সেটাকে এমন ভাবে হারাম করা হয়েছে যে সেই কাজের ধারে কাছে গেলেও চরম শাস্তি।
....কোন এক কালে মদ পান হালাল ছিল, আবার কিছু পরেই সেটাকে চরম ভাবে হারাম করা হয়।
তাহলে কি ঈশ্বর মদের ক্ষতিকর দিক টা জানতেন না? নাকি কোন অতি বুদ্ধিমার ডাক্তার আদিম মানুষের ওপর পরীক্ষা করে দেখে সিদ্ধান্ত দিলেন এটা স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর? নাকি সে যুগে নেতৃত্ব দেউয়া লোকটি এটির গন্ধ সহ্য করতে পারতেন না তাই এই হারাম?
....আবার, নারীকে বাজার থেকে কিনে এনে তাকে ভোগ করা যায়েজ ছিল। পরে কোন এক যুগে সেটা চরম ভাবে হারাম হয়ে যায়। এমন ভাবে হারাম হয় যাতে কেউ যদি বিয়ে না করে কোন নারীকে করে যদি সেটা নারীর ইচ্ছাতেই হয় তাহলেও তাদের চরম শাস্তিদানের ব্যাবস্থা হত!
সে যুগেও কি নারী আন্দলন হয়েছিল? আর আন্দলনের চাপ সামলাতে না পেরে ঈশ্বর হালাল কে হারামে বদলে দেন? নাকি সে যুগের নেতৃত্ব দেউয়া লোক মেয়েবাজ ছিল না ছিল নারীবাদী?
যাকগে আর কিছু বললে কলম নাস্তিকতার দিকে চলে যেতে পারে। যাই হোক, এটুকো নিজের মাথা থেকে আসে নি, সেহেরি খেয়ে ঘুমানর পর কে যেন কানে কানে এই কথাগুলা বলে গেছে। পুরাপুরি মনে নাই। তাই নিজের ভাষায় লিখলাম।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০১৫ সকাল ৯:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



