আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ছিটমহল বিনিময় প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের ভারতীয় ছিটমহল রয়েছে চার জেলা-কুড়িগ্রাম, নিলফামারী, লালমনিরহাট ও পঞ্চগড়। আগামী ৩১ জুলাই রাত ১২টায় চুক্তি কার্যকর হবে। আর ছিটমহলের বাসিন্দারা তাদের পছন্দ মতো নাগরিকত্ব বেছে নিতে পারবেন। তবে ২২ জুন থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কেউ কোনো জমি বিক্রি বা হাত বদল করতে পারবেন না। অবশ্য ভারতে চলে যেতে চান এমন কেউ ৩১ জুলাইয়ের পর সেদিন থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জমি বিক্রি করতে না পারলে স্থানীয় জেলা প্রশাসন তাদের জমির দলিল রেখে পরবর্তী সময়ে জমি বিক্রির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। এ জন্যে বাংলাদেশ অংশে ৫০টি টিম এবং ভারতের ২৮টি টিম মাঠ পর্যায়ের কাজ করছে। প্রকৃত দলিল যাদের রয়েছে তাদের নামেই জমি রেকর্ড করা হবে। আর খাস জমি ভূমিহীন মানুষদের মধ্যে বণ্টন করে দিবে বাংলাদেশ সরকার। তাছাড়া ছিটমহলের জমি কেনা বেচা নিয়ে একটা অসাধু চক্র অনেক দিন ধরেই সক্রিয় ছিল ছিটমহল বিনিময়ের পরে তারা এ রকম আর কোনও সুযোগ পাবেন না, সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে সরকার। ছিটমহলের উন্নয়নে সরকারের পূর্ণাঙ্গ একটি পরিকল্পনায় ছিটমহলবাসীর সন্তানেরা নিজের পরিচয়ে স্কুলে যেতে পারবে, ছেলে-বউকে নিজের নামেই হাসপাতালে ভর্তি করতে পারবে তারা। ছিটমহল বিনিময় যেন সত্যিই তাদের কাছে অনেক বড় কিছু পাওয়া। যে পাওয়ায় তারা সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে।

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুন, ২০১৫ বিকাল ৩:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



