হ্যা এথিকস। হ্যাকারদেরও কিছু এথিকস থাকে। আমাদের এই হ্যাকিং সিরিজে আমরা সেরকম কিছু এথিকস মেনে চলব।
আপাতত খুব সাধারন কিছু ব্যাপার লক্ষ রাখলেই চলবে-
1) কোন সিষ্টেমের নিরাপত্তা ভেঙ্গে ঢুকতে পারলেও সেই সিষ্টেমের কোন ক্ষতি করা যাবে না
2) কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে, এরকম কোন কাজ করা যাবে না
3) কারো পাসওয়ার্ড ব্রেক করতে পারলে তা পাবলিক ফোরাম বা চ্যাট রুমে অথবা বন্ধু বান্ধবের মাঝে প্রচার করা যাবে না
4) কারো মেইল বক্স হ্যাক করে কারো কোনরকম ব্যাক্তিগত তথ্য পেলে তা অন্যের কাছে প্রকাশ করা যাবে না..
5) আপনি হ্যাকিং শিখছেন বা জানেন, এটা যতটা কম সম্ভব প্রচার করতে হবে.. পারলে এসব প্রশ্নে নীরবতা পালন করবেন... (আপনি কম জানেন, বন্ধুবান্ধবের মাঝে এরকম একটা পরিচিতি থাকলে আপনার জন্য হ্যাকিং করতে সুবিধা হবে.. কিছুদিন পর এই ব্যাপারগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে..)
6) পড়ালেখা, চাকরি বা ক্যারিয়ারের ক্ষতি করে এসব করা চলবে না..
(পরবির্তিতে আরো যুক্ত করা হবে)
সর্বপরি হ্যাকিং আমরা শিখবো নিজেকে হ্যাকিং থেকে রক্ষা করার জন্য এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি সম্পর্কে জানার জন্য। কারো ক্ষতি করার জন্য নয়।
মনে রাখুন, কারো ব্যাপারে উপরোক্ত নিয়মকানুন ভঙ্গ করার অভিযোগ আসলে তাকে আমাদের [link|http://groups.yahoo.com/group/bangla_elite|Bqvny M
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






