আধুনিক শহুরে সভ্যতার কাছে আজ এটা বেমানান হলেও বিভিন্ন গ্রামীন জনপধে এ দৃশ্য চোখে পড়ে। অতিতে এধরনের অসংখ্য শানের কারিগর প্রায়ই চোখে পড়তো। কিন্তু বৈদ্যুতিক মোটর যানের চাকার সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে এ পেশা বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায়। যারা এখনও বংশানুক্রমে এ পেশায় টিকে থেকে জীবন ও জীবিকার নিরন্তন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদেরই একজন মোঃ আব্দুল জব্বার।
৩ পুত্র ও ১ কন্যা সন্তানের জনক আঃ জব্বার প্রায় ৩৫ বছর যাবৎ এ পেশার সাথে জড়িত। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার স্বরুপকান্দি গ্রাম থেকে প্রতি দিনই কাধেঁ শান মেশিন নিয়ে বিভিন্ন এলাকার এ গ্রাম থেকে ওগ্রামে ঘুরে শানের কাজ করেন। গ্রামের মেঠোপথে চলতে চলতে আঃ জব্বারের কণ্ঠে ভেসে বেড়ায়“ শান লাগে গো শান..............। সাথে চাকু, কাচিঁ, দা, বটনিতে শান দেওয়ার কথা বার বার তার মুখে আওয়াজ তুলেন। এ প্রতিনিধির সাথে আলাপ কালে তিনি দুঃখের সাথে জানান, ৮/১০ বছর আগেও প্রতিদিন ২/৩ ‘শ টাকা রুজগার করা যেতো, বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র ৭০/৮০ টাকা রোজগার করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এসামান্য আয় দিয়ে ঘরের ৬ সদস্যের সংসার চালানো তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও এই বৃদ্ধ বয়সে পৈতৃক পেশার হাল ধরে আছেন।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০০৭ রাত ৮:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



