[ স্হান, কাল, পাত্র বোঝে কথা বলতে হয় ]
হযরত আয়াতুল্লাহ বুরুজারদি (রহ

প্রত্যেক বছর হযরত মাহদীর (আজ্জালাল্লাহু তায়ালা ফারাজাহু) জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠান করতেন এবং তাঁর সব সময়কার রীতি ও ঐতিহ্যের কারণে মেম্বরের বিষয়ে ধর্মীয় ছাত্রদের অনুপ্রেরণার লক্ষ্যে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য যুবক ছাত্রদের মধ্য থেকে একজনকে বক্তা হিসেবে অনুষ্ঠানে আহবান জানাতেন। কোন একটি বছরে, হাউযা এলমিয়ার (মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড) বেশ ক'জন গণ্যমান্য ওলামা ও শিক্ষকমন্ডলীরা সেই অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন, আয়াতুল্লাহ্ বুরুজারদির (রহ

অনুপ্রেরণায় এক যুবক ছাত্র ওয়ায করতে মেম্বরে উঠে বসল এবং সে বক্তব্যে বিশেষ সামর্থ্য ও সাহস পেয়েছিল, মদ খাওয়া ও তার ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করল। শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে - যেখানে বেশিভাগ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন - মদ খাওয়ার পরিণতি ও অপকারিতা থেকে দুরে থাকার উপদেশ দিচ্ছিল.....
ঘটনাক্রমে মরহুম ফালসাফিও - ঐ সময়কার বিখ্যাত বক্তা - সেই মজলিসে উপস্হিত ছিলেন, উঠে দাড়ালেন, বক্তব্যের উপযোগী সময়ের এক পর্যায়ে বক্তব্যেরত ছাত্রকে সম্বধন করে বল্লেনঃ "হুজুর! এই জনসমষ্টিকে অনর্থক উপদেশ দেবেন না! মৃত্যুর পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত এরা মদ খাওয়া থেকে বিরত থাকবে না।"
মরহুম ফালসাফির প্রতিবাদ - যা সুদক্ষ ইঙ্গিতপূর্ণ ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপে মিশ্রিত ছিল - শ্রোতাবৃন্দকে প্রচন্ডতার সাথে হাসতে বাধ্য করে। বরং তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, ঐ যুবক ছাত্রকে এই বিষয়ে নির্দেশনা দিলেন যে, স্হান, কাল, পাত্র বোঝে কথা বলতে হয়।
[ দ্বীমাসিক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ম্যাগাজিন আফাক্ব, পন্ঞ্চম বর্ষ, সংখ্যা: ২৩, মোরদাদ ও শাহরিওয়ার মাস ১৩৮৬ ফারসি সাল, মাদ্রাসা আ'লী ইমাম খোমেনী (রহ

হতে প্রকাশিত। ]