somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভডওিির্ জানালজমি : বদলে যাচ্ছে রর্পোিটংয়িরে ধরন -নাজবিা মাহবুব

০৯ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[ইংলিশ]ভৎড়স-লধরলধরফরহ[/ইংলিশ]
একটা সময় ছিল যখন টিভি রিপোর্টিং মানেই ছিল কমপক্ষে তিনজনের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল। কিন্তু এখন আর সেই দিন নেই। এখন একজনই তিনজনের কাজ করেন। এমনকি মিডিয়ায় যাদের আমরা ট্র্যাডিশনালিস্ট বা প্রচলিত ধারার অনুসরণ করে বলে জানি, তারাও পরিবর্তনের এ ধারার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।




জার্মানির প্রাইভেট টিভি চ্যানেল স্যাট ১-এর স্টানডেন মাই স্টোরির প্রথম পর্বটি টিভি জার্নালিজমের একটি নতুন দিগন্ত খুলে দেয়। কেননা এটি ছিল ভিডিও জার্নালিস্টদের ধারণ করা প্রথম অনুষ্ঠান। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে একজন মাত্র ব্যক্তি একই সঙ্গে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, ক্যামেরা অপারেটর ও প্রযোজকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। এতে ঘটনার কেন্দ্রীয় চরিত্র নিজেই ঘটনাটি বর্ণনা করে। ফলে দর্শক অনুষ্ঠানের সঙ্গে খুব সহজেই একাত্ম হতে পারেন। খবর পরিবেশনের এ ধারাটি এতোটাই গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে যে, এটি এখন মেনইস্টৃম ফরমাট হিসেবে প্রচলিত। শুধু তাই নয়, এমটিভি ও রিয়ালিটি শোগুলোতেও এখন এ ধারা অনুসরণ করা হয়।




একজন ভিডিও জার্নালিস্টের সঙ্গে হালকা ক্যামেরা ও ল্যাপটপ থাকে। এগুলোর সাহায্যে তিনি শুধু দৃশ্য ধারণই করেন না, ধারণকৃত দৃশ্যের রিপোর্টিং এবং এডিটিংও করেন।




স্কলটজ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে স্যাট-১-এ প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতে, দর্শকরা তাদের ও সাংবাদিকের মধ্যে কোনো দূরত্ব বজায় রাখতে রাজি নয়। তারা আমাদের বদলে ঘটনার কেন্দ্রীয় চরিত্রের কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা শুনতে চায়।




এক সময় যুদ্ধ বিষয়ক সংবাদ প্রচারের জন্য সংবাদিকরা হালকা ক্যামেরা ও ল্যাপটপ বহন করতেন। ফলে তারা নিজেরাই যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে সংবাদ সংগ্রহ করার পর তা এডিট করে প্রচার করতেন। ওয়ার জার্নালিজমের এ ধারাটিই ভিডিও জার্নালিজমের জন্মদাতা। আর মূল্যবান অর্থ বেচে যায় বলে বিশ্বব্যাপী টিভি স্টেশনগুলোও এ ধারাকে লুফে নিয়েছে।




উচু মানের ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরার দাম কমে যাওয়া, ধারণকৃত দৃশ্য খুব সহজেই ওয়েবে পোস্ট করতে পারা ও ঘটনার সঙ্গে একাত্ম হওয়ার জন্য দর্শকের তীব্র ইচ্ছাও এ ধারাকে জনপ্রিয় হতে সাহায্য করেছে।




ভিডিও জার্নালিজমের এ উন্নতিতে ইউনিয়নগুলো ও টেলিভিশন ট্র্যাডিশনালিস্টরা কিছুটা শঙ্কার ছায়াও দেখতে পাচ্ছেন। এ নতুন টেকনলজি খরচ কমিয়ে দেবে ও ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে সেই সঙ্গে এমন অনেকে লসের সঙ্কেত দিচ্ছে যা টেলিভিশনের সূচনা লগ্ন থেকেই ছিল।




নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক ভিডিও জার্নালিজম কনসালটান্সি ফার্ম রোজেনব্লুম অ্যাসোসিয়েটসের প্রেসিডেন্ট মাইকেল রোজেনব্লুম-এর ভাষায়, অনেক মানুষ ফাংশনারি হিসেবে তাদের জীবন কাটিয়েছেন, কেউ হয়তো ইকুইপমেন্ট টানতেন, আবার কেউবা ক্যামেরা ধরে রাখতেন। এদের সবাই এখন তাদের ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাড়িয়ে আর তাদের কেউই এতে খুশি নয়।




সাবেক ফৃল্যান্স টিভি জার্নালিস্ট রোজেনব্লুম বিশ্বের অনেক ক্রাইসিস রিজিয়নে একাই গিয়েছেন। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি রেডিও ও টেলিভিশন জার্নালিস্টদের ট্রেইনার হিসেবে নতুন ক্যারিয়ার শুরু করেছেন। তিনি নতুনদের শেখাচ্ছেন, কিভাবে নিজে নিজে ক্যামেরা অপারেট ও স্টোরি প্রডিউস করতে হয়।




রোজেনব্লুমের মতে ভিডিও জার্নালিজমের সুবিধাগুলো একে দিয়েছে নতুন মাত্রা। কারণ তিনজন মানুষের একটি দলের বদলে এখন একজন মানুষের পেছনে খরচ করলেই হয়। ৬০ হাজার ডলারের ভারি ক্যামেরার বদলে ৩ হাজার ৫০০ ডলারের ছোট ক্যামেরা দিয়েই কাজ চালানো যায়। আর ৫ হাজার ডলারের এডিটিং রুমকে বিদায় করেছে ১ হাজার ৫০০ ডলারের ল্যাপটপ। তাছাড়া একজন ভিডিও জার্নালিস্ট সাবজেক্টের আরো বেশি কাছে যেতে পারেন। আর ঘটনা যদি নতুন দিকে মোড় নেয়, ভিডিও জার্নালিস্টও দ্রুত সেদিকে যেতে পারেন।




ইওরোপে মি. রোজেনব্লুমের অনেক ক্লায়েন্ট আছে। তার ক্লায়েন্টদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিবিসি, নেদারল্যান্ডসের আরটিভি আটরেট, বেলজিয়ামের মাল্টিমিডিয়া ব্রডকাস্টার কনসেন্ট্রা এবং সুইডেন ও জার্মানির কয়েকটি স্টেশন।




রোজেনব্লুমের ক্লায়েন্ট আরটিভি আটরেট হচ্ছে নেদারল্যান্ডসের প্রথম টিভি চ্যানেল যেখানে প্রতিটি স্টাফকে ভিডিও জার্নালিস্ট হিসেবে রিট্রেইন করা হয়েছে। চিফ এডিটর উইম ক্রামারের মতে, আমাদের স্টেশন টেলিভিশনকে দর্শকের আরো কাছে নিয়ে যেতে চায়।




নেদারল্যান্ডসে আমরা প্রতিদিন হট নিউজ আইটেম পাই না। আমরা একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক স্টেশন। যদিও আমি খবরের জন্য প্রতিদিন ২৪ মিনিট পাই। কিন্তু এটি ২৪ মিনিটের গল্প নয়Ñ এটি ২৪ মিনিটের গল্প বলা এবং দর্শকরাও এটি উপভোগ করে।




আরটিভিতে একজন গায়কের প্রথম স্টেজ অ্যাপিয়ারেন্স প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ভিডিও জার্নালিস্টদের গল্প বলার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে স্টেশনটি ব্রেকিং নিউজের ক্ষেত্রে ভিডিও জার্নালিস্টদের সুবিধাগুলো লক্ষ্য করে।




গত এপৃলের রায়টে একজন মারা যায়, এ ঘটনার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই আরটিভি ইন্টারনেটে এর ফুটেজ প্রচার করে। একজন ভিডিও জার্নালিস্ট ঘটনাস্থল থেকে ফুটেজ পাঠানোয় এটি সম্ভব হয়।




ক্রামার বলেন, আমাদের সাইটে একসঙ্গে ২০ হাজার ভিউয়ার ছিল। আমাদের স্টেশনের ব্রডকাস্ট ভিউয়ার শতকরা ১৪ ভাগ থেকে বেড়ে শতকরা ২০ ভাগে দাড়িয়েছে। আর এটি সম্ভব হয়েছে ভিডিও জার্নালিস্টদের কল্যাণে।




এক সময় ওয়েবই হবে ভিডিও জার্নালিস্টদের কাজ করার প্রধান জায়গা। কিন্তু এখন আঞ্চলিক ব্রডকাস্টররাই এখানে রাজত্ব করছে। তারা স্বল্প বাজেটের মধ্যে ছোট ও সফট নিউজ স্টোরি তৈরি করার ওপর জোর দিচ্ছেন যাতে তারা খুব দ্রুত লাভের মুখ দেখতে পারেন।




বিবিসিসহ অন্য মেজর ব্রডকাস্টাররা এ ধারা অনুসরণ করতে শুরু করেছেন। বিবিসির সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিটিও জার্নালিস্ট হচ্ছেন মাইক ক্রাউস। তিনি আঞ্চলিক ব্রডকাস্ট শো ‘দি গোল্ডেন পিন’-এর প্রযোজক, লন্ডনের রাস্তায় যেসব লোকের সঙ্গে মাইকের দেখা হয়, তাদের গল্পই এ শোতে তুলে ধরা হয়।




ডয়শে ভেলে জার্মান সরকারের অর্থপুষ্ট একটি ব্রডকাস্টার। এ স্টেশনটি বিদেশে প্রচারের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠান তৈরি করে ২০০৩ সাল থেকে। স্টিফেন কাফ ডয়শে ভেলেতে ভিডিও জার্নালিস্টদের ট্রেনিং দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আরো অনেক মানুষ ভিডিও জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করবে। তবে তা যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে মনে করি না।




ডয়শে ভেলেও ভিডিও জার্নালিজমকে রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে দেখছে না বরং তারা একে বর্তমানে যে অফারগুলো চালু আছে, তার অতিরিক্ত হিসেবেই দেখছে। যদিও খরচের তুলনায় এর সুবিধা অনেক বেশি।




কাফ ফৃল্যান্স ভিডিও জার্নালিস্টদের কাছ থেকে অনেক ভিডিও স্টোরি রিসিভ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি এর কোয়ালিটি খুব ভালো না-ও হয়, তা-ও চলবে। কারণ এগুলো অনেক সস্তা যা এখনকার দিনে টেলিভিশনগুলোর জন্য অনেক কিছু।




এখন পর্যন্ত ইউনিয়নগুলো এ নতুন টেকনলজির ব্যাপারে সুচিন্তিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যদিও তিনজনের কাজ একজন করলে কাজের কোয়ালিটি ও একুরেসি কতোটুকু বজায় থাকবে সে ব্যাপারে তারা যথেষ্ট সন্দেহ পোষণ করে। তবে তারা তাদের সদস্যদের উৎসাহিত করেছে ভিডিও জার্নালিস্ট হিসেবে ট্রেনিং নিতে।




ইউনিয়নের এক মুখপাত্র এ ব্যাপারে বলেন, আমাদের করণীয় হচ্ছে সদস্যদের ডিজিটালাইজেশনের ব্যাপারে প্রস্তুত হতে উপদেশ দেয়া। দিনকে দিন জব প্রোফাইল বদলে যাচ্ছে। আর এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।




তবে এ পরিবর্তনটা যে কোনো ঝামেলা ছাড়াই হচ্ছে, তা কিন্তু নয়। অনেক জার্নালিস্টই কাধে ক্যামেরা বহন করতে নারাজ। আবার অনেক ট্রেইনড ক্যামেরাম্যান, ফিল্ম এডিটর ও ইঞ্জিনিয়ারের পক্ষেও ভিডিও জার্নালিস্ট হওয়া কষ্টকর ব্যাপার।




কাফ বলেন, একজন জার্নালিস্টকে রিপোর্টিংয়ের জন্য দিন-রাত তৈরি থাকতে হয়। তবে অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের মধ্যে পরিষ্কার বিভেদ বজায় রাখতে আগ্রহী। আমি তাদের বলি, ভিডিও জার্নালিস্ট হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কাজের ওপর জোর দিতে হবে।




তবে অনেক ফ্যাকটর আছে যা ভিডিও জার্নালিজমের বিপক্ষে কথা বলে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে আউট অফ ফোকাস শট।




স্কলটজ ‘মাই স্টোরি’র প্রথম পর্বে বার্লিনের ২৩ বছর বয়স্ক এক যুবকের কাহিনী তুলে ধরেন। যুবকটি ভিয়েতনামের একটি হোটেলে দ্বার রক্ষীর কাজ করেন। স্কলটজ বলেন, যদি কোনো শট আউট অফ ফোকাসও হয়, তাও দর্শকরা তা গ্রহণ করে। কারণ এতে তারা দর্শকদের অনেক কাছে পৌছাতে পারে
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×