কবিতা গুলো পুড়েফেলে যে কি ভূল করেছি তা বলে বুঝাতে পরবোনা। সেই থেকে একপ্রকার ইচ্ছা করেই লেখার হাত গুটিয়ে নেই। কিন্তু থেমে থাকতে পারিনি। কেনজানি কিছু ভালো লাগতোনা। মাথার ভিতর লেখার আইডিয়াগুলো কিলবিল করে। মনে হতে থাকে আমাকে বুঝি ভূতে ধরেছে! মনে হয় মাথার মধ্যে কে যেন জোরে জোরো পৃথিবীর যা কিছু আছে তাই দিয়ে আঘাত করছে আর বলছে লেখো লেখো লেখো আর লোখা চালিয়ে যাও! এভাবে কিছুদিন চলার পর মারাত্বক ভাবে অসুস্থ হয়ে পরি। আাগের দিন অনেক খেলাধুলা করার পর বাড়ীতে আসি, এসেই ক্লান্ত শরীর নিয়ে ঘুমিয়ে পরি। পরের দিন ঘুমথেকে উঠতেই পরছিলাম না! কেন জানি একটা হাত আর একটা পা উঠাতেই পারছিনা মূখ দিয়েও কথা বেড় করতে পারছিনা ! এদিকে সকাল গড়িয়ে প্রায় দুপুর হচ্ছে। আর আমার উঠার নাম নেই! একটি কথা বলে রাখা ভালো। ছোট বেলায় খুব ফাজিল ছিলাম, লেখা-পড়ার ভয়ে প্রতিদিন কোন না কোন বাহানা করতাম যেন পড়ার টেবিলে বসতে না হয়। এই যেমন পেটের ব্যাথা, প্রচন্ড মাথা ব্যাথা, বুকের ব্যাথা আরে কি সব বলছি শুধুই ব্যাথাই বলছি আরও কি কি যে বলেছি তা এখন আর মনে হচ্ছেনা। যাই হোক পড়াশুনা না করার জন্য যা করার দরকার ছিল তাই করেছি। দুপুর হচ্ছে আর আমি তখনো বিছানা থেকে উঠছি না। বাবা বাইরে গেছেন, সেই সুজগে মা ও বেশী ডাকাডাকি করেনি। যদিও বা করেছে তা ছিল যা না করলেই নয়। থেমে থেমে কয়েক বার ডেকেছিল যা আমার উঠার জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। এদিকে বাবা বাড়ী আসার সময় ঘনিয়ে আসছে তাই মা এবার আমাকে অসহ্য ডকাডাকি করছে,আর বলছে তুই যে পড়াশুনার ভয়ে যা সব বাহানা করিস আমরা তা জানি! এবার উঠ আজ তোকে পড়াশুনা করতে হবে না এমনকি হাতের লেখা দেখাতে হবেনা। আজ তোর শাস্তি হচ্ছে নাস্তা খেতে পারবি না। এবার উঠ তোর বাবা আসার সময় হয়েছে, না উঠলে তোর বাববর মাইর খেতে হবে। এতোক্ষন মায়ের ও সব কথা শুনছি কানছি, কানছি তো বটেই তবে কোন আওয়াজ হচ্ছে না, শুধু চোখ দিয়ে পানি পরে বালিশ ভিজিয়ে ফেলেছি। তখন বাড়ীতে কোন এক প্রতিবেশী মহিলা এসেছেন আর মা তার সাথে আমার গল্প করছেন আর হাসাহাসি করছে। এদিকে তাদের এসব কথা শুনে আরও বেশী করে কান্না পাচ্ছে। সাথে সাথে বাবার কন্ঠ! বাবার কন্ঠ শুনেই ভয়ে কি অন্য কোন কারনে শুধু একবার গলা ছেড়ে আওয়াজ করে কান্না বেড়িয়ে আসে! এবার বাবা রেগে যান গালি গালাজ করতে থাকেন আর আমায় ডাকতে থাকেন কিন্তু আমি সাড়া দিতে চেয়েও পারছিনা! এভাবে ডাকডাকির পর সাড়া দিতে না পরে একটু বুদ্ধি করে বিছানা থেকে মাটিতে পরে যাই। বাশের ঘর ছিল বলে অনেক জোড়ে শব্দ হল! তা শুনেই বাবা-মা দুজনেই আতঙ্কিত হয়ে আরও ডাকাডাকি শুরু করল কিন্তি আমার কোন সাড়া শব্দ নেই। এবার ঘরের দরজা ভেঙ্গে বাবা দেখেন মেঝেতে অচেতন হয়ে পরে আছি! এবার বাবা মা কে গালিগালাজ করছে। এক পর্য়ায়ে বাবা মাকে মারধর শুরু করে। আাজ তো অনেক হলো বাকিটা আগামীদিনে বলবো। সবার সুসাস্থ কামনা করছি আর আমার সিরিজটা পড়ার আহব্বান করছি। যদিও এটা আমার নিজেস্ব গল্প কাহিনী আর লেখায় কোন রস নাই।
আমি যখন ভূত লেখক ছিলাম (২য় কিস্তি)
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৩৫
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
ধূসর ওয়ালেট
একটা ধূসর রংয়ের ওয়ালেট
সবুজাভ ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে বের হলো নীরবে
তার শান্ত হাতের উপর চেপে ধরতেই প্রশ্ন -
এটা আমার জন্য ?
ঘাড় নেড়ে সম্মতি দেখেই চঞ্চলতা ছুঁয়ে গেলো... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাকি রইলো; কাঁচা কলা

স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্মৃতির নৌকা
কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।
কোন কোন সন্ধ্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।