somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুলিশ ভেরিফিকেশন, সংস্কার ও ঘুষের নয়া রূপ-ফ্ল্যাক্সি!!!!

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জরুরী কাজে পুলিশ ভেরিফিকেশন করাতে হবে।
আমি থাকি বাইরে। আব্বাকে বললাম। আব্বা থানায় গেলো। ওসি বললেন, আমাকে স্বশরীরে উপস্থিত হতে হবে না হ্য় স্থানীয় বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে লিখিত কিছু একটা আনতে হবে।

এ "লিখিত কিছু একটা" কি তা পরিস্কার করে বললোনা। আমি স্থানীয় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ওয়েব পেজে গেলাম। কোন ইনফরমেশন পেলাম না। ১০০ ডলার খরচ করে হাইকমিশনে গেলাম।

সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা বললেন, ২৫ ডলার আর পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দেন। আমরা পাসপোর্টের ফটোকপি সত্যায়িত করে দিব। ওটা থানায় জমা দিলেই পুলিশ ভেরিফিকেশন পেয়ে যাবেন।

সকাল দশটায় ২৫ ডলার আর পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দিলাম। বিকেল চারটায় পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি ফেরত পেলাম।

কপিটা নিয়ে আব্বু গেলেন থানায়। ওসি বললেন হবেনা। আমাকে নাকি একটা দরখাস্ত লিখতে হবে সেটা বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে।

আব্বু বললেন একথা আগে বললেনা কেন? ওসি বললেন, কথা বেশি কইয়েন না। কাগজ নিয়ে আসেন নাইলে কাজ হবেনা।

আবার ১০০ ডলার খরচ করে যেতে হলো স্থানীয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে। আবার ২৫ ডলার ফী। এবার দরখাস্ত সত্যায়িত করলেন উনি। আমার নস্ট হলো আরো একটি কর্ম দিবস।

আব্বু এবার দরখাস্ত নিয়ে গেলেন থানায়।

দরখাস্ত জমা নিলেন। ফী জমা দিলেন ২৫০ টাকা। কিন্ত্ত "সম্মানী" না দিলে কাজ হবেনা।

সংস্কারের সময়ে সম্মানী? সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা বললেন, সরাসরি দেবেন না এতে প্লবলেম হতে পারে। অবশেষে আমার ছোটভাইকে বললেন ৬০০ টাকা ফ্ল্যাক্সি করেন আমার মোবাইলে।

ফ্ল্যাক্সি !!!! ঘুষের আধুনিক পদ্ধতি?

আমার ছোটভাই ফ্ল্যাক্সি করলো। অবশেষে আমার ফাইলো নড়লো।

এখনো অবশ্য ক্লিয়ারেন্স পাইনি। অপেক্ষায় আছি।
২১টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজ প্রিয়তমা স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আজ প্রিয়তমা স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন

আজ ২০ সেপ্টেম্বর, Wife Appreciation Day—প্রিয়তমা স্ত্রীকে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও সম্মান জানানোর একটি সুন্দর উপলক্ষ।

সংসারের নানা দায়িত্ব, ভালো-মন্দ সময় এবং জীবনের কঠিন মুহূর্তে একজন স্ত্রী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ অপ্রত্যাশিত উপহার

লিখেছেন সামিয়া, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪০




সৌদি আরবের রিয়াদের একটা পাঁচ তারকা হোটেলে আমার চাকরি। চাকরিটা খুব কঠিন কিছু না। প্রতিদিন একটা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার হাতে নিয়ে হোটেলের কার্পেট পরিষ্কার করি। লবি, করিডোর, হলরুম, অতিথিদের বসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার নিমো'র আসল নাম নিমচাঁদ না?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



সামুর আগের মডূ জাদীদ ভাই আমাকে একবার বলেছিলেন ব্লগার নিমো'র আসল নাম নিমচাঁদ, তাঁর খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা মাঝে মাঝে পদ্মার পাড়ে ইলিশ খেতে যান। আর, গরুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাসালসুল (অনন্ত পশ্চাদগমন), প্রথম সৃষ্টি ও ‘আকল’: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একটি সতর্ক অনুসন্ধান

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭


ভূমিকা
সৃষ্টিজগতের অস্তিত্ব নিয়ে মানুষের অন্যতম প্রাচীন প্রশ্ন হলো,সবকিছুর শুরু কোথায়? যদি প্রতিটি সৃষ্ট বস্তুর অস্তিত্বের জন্য তার আগে আরেকটি সৃষ্ট বস্তুর প্রয়োজন হয়, এবং সেই নির্ভরতার ধারা কখনো শেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরিয়ম খাতুন জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৮



মরিয়ম খাতুন। মাত্র ১৯ বছরের একটি মেয়ে। ৭৫ বছরের বুইড়া পাঁঠা গাজী নজরুলের লালসার শিকার হয়ে জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে। শুধুমাত্র একটি ছোটখাটো চাকুরী সুপারিশের জন্য গিয়েছিল। তখনই ১৯... ...বাকিটুকু পড়ুন

×