যখন মনুর ভালো দিক নিয়ে কবিতা লিখতাম, তখন মনু আমাকে সুন্দরবনের চিত্রল হরিণ বলেই জানতো। আজ যখন ঐ মনুরই ভুলটা আঙ্গুল দিয়ে ধরিয়ে দিতে গেলাম; মনু আমাকে রামছাগল ভেবে বসলো। দু-দিন আগে একটি Status পড়েছিলাম “মেয়েরা গ্যাসীয় পদার্থের মতো। অর্থাৎ তাদের যে পাত্রে রাখা হয়, তারা সেই পাত্রের আকার ধারন করে।” বিষয়টা যে সকল মেয়ের ক্ষেত্রে ঘটবে তা না। কেবলমাত্র কিছু রুচিহীন মেয়েরাই এর দলে পরে। আমি আবার বলছি, কেবলমাত্র কিছু রুচিহীন মেয়েরাই এর দলে পরে। সবাই নয়।
যারা নারীদেরকে ভোগের সামগ্রি ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারে না। আপনি গিয়ে তাদের বলুন, আমাকে বলতে আসেন কেন? আমি নারী-পুরুষকে সমান চোখে বিচার করি। আর্থৎ, (অর্ধাঙ্গ)+(অর্ধাঙ্গী)=(পূর্ণাঙ্গ)। বারবার আমি আপনাকে এটাই বলেছি। এখানে আপনি নারীকে দমিয়ে রাখার গ্যালিলীয় সূত্রটি কোথায় আবিষ্কার করলেন, বুঝতে পারলাম না।
আপনি নারী হয়ে গর্ববোধ করছেন তো… Welcome না Most Welcome। আর আমি… পুরুষ হয়েই ঐ নারীকে নিয়ে গর্ববোধ করি। কেননা, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত।
আপনি নতুন প্রজন্ম জন্ম দিবেন তো… OK, কোমড় বেঁধে নেমে পরুন। আমি দোঁয়া করি ঐ প্রজন্মটি যেন রুচিহীন হয়ে আত্ম প্রকাশ না করে, বরং রুচিশীলদের কাতারে গিয়ে দাড়াঁয়।
আপনি আমাকে আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বের হতে বলছেন। কিন্তু আপনি নিজে বের হচ্ছেন না। এর দ্বারা আপনি সবাইকে কি বুঝাতে চাচ্ছেন…….??? আপনি নিজেকে কি মনে করেন? আকাশের চাঁদ??? হ্যাঁ, আপনি আকাশের চাঁদই। যার নিজস্ব কোন আলো নেই, সূর্যের সহচার্য্যই যার একমাত্র ভরসা। যত্যসব কোথাকার!!!
প্রিয় পাঠক, আপনারা নিশ্চয় ভাবছেন, এসব আলোচনার মুল উদ্দেশ্য কি? মুল উদ্দেশ্য হলো নারীর অধিকার। আমি যাদেরকে, বাস্তবিক যুক্তিতর্কের মাধ্যমে থুতা মুখ ভোতা করে দিয়ে ছিলাম। এখন সেই সম্মানিত লোকগুলো আমাকে তাদের ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বের হতে বলছে, এমনকি তাদের Status-এ কোন প্রকার মন্তব্য করতে নিষেধ করেছে। যে Status নিয়ে এই হাঙ্গামা তার লিঙ্কটি আমি নিচে দিয়ে দিলাম। মন চাইলে দেখতে পারেন। যেখানে তাদের কোন যুক্তি ছিলো না। ছিলো শুধু জোড় গলা--- তাল গাছটা আমার! তাল গাছটা আমার!! তাল গাছটা আমার!!!!
উত্তেজিত Status-টির লিঙ্কটি এখানে
লেখাটি প্রথম এখানে প্রকাশিত হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




