আনন্দিত কান্না
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বিজয়ের এই মাহেন্দ্র ক্ষণে আজ আমরা কেতন উড়ায় পুলক চিত্তে। আর মোহনীয় ছন্দে নৃত্ত দিয়ে উঠে শরীরের প্রত্যেকটি ধমনী। এ যেন এক অনাবিল শান্তির পরশ ঘিরে রাখে বাঙ্গালী মনুষ্য গাত্রে। যা এতটা সহজেই, হৃদয়ের মাঝখান থেকে হারিয়ে যাবার নয়। কিন্তু সহসা… মনের কোনো এক কোনে বেদনার আর্তনাদ চাপা চিৎকার করে উঠে! ব্যাথ্যায় কল্পিত রক্তের স্রোত; কেবলি ঢেউ ভেঙ্গে চলে সম্মুখ পানে। মুখ ফোটে বলতে গেলে গলা চেপেঁ ধরে সেই নৃশংসতা। আজ আমি অধীন, স্বাধীন নামক আমার জন্মভূমিতে। পতাকা নিয়ে ঠায় দাড়িয়ে দক্ষিনা হিমেল হাওয়ার উদ্দেশ্যে। কখন আসবে সেই ক্ষণ? বুক ভরা স্বপনিল স্বপ্ন নিয়ে সাজাবো আপন ভূবন। আজ আমি অস্থির, অধীর, রাগান্তুক এক রঙ্গিন ভোরের কামনায়। নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর ফুসেঁ উঠে আমার শান্ত হৃদপিন্ড। যে মৃত্যুর অভিশাপ দিয়ে নীল করে দিবে তোর সারা শরীর। আবার সহসাই… থেমে যায়। চোখ দুটি বন্ধ করি… চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার ছেয়েঁ যায়। আর ওখানেই এক অনুভূতি জন্ম নেয়। মায়াঁর মমতা মাখা কন্ঠে আমায় ডেকে বলে… “আমি বিজয়”!
সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা!!!
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট অবলম্বনে ২০২৬ সালের এক কল্পিত নতুন সংস্করণ)অমিত রায় সম্পর্কে তার বন্ধু সহিস বলত, "অমিতের বুদ্ধির আলোটা সূর্যের মতো সবাইকে আলো দিতে আসে...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
চারাগাছ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১

বাংলা ব্লগের জগতে সহব্লগাররা যারা আমাকে অনেকদিন ধরে চেনেন, তারা জানেন—আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।
শুনতে একটু অদ্ভুত লাগে, তাই না?
রাশিয়ায় আমি কোনোদিন যাইনি।
তবু আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।
আমার সেই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
ভুয়া মফিজ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫

বাংলাদেশে একটার পর একটা বিষয়বস্তু সামনে আসে, আর সবাই সেটা নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। দেখে বিমলানন্দ অনুভবস করি। ''অনুভবস'' বললাম, কারন ছাত্রাবস্থায় আমরা বন্ধুরা কোন বিষয়ে ওভার-ক্যাজুয়ালি ফানি আলাপ করলে...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবিদের দৈনিক ডিউটি টাইম বা কাজের সময় কতো ঘন্টা? সমগ্র বাংলাদেশে, সমগ্র বাংলাদেশে যে কোনো সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারগণ দৈনিক কতো ঘন্টা ডিউটি করেন?
সরকারি হাসপাতালে পড়ালেখা করে, সরকারি...
...বাকিটুকু পড়ুন
আপনি জানেন কী?ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ...
...বাকিটুকু পড়ুন