আজ রংপুর যাচ্ছি, ব্যাপার ই আলাদা......সাথে প্রাণাধিক প্রিয় দুই বন্ধু......অনেক মজা হবে ইন্সা আল্লাহ্। ঢাকার মাটিতে বসে রংপুরকে নিয়ে গল্প করার মজাই কুছ অর হে.........তাই লোভ সামলাতে না পেরে একটা উপদেশ মূলক গল্প বলি
............ প্রাণপ্রিয় বন্ধু নাজমুল হোসেন মেরিয়ান কে নিয়ে। সে একবার আমাকে বলল, দোস্ত তুই কোনদিন কুত্তার কামড় খাইছিস? আমি বললাম, না তো। কেন? ও বলল, দোস্ত সেই রকম জিনিস এই কুত্তার কামড় রে, একবার কামড়িয়ে ধরলে ছাড়েই না। আমি বললাম, হুর, কুত্তা কি কচ্ছপ নাকি? ও বলল, একবার কেরানী পাড়ার মোড় থেকে গোস্ত নিয়ে আসতেছি, আমাকে লক্ষ করে একটা কুত্তা সেই দৌড় দিল, আমি ও দিলাম ছুট। কিন্তু শালার কুত্তার তো চার পা, তাই দুই পা দিয়ে কুলাইতে পারলাম না। দিল এক কামড়। আমি তো ততক্ষণে পড়ে গেছি। পরে আব্বা এসে কুত্তাটাকে পিটিতে মেরে ফেলছে। শালা, বুঝতেই পারলাম না, কোন কারন ছাড়া কামড়াইল কেন? কি কোন যুক্তি আছে বল?
আমি বললাম, দোস্ত তোর কাছে হয়তো কোন উপযুক্ত যুক্তি নাই, কিন্তু কুত্তাটার কাছে কিন্তু যথেষ্ট শক্ত এবং পাকাপুক্ত যুক্তি আছে। মেরে না ফেললে আমরা এখন শোনার চেষ্টা করে দেখতাম। আর তুই তো বোকা, তুই শালা গোস্তের প্যাকেট টা ফেলে দিবি না? ও বলল, ইস গোস্তের বুঝি আর দাম নাই? আমি তখন বললাম, দোস্ত ওই গরুর গোস্তের চাইতে তোর গায়ের গোস্তের দাম অনেক বেশি, ঠিক কি না বল। ও তখন বলল, আরে আমি ভেবেছিলাম, দৌড়িয়ে কুলাতে পারবো বোধয়।
"কিন্তু_কুত্তার_সাথে_যে_পারা_যায়_না_হাতে_নাতে_টের_পাইছিরে"।
বন্ধুর উপদেশটা মনে রাখতে পারি নাই। অযথা কামড় খাইলাম। ভাজ্ঞিস এখন ১৪ টা ইঞ্জেকশন দিতে হয়না, তাইলে তো মরেই যেতাম। মনে রাখা অবশ্য আমার জন্য একটু কঠিন-ই ছিল বৈকি, ও ইংলিশে উপদেশটা দিয়েছিলো তো, আমি আবার ইংলিশ এ কাঁচা। তাই মনে রাখতে পারি নাই। ইসস, যদি ইংলিশটা ভালো করে শিখতে পারতাম, আজ কামড়টা খেতাম না। আফসোস।।
এখন বাংলায় বললাম এই জন্যই, নিশ্চয়ই সবার মনে থাকবে। আশা করি আর কেউ ইংলিশ কম জানার ফলে কুত্তার কামড় খাবেন না।
#ঢাকা_বাসি_বিদায়।। #ঈদ_মোবারক।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



