somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্রেকিং নিউজ----ব্রেকিং নিউজ------ব্রেকিং নিউজ

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



রাত সোয়া একটায় গোপনে দেশ ছেড়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী________প্রথম আলো

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সপরিবারে গোপনে দেশ ছেড়েছেন। রাত সোয়া একটার সময় তিনি শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে ভারতীয় একটি ফ্লাইটে দেশ ছেড়ে গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে বিমান বন্দর কতৃপক্ষ। প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক দেশ ছাড়ার বিষয়টি সরকারের কোন মন্ত্রীরাও জানতেন না বলে জানা গেছে। বিরোধী দলের লাগাতার অবরোধ এবং তীব্র আন্দোলনের হুঙ্কারের মাঝে শেখ হাসিনার এভাবে দেশ ছেড়ে যাওয়ায় সচিবদের মাঝে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে এবং কাউকে কাউকে দিকবিদিক ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে। একাদিক মন্ত্রীরা এরমাঝে নিজ বাসস্থান ছেড়ে অজ্ঞাতস্থানে ছলে গেছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে, বিভিন্ন মন্ত্রীদের সাথে যেগাযোগের চেষ্ঠা করতে গিয়ে দেখা যায়, কাউকেই ফোনে কিংবা মন্ত্রনালয়ের লোকজনের সঙ্গে এবংকি নিজ বাসভবনের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করে কারো খোজ পাওয়া যায়নি। তবে তথ্য উপদেষ্ঠা ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবং যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে কয়েকজন সাংবাদিক যোগাযোগ করে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন; হটাৎ করে প্রধানমন্ত্রী এভাবে দেশ ছেড়ে যাবেন- বিষয়টি তাদের কাছে গোপন রাখা হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। সফর সঙ্গিদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকেও বিমান বন্দরে প্রবেশ করতে দেখেছেন, এমনটি বললেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেখানে অবস্থান রত একজন সিকিউরিটি কর্মকর্তা। তিনি এও জানালেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নারীপুরুষ মিলিয়ে সর্বমোট ১০ জনের বেশি ছিলেন না। ঐ কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীসহ তার সফরসঙ্গিদের অনেকটা তাড়াহুড়া করতে এবং চেহারায় বিমর্ষভাব ফুটে উঠতে দেখেছেন।

রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ খানও প্রধানমন্ত্রির দেশ ছাড়ার বিষয়ে অবগত নন বলে তিনি স্বীকার করেছেন । সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি সেনাপ্রধান এবং পুলিশের আইজিকে বঙ্গভবনে জুরুরী তলব করেছেন। তিনি সেনাবাহিনী ও প্রশাসনকে করনিয় সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ খান সকালে জাতির উদ্দেশ্যে জরুরী ভাষন দিতে পারেন এবং সাময়িক জুরুরী অবস্থা জারিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামালের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানালেন, বিএনপি এবং তাদের নেতৃত্বাধীন ২০ দলের কাছে প্রথম দিকে খবরটি গুজব বলে মনে হলেও পরবর্তীতে খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে ২০ দলের জুরুরী বৈঠক ডাকা হয়েছে। বৈঠক শেষে তাদের বক্তব্য জানানো হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া খবরে জানা যাচ্ছে, বিএনপি-জামায়াতের পলাতক সকল নেতারা নিজনিজ কার্যালয়ে রাতেই একত্রিত হচ্ছেন। কোথাও কোথাও সমর্থকদের মাঝে আনন্দোল্লাসের খবর পাওয়া গেছে। বেগম খালেদা জিয়া সকালে দেশ বাসির উদ্দেশ্যে সংবাদ সম্মেলনও করতে পারেন বলে ধারনা করা হচ্ছে এবং আগামীকাল থেকে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষনা করে পল্টনে মহাসমাবেশেরও ডাক দিতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন আকস্মিক দেশ ছেড়ে যাওয়াকে প্রবিণ আইনজীবী বেরিষ্টার রফিকুল হক বলেছেন, "বিরোধী দলের তীব্র আন্দোলনের মুখে পরাজয় নিশ্চিত দেখতে পেয়ে শেখ হাসিনা সুযোগ বুঝে পালিয়েছেন।"

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাৎক্ষনিক প্রতিকৃয়ায় বলেছেন, "কঠোর আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রধানমন্ত্রী গদি ছেড়ে জীবন নিয়ে পালিয়েছেন।"

হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ এবং রওশন এরশাদ যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, জাতিয় পার্টি আগামীকাল মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করার ঘোষনা দিচ্ছে এবং স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পলায়ন, জাতির জন্য ঐতিহাসিক বিজয় বলে মনে করছেন।"

এমন উদ্ভট পরিস্থিতিতে সাধারন জনগন এবং সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মিরা যাতে দিকভ্রান্ত না হয়ে কোন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্ঠি করার সুযোগ না পায়; সে জন্য মাননীয় রাষ্ট্রপতি অতি দ্রুততর পদক্ষেপ নিবেন- এমনটি আশা করছেন সকল বিশিষ্ট নাগরিকগন। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির নির্দেশমত প্রশাসনকে দলীয় নীতির পথ পরিহার করে তাদের নিজনিজ দায়িত্বের প্রতি সতর্ক অবস্থানে থাকারও আহ্বান জানান তারা।

দ্রুতভেগে প্রধানমন্ত্রির পালিয়ে যাওয়ার খবর দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় সাধারন জনগনের মধ্যে চরম আতঙ্কভাব ফুটে উঠেছে বলে জানাচ্ছেন আমাদের স্থানিয় প্রতিনিধিরা। তবে সকালের নব আলোয় আনন্দের রঙ ছিটাবেন বিজয়ের আনন্দে; সে পর্যন্ত তর সইতে পারছেননা বিরোধী দলের সমর্থকরা। সারাদেশে পাড়ায় পাড়ায়, গলিতে গলিতে মধ্যরাতেই তারা শুরু করেছে আনন্দ মিছিল এবং রঙ মারামারি।

সর্বশেষ ভারতীয় দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, শেখ হাসিনা ভারতের কোন বিমানবন্দরে এখনো অবতরন করেছেন কিনা সে ব্যপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

( পুরো খবরটি সম্পুর্ন কাল্পনিক! বাস্তবে যদি এমনটি ঘটতো- তবে কেমন হতো? )
৯টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

**চিঠি ০৩ : ক্যাফের চিঠি** ☕️

লিখেছেন চারাগাছ, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৫




বহু বছর পর আজ তোমাকে দেখলাম।

একটা ক্যাফেতে।

জানালার পাশের টেবিলে বসে ছিলে তুমি। সামনে একটা বই, পাশে একটা Affogato। মাঝে মাঝে কফিতে চুমুক দিচ্ছিলে, আবার বইয়ের পাতায় চোখ রাখছিলে।

আমি ক্যাফেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরোনামহীন কবিতা-০৭

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

তোমাকে নিয়ে কক্সবাজারে
সমুদ্রের গান শোনা,
অথবা বান্দরবানের কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে
মেঘের ভেলায় হারিয়ে যাওয়ার
কত যে ইচ্ছে—স্ব-যত্নে পুষে রেখেছিলাম
মনের গহীনতম কোণে!

কোনো এক ঈদের পড়ন্ত বিকেলে—
অকারণ কাঁপা আঙুলে
একটি খুদে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলাম
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×