একটা কৌতুক আছে, ছেলেরা ফেল করলে রিক্সা চালায়, মেয়েরা ফেল করলে শশুরবাড়ী যায়।
নাহিদ স্যারের চতুরতায় এবার অবশ্য কম মেয়েরাই শশুরবাড়ী যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। ছেলেদের চাইতে মেয়েদের পাশের হার বেশি।
নাহিদ স্যার পাশের হারের এই দুরবস্থার জন্য খালেদা জিয়া আর তার রাজনীতিকে দায়ী করেই দায়িত্বের শেষ মনে করছেন। যোগাযোগ মন্ত্রী কাদের স্যারের অটো-রিক্সার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার এই দুঃসময়ে এতগুলো ছেলের যে সংকটাপন্ন জীবনের মুখমুখি সে বিষয়ে কোন বক্তব্য নেই।
যশোর বোর্ডে অভাবনিয় বিপর্যয়ের কোন মুন্ডুপাত করেননি তিনি। যশোরে কি খালেদা জিয়া আর ফখরুলের ন্যায় পরিক্ষার্থীদের "পড়ালেখা বিমুখ করা আন্দোলন" এ কেউ ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন কিনা নাহিদ স্যার সে বিষয়ে বলতে ভুলে গেছেন হয়তো।
সারা দেশে খালেদা পাশ করতে দিলেন ৬৯% আর যশোরে দিলেন মাত্র ৪৬%, যশোরের জন্য বরাদ্দকৃত বাকি ২৩% খালেদা জিয়া দুর্নীতি করে আত্মসাৎ করেছেন। নাহিদ স্যার বরাবর খালেদা জিয়াকে এই অবিচার ও দুর্নীতির জন্য মামলা দিয়ে বকশিবাজারের আদালতে হাজির করার জোর দাবী জানাই।
পাশ করা এবং ফেল করা উভয়ের জন্যই নাহিদ স্যারের পক্ষ থেকে দুটো পরামর্শ-
এক-ফেল করিয়া কাঁদলেনতো আবার ফেল করলেন; বারবার ফেল না করিয়া পরেরবার পাশের প্রস্তুতি নিন।
দুই-পাশ করিয়া অত নাচনের কিছু নাই! এইরাম পাশ জীবনে আরো বহুতবার করন লাগবো, ভার্সিটি এডমিশনেই দেখেন না কি হয়!!!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ১০:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




