আমরা খুব ভালো মতই জানি বিজ্ঞান আজ কতদূর এগিয়েছে। বর্তমান সময়ে বিজ্ঞানের এগিয়ে যাওয়ার হার অনেক বেশিই দ্রততর হয়েছে। বর্তমানে বিজ্ঞান পৃথিবীকে অধিকাংশে পরিবর্তন করেছে। গাছপালা থেকে শুরু করে সাগর, পাহাড়, আকাশ সবকিছুতেই আজ বিজ্ঞান গবেষণা দ্বারা নিজেদের সার্থকতা প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছে। বিজ্ঞান শুধু পৃথিবীর মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই বরং বিজ্ঞান আজ পৃথিবীর বাহিরে মহাবিশ্ব পর্যন্ত পৌছে গেছে। বিজ্ঞান আজ চাঁদ থেকে শুরু করে মঙ্গল গ্রহ পর্যন্ত পৌছে গেছে, শুধু কি তাই ! আজ বিজ্ঞান পৃথিবী থেকে সব থেকে দুরে যে গ্রহটি অবস্থিত (প্লুটো) সেখানেও নিজেদের গবেষণার আলো পৌছাতে সক্ষম হয়েছে । এক কথায় বলতে গেলে বিজ্ঞান তার সাফল্যের হার দিন দিন বাড়িয়েই তুলছে।
তবে কি বিজ্ঞান এখন পর্যন্ত সব গবেষনাতে নিজেদের সাফল্যতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে ? এমনটি কি নেই যেখানে বিজ্ঞান নিজেদের সফলতা অর্জনে ব্যর্থ্ হয়েছে ! হ্যাঁ, সবকিছুর ন্যয় বিজ্ঞানেরও কিছু কমতি রয়েছে, এমনও কিছু ব্যাপার রয়েছে যেখানে বিজ্ঞান এখনও পর্যন্ত নিজেদের সাফল্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি, ব্যাপারটি এমন নয় যে বিজ্ঞান চেষ্টা করেনি। বিজ্ঞান চেষ্টা করেছে এবং এখনো চেষ্টা করেই যাচ্ছে, হতে পারে সুদূর ভবিষ্যতে বিজ্ঞান এক্ষেত্রও নিজেদের সাফল্যতা ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হবে ।
"বারমুডা ট্রায়াঙ্গল " - তেমনি এক বিশ্বয় এর নাম যেখানে বিজ্ঞান আজও নিজেদের সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি।
বিজ্ঞান পৃথিবীর বাহিরে পর্যন্ত নিজেদের সফলতা ছড়িয়ে দিতে সক্ষণ হলেও পৃথিবীর বুকে অবস্তিত সেই বিশ্বয় "বারমুডা ট্রায়াঙ্গল " এর রহস্য আজও সঠিক ভাবে আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়নি।
সর্বপ্রথম বারমুডা ট্রায়াঙ্গল সম্পর্কে জানা যায় ১৯৬৪ সালে Vincent Gaddis নামক মেগাজিনের মাধ্যমে। পৃথিবীর এই বিশ্বয় অবস্তিত আটলান্টিক মহাসাগরে। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্তিত মিয়ামি ফ্লোরিদা , পুর্তরিকো এবং বারমুডা আইল্যান্ড এই তিনটি পয়েন্টকে যুক্ত করলে যে ত্রিভুজ আকৃতি পাওয়া যায় সেই অঞ্চলটিই বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নামে পরিচিত।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল যা "Devil's Triangle" নামেও পরিচিত এমন এক বিস্সয়কর অঞ্চলের নাম যে অঞ্চলের মাঝে যাওয়ার পর আজ পর্যন্ত কোনো কিছু ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়নি। এপর্যন্ত বড় বড় জাহাজ থেকে শুরু করে উড়োজাহাজ , সাবমেরিন , যুদ্ধবিমান সবকিছুই যা এই অঞ্চলের মধ্যদিয়ে অতিক্রম করার চেষ্টা করেছে সবকিছুই আজ নিজেদের অস্তিত্ব হারিয়েছে। শুধু তাই নয় , বরং তাদের কোনো অস্তিত্বেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি। কি এমন আছে এই অঞ্চলটির মাঝে যা বড় বড় উড়োজাহাজ, জাহাজ কে সম্পূর্ণ ভাবে নিশ্চিন্ন করতে সক্ষম ! শুধু তাই নয় , শুনে অবাক হওয়ার কথা যে যেকোনো ধরনের যান যা এই অঞ্চলটির মধ্যে দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে সে সব যানের সকল ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাটি আসলেই অনেক বিশ্বয়ের। বিজ্ঞানীদের ধারণা সে অঞ্চলটিতে চম্বকের আকর্ষণ থাকতে পারে যা ইঞ্জিন বিকলের কারণ হতে পারে, যা এখনো শুধুই ধারণা, এর বাস্তবতা এখনো সঠিক বলে দাবি করতে পারেনি বিজ্ঞান।
বর্তমান যুগে এসেও বিজ্ঞানের কাছে আজ পৃথিবীর বুকে অবস্তিত "বারমুডা ট্রায়াঙ্গল" শুধুই এক বিশ্বয়ের নাম ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

