
ভূমিকা: ডিজিটাল বাংরাদেশ ছিলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সপ্ন। তিনি বাংলাদেশ কে প্রায় ডিজিটাল করিই ফেলেছেন। জন্ম নিবন্ধন এখন অনলাইনে চেক করা যায়। জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসর্পোট, ড্রাইভিং লাইসেন্স সব কিছু একন অনলাইনে চেক করা যায়। SSC, HSC, অনার্স পরীক্ষার রেজাল্ট এখন অনলাইনে দেখা যায়। এখন সরকারি চাকরির আবেদন ও লেপটপে বসে করতে পারি।
ই কমার্স এখন হাতের মুঠোই। অন লাইনে অর্ডার কার যায়, এখন অনেক কিছু ডিজিটালই পে-মেন্ট করা যায়। এখন প্রায় প্রতিটা উপজেলা তে ব্রডবেন্ট ইন্টারনেট পৌছে গেছে। প্রায় সব কাজ এখন অনলাইনে করা যায়। সে দিক থেকে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে ধন্যবাদ দিবো। তিনি যদি ২০০৯ সালের ক্ষমতায় এসে যদি ডিজিটাল বাংলাদেশে গড়ার নিয়্যাত না নিতেন তাহলে আজ ও অনেক কাজ হাতে কলমে করা হতো।
এখন আকামের পোলাপানের কাছে:
ঘটনা ০১: আমি অটো দিয়ে এক জায়গাতে যাচ্ছিলাম। এক ১৮ বছরের ছেলে ফোনে কথা বলতাছে। সে ফোনে বলতেছিলো যে “আসিফ কে বললাম ঐ ফাইলটা PDF করে পাঠাতে, হালায় স্কিন শর্ট করে দিয়েছে। এখন জুম করলে স্পষ্ট কিছু বুঝি না। পিডিএফ করলে তো এমন হতো না”
এখন যদের জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ করা হচ্ছে তা তো কিছু বুঝতাছে না। তাদের ভবিষৎ অন্ধকার। আমি ঐ চেংরার কথা কি বলিব। আমার ক্লাসমেট এর অনেকেই ই মেইল ID জিজ্ঞাসা করিলে আমতা আমতা করবে।
আর আমি এক মুরব্বিকে দেখি একজন কে মোবাইলের মাধ্যমে pdf ফাইল একজন কে পাঠালো। এবং সে pdf, doc, mp3, mp4, jpg, png ফাইল চিনে।
যাই হউক। বর্তমান ১০ থেকে ২০ বছর ছেলে মেয়েদের বলতে চাই। এই ইন্টারনেট দিয়ে পাবজি না খেলিয়া কিছু শিখো। বড় হেয়ে আউট সোর্সিং করে নিজের পকেট চালাতে পারবা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



