
আমার কাছে শীত ভালো লাগে। ডিসেম্বর এ বছরের শেষ মাস। বছর কে বিদায় দিতে কেমন যেন আবেগী হয়ে যাই। এই বছর কিছুটা ভালো আর কিছুটা খারাপ যায়। এই বছর হোন্ডা চালানো শিখতে গিয়ে হাত ভেঙ্গে যায়। একদম Elbow Dislocation হয়েছিলো। এখন আল্লাহর রহমতে ৯৯% সুস্থ।
ডিসেম্বর মাসে অধিকাংশ ছাত্র ছাত্রীদের আনন্দের মাস। কারন তারা বার্ষিক পরীক্ষা দিয়ে নতুন ক্লাসে ওঠে। বার্ষিক পরীক্ষা হবার কারনে লেখা পড়া থেকে কিছুটা বিরতি পায়। বার্ষিক পরীক্ষা থেকে জানুয়ারির এক তারিখ পযর্ন্ত তারা বিশ্রামেই থাকে। আনন্দে খাকে। সুখে থাকে।
ক্লাস সিক্স থেকে ক্লাস এইট পযর্ন্ত আব্বু আম্মুর সাথে সরকারি কোয়ার্টারে থাকতাম। সে সময় আমরা ছিলাম জয়পুরহাট। ডিসেম্বর এর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে নানার বাসা গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ এ আসতাম। নানার বাড়িতে ডিসেম্বর এ খুব ভালো লাগতো। পড়ন্ত বিকেলে, কুয়াশাচ্ছন্ন মুহুর্তে ধোঁয়া উড়ানো ভাপা পিঠা খেতে খুব ভালো লাগতো। তখন মাটির চুলা ছিলো। মাটির চুলার, খাদ্যে একটি আলাদা স্বাদ আছে।
ক্লাস নাইন থেকে অনার্স পযর্ন্ত নানীর বাড়িতেই ছিলাম। গ্রাম এলাকার তাজা ফুলকপি দিয়ে শৈল মাছ বা মাগুড় মাছ এর রান্না খুব মজা। এত মজার খাবার আমি আগে কোনদিন খাই নাই। তরকারি ঝাল দিতে দিতে যখন তরকারি শুকিয়ে যেতো তখন ফুলকপি দিয়ে শৈল মাছের টেস্ট আরো ভালো লাগতো।

২০১৫ সালেও শীতের সকালে কুয়াশার চাদর ভেদ করে ভবেরচর বাস স্ট্যান্ড এর বাংলা হোটেলে তুন্দল রুটি খেতে যেতাম। তারা সবজি ও ডাইল ভালো রান্না করতে পারে।এর পর একটি টং দোকানে গরম চা খেতাম। খুব তৃপ্তি লাগতো। এমন তৃপ্তি ফাইভ স্টারে খেলেও হবে না।


সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ২:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



