
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কতিপয় নেতাকর্মীরা। খবরের লিংক। । খবরটি পড়ুন।
গত শনিবার রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ আবাসিক হলে 'এ' ব্লকের ৩১৭ নম্বর কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে কৌশলে বোটানিক্যাল গার্ডেনে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান। খবরের লিংক। এই দুই ঘটনায় স্বামী কে বেধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন করা হয়। এটা কিন্তু আমি বানিয়ে বানিয়ে বলছি না। এই নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। অনেকদিন আগে কোন এক মুরব্বী বলেছে “নারীদের দেখলে কাদের যেন লালা পড়ে।।” এখন নারীদের দেখলে কাদের কোন অঙ্গ দিয়ে লালা পড়ে আপনার ঠিকই বুঝতে পারছেন। এখন এই দুই ঘটনার যদি বিচার হতো তাহলে প্রধানমন্ত্রীকে সবাই বাহবা দিতো। বিচারের ব্যাপারটা অন্য বিষয়।
এখন নারীদের দেখলে ছেলেদের মন পশু হয়ে যায়। এমন অবস্থায় নারীদের নিরাপত্তা কোথায়? আর ভালোবাসা দিবস পালন করা কতটুকু যৌত্তিক? আর আমরা কি আমাদের স্ত্রীদের নিয়ে নিরাপদে ঘুরতে পারবো? নাকি ছাত্রদের রাজনৈতিক কোন সংগঠনের নেতা এসে আমার স্ত্রীকে আমার সামনে ধর্ষন করবে? আইজি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও বিচারপতির এর কাছে আমার প্রশ্ন।
সমাজের নিকট প্রশ্ন “ছেলেদের এই কুনজর দিয়ে ভালোবাসা দিবস পালন করা কতটুকু যৌত্তিক?”
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



