আজ আমি ব্যাংকে গিয়েছিলাম। আজ শনিবার হলেও বিশেষ ভাবে বাংলাদেশ বাংক সকল ব্যাংকে খোলার রাখার নির্দেশ দেয়। আমি টাকা জমা দিতে গিয়েছিলাম। এক হুজুর আইছে। সে টাকা জমা দিবে। তিনি একলক্ষ টাকার উপরে টাকা জমা দিবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ী একটি নিদিষ্ট পরিমান এর বেশি টাকা জমা ও উত্তোলন এর সময় এনআইডি কার্ড এর ফটোকপি দিতে হয়। যদি অন্য কারো চেক বা অন্য কারো একাউন্টে জমা হয়। ভদ্রলোক অন্য জন এর একাউন্টে টাকা জমা দিবেন। সিস্টম অনুযায়ী তার এনআইডি কার্ড এর ফটোকপি দিতে হবে।
এনআইডি কার্ড চাওয়ার জন্য হুজুর ক্ষেপে গেছে। আমি পেছন থেকে বললাম উমুক পরিমন টাকা জমা দিতে হলে, “এনআইডি কার্ড জমা দিবে হবে।” বলতাছে যে “মাইন্সে হু্ন্ডি করে টাকা পাঠায়। তখন এনআইডি কার্ড লাগে না। এখন এনআইডি কার্ড চায় কেন? এগুলো লাগে না। এগুলো গ্রাহক হয়রানি ছাড়া কিছু না।”
দোষ এখানে হুজুরদের। এখানে ইসলাম ও কোরআন কে দোষ দিচ্ছি না। রাজীব নূর এর ব্লগার হুজুরদের দোষ বলতে গিয়ে আল্লাহম, নবী ও কোরআন সহ দোষী করে ফেলে। একজন বারিশাল এর দোষে সম্পন্ন বরিশালবাসী কে দোষ দেওয়া ঠিক না। তেমনি একজন হুজুর এর জন্য সম্পন্ন মুসলিম জাতি কে দোষ দেওয়া যায় না।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




