লালমনিরহাট জেলার মোগলহাট সীমানত্দের ফলিমারী চর থেকে গত সোমবার বিকালে বিএসএফ সদস্যরা অনুপ্রবেশ করে 15টি বাংলাদেশী গরম্ন ধরে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মোগলহাট, কুলাঘাট ও গোড়কমণ্ডল সীমানত্দে বিডিআর-বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিডিআর ও গ্রামবাসীরা জানায়, লালমনিরহাট জেলার মোঘলহাট সীমানত্দের মেইন পিলার 928 ও 929-এর মাঝামাঝি ফলিমারীর চরে ভারতের কুচবিহার জেলার গিদালদাহ বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্য ও ভারতীয় ভুরামপায়েনসি গ্রামের নাগরিকরা বাংলাদেশে অনু প্রেবেশ করে জোরপূর্বক 15টি বাংলাদেশী গরম্ন ভারতে ধরে নিয়ে যায়। বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশী গরম্ন ধরে নিয়ে যাবার সময় এ ঘটনা দেখে গোড়কমণ্ডল গ্রামের জলিল মিয়ার কন্যা জেসমিন (12) চিৎকার দেয়। বিএসএফ সদস্যরা এ সময় বাংলাদেশী কন্যা জেসমিনকে টেনে-হেঁচড়ে ভারতে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন ফলিমারী গ্রামবাসীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফ ও ভারতীয়দের ধাওয়া করলে তারা জেসমিনকে ছেড়ে দিয়ে 15টি গরম্ন নিয়ে যায়।
বাংলাদেশীদের গরম্ন ধরে নেয়ার খবর পেয়ে লালমনিরহাট 19 রাইফেলস ব্যাটালিয়নের পৰ থেকে মোঘলহাট বিওপি কোম্পানির সদস্যরা মঙ্গলবার ভারতীয় গিদালদাহ বিএসএফ ক্যাম্পকে এ ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে 15টি গরম্ন ফেরত দাবি করে পতাকা বৈঠকের প্রসত্দাব দিয়ে পত্র দেয়। এ পত্রের জবাবে ভারতীয় গিদালদাহ বিএসএফ ক্যাম্প থেকে মাত্র 2টি বাংলাদেশী গরম্ন নিয়ে যাওয়ার কথা বিএসএফ স্বীকার করে বিডিআরকে পত্র দিয়েছে। লালমনিরহাট 19 রাইফেলস ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সাফাত হোসেন সীমানত্দের এ ঘটনা স্বীকার করে বলেন, সমস্যাটি নিরসনের উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি সীমানত্দে বিডিআর সদস্যদের সতর্ক রাখা হয়েছে। মোগলহাট কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এ ঘটনায় বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের প্রসত্দাব দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 20.04.2006 ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



