উত্তরের মেলা-পার্বণে যাত্রা
আমি ভলানাথ অপেরার আনারকলি পালা দেখি নি,তবে যাত্রার প্রতি(যদিও নেগেটিভ )আগ্রহ থাকার কারনে অন্য বাহানা করে বাসা থাকে একরাতের ছুটি নিয়ে চুপ করে যাত্রা দেখতে গিয়েছিলাম।রাত ১২.০০ তখন একটাই যাত্রা দলের কার্যক্রম চলছিল নাম “ চ্যালেঞ্জার অপেরা “ প্রথম আলোর উত্তরের মেলা-পার্বণে যাত্রা প্রবন্ধে
শেখ বকতিয়ার নামে একজন শিক্ষক বলেছেন “নীতিশিক্ষা,হিতোপদেশ ও সাম্য সম্প্রীতির পালা দেখলে গায়ের ভেতর এক প্রকার ভাবান্দোলনের সৃষ্টি হয়।আনান্দ উপভোগের পাশাপাশি যাত্রা থেকে শিক্ষা নেয়া যায়।
আমি বলি কোন ধরনের নীতিশিক্ষা,হিতোপদেশ ও সাম্য সম্প্রীতির কথা বলা হয়েছে।সেখানে যাত্রার নামে যা হয় তাকে যাত্রা না বলাই শ্রেয়।পালা শুরু হলে দশক চিল্লায় ( ঝাকি দেখা ,ঝাকি দেখা )সুররাং তারাও ঐ কার্যক্রম বন্ধ করে দেশি মালে বিদেশি নৃত্য with বিদেশি পোশাক (খলাম খলাম বলাই ভাল) এর কার্যক্রম শুরু করে।আমাদের শ্রমজীবী মানুষের বুদ্ধির অভাব নেই তারা সঙ্গে করে একটি হাই পাওয়ার টর্চ লাইট বহন করে নিয় প্রবেশ করে যাতে নর্তকীর উপরের সুকাঠাম দেহ উন্মুক্তের সময় কাপড়ের ছায়া মূল্যবান জায়গায় পরলে টর্চের আলোয় টা দূরীভূত যায়।রাত ২.৩০ পর্যন্ত একটার পর একটা নর্তকী আসে আর যায়,এক একজন তিনটি গানে তাদের ঝাকানাকা দেখিয়ে যান ।প্রথম দুটি গানে বলিউডের পোশাক ঠিক থাকে, তিন নম্বর গানের জন্য প্রত্যেক দশকের আগ্রহের কমতি থাকে না কেননে তিন নম্বর গানেই পোশাকের খোলা ও বন্ধ হয়ার কার্যক্রম শুরু হয় আর সেই সাথে শুরু হয় টর্চের জ্বলা নিভা।এই সকল কার্যক্রমের পর শুরু হয় নাটকের পালা এবং সেই সাথে কিছু দর্শক পালিয়ে যায় ।সব দশক যাতে না পালায় সেই জন্য তাদের এই কার্যক্রম ২০-৩০ মিনিটের মধ্যেই বন্ধ হয়ে আবার শুরু হয় নৃত্য ।এই নৃত্য চলে ভোর পযন্ত তারপর শুরু হয় নাটক ।সেই নাটক যারা দেখে তাদের বাসায় ফেরার পথ থাকে না বিধায় দেখে ব্যতিক্রম যে নেই তা বলব না। আমি যাহেতু গোটা রাতের কথা বলে বাসা থাকে বের হয়েছি তাই আমার যায়ার উপায় না দেখে পালা দেখতে শুরু করলাম।এখানে পুলিশরা জনগনের বন্ধুর মত মানে তোমরাও দেখ আমরাও দেখি ।
এই যখন যাত্রার অবস্থা তখন প্রথম আলোর এই প্রতিবেদন আমার মাথাটাই ঘুরিয়ে দিল।যাত্রা আমাদের একটি ঐতিহ্য একে রক্ষা করা আমাদের সকলের কর্তব্য কিন্তু ভুল চিত্র জনগণের সামনে তুলে দেওয়া ঠিক না।এখন কথা হল কোন শিশু যদি শিক্ষকের কথা শুনে আনান্দ উপভোগের পাশাপাশি যাত্রা থেকে শিক্ষা নেয়া যায়, তবে শিশুটি কি শিক্ষা পাবে .........!
প্রতি রাতে কম করে হলেও আট হাজার দর্শক যাত্রা দেখে।এ থেকে বোঝা যায় যাত্রার কদর কত বেশি !”
প্রথম আলোর এই উক্তির সাথে আমি একমত কিন্তু এই কদর কোন দিক দিয়ে বেশি তার উপর আলকপাত করা জরুরী।
আমি ভলানাথ অপেরার আনারকলি পালা দেখি নি,তবে যাত্রার প্রতি(যদিও নেগেটিভ )আগ্রহ থাকার কারনে অন্য বাহানা করে বাসা থাকে একরাতের ছুটি নিয়ে চুপ করে যাত্রা দেখতে গিয়েছিলাম।রাত ১২.০০ তখন একটাই যাত্রা দলের কার্যক্রম চলছিল নাম “ চ্যালেঞ্জার অপেরা “ প্রথম আলোর উত্তরের মেলা-পার্বণে যাত্রা প্রবন্ধে
শেখ বকতিয়ার নামে একজন শিক্ষক বলেছেন “নীতিশিক্ষা,হিতোপদেশ ও সাম্য সম্প্রীতির পালা দেখলে গায়ের ভেতর এক প্রকার ভাবান্দোলনের সৃষ্টি হয়।আনান্দ উপভোগের পাশাপাশি যাত্রা থেকে শিক্ষা নেয়া যায়।
আমি বলি কোন ধরনের নীতিশিক্ষা,হিতোপদেশ ও সাম্য সম্প্রীতির কথা বলা হয়েছে।সেখানে যাত্রার নামে যা হয় তাকে যাত্রা না বলাই শ্রেয়।পালা শুরু হলে দশক চিল্লায় ( ঝাকি দেখা ,ঝাকি দেখা )সুররাং তারাও ঐ কার্যক্রম বন্ধ করে দেশি মালে বিদেশি নৃত্য with বিদেশি পোশাক (খলাম খলাম বলাই ভাল) এর কার্যক্রম শুরু করে।আমাদের শ্রমজীবী মানুষের বুদ্ধির অভাব নেই তারা সঙ্গে করে একটি হাই পাওয়ার টর্চ লাইট বহন করে নিয় প্রবেশ করে যাতে নর্তকীর উপরের সুকাঠাম দেহ উন্মুক্তের সময় কাপড়ের ছায়া মূল্যবান জায়গায় পরলে টর্চের আলোয় টা দূরীভূত যায়।রাত ২.৩০ পর্যন্ত একটার পর একটা নর্তকী আসে আর যায়,এক একজন তিনটি গানে তাদের ঝাকানাকা দেখিয়ে যান ।প্রথম দুটি গানে বলিউডের পোশাক ঠিক থাকে, তিন নম্বর গানের জন্য প্রত্যেক দশকের আগ্রহের কমতি থাকে না কেননে তিন নম্বর গানেই পোশাকের খোলা ও বন্ধ হয়ার কার্যক্রম শুরু হয় আর সেই সাথে শুরু হয় টর্চের জ্বলা নিভা।এই সকল কার্যক্রমের পর শুরু হয় নাটকের পালা এবং সেই সাথে কিছু দর্শক পালিয়ে যায় ।সব দশক যাতে না পালায় সেই জন্য তাদের এই কার্যক্রম ২০-৩০ মিনিটের মধ্যেই বন্ধ হয়ে আবার শুরু হয় নৃত্য ।এই নৃত্য চলে ভোর পযন্ত তারপর শুরু হয় নাটক ।সেই নাটক যারা দেখে তাদের বাসায় ফেরার পথ থাকে না বিধায় দেখে ব্যতিক্রম যে নেই তা বলব না। আমি যাহেতু গোটা রাতের কথা বলে বাসা থাকে বের হয়েছি তাই আমার যায়ার উপায় না দেখে পালা দেখতে শুরু করলাম।এখানে পুলিশরা জনগনের বন্ধুর মত মানে তোমরাও দেখ আমরাও দেখি ।
এই যখন যাত্রার অবস্থা তখন প্রথম আলোর এই প্রতিবেদন আমার মাথাটাই ঘুরিয়ে দিল।যাত্রা আমাদের একটি ঐতিহ্য একে রক্ষা করা আমাদের সকলের কর্তব্য কিন্তু ভুল চিত্র জনগণের সামনে তুলে দেওয়া ঠিক না।এখন কথা হল কোন শিশু যদি শিক্ষকের কথা শুনে আনান্দ উপভোগের পাশাপাশি যাত্রা থেকে শিক্ষা নেয়া যায়, তবে শিশুটি কি শিক্ষা পাবে .........!
প্রতি রাতে কম করে হলেও আট হাজার দর্শক যাত্রা দেখে।এ থেকে বোঝা যায় যাত্রার কদর কত বেশি !”
প্রথম আলোর এই উক্তির সাথে আমি একমত কিন্তু এই কদর কোন দিক দিয়ে বেশি তার উপর আলকপাত করা জরুরী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


