
নদীর পাড় থেকেই চোখে পড়ে সে হ্যামার। ট্রলারে নদীর ভেতরে গিয়ে দেখা গেলো হ্যামারের মূল চেহারা। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রায় আড়াই হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন এই হ্যামারই বহুল প্রতিক্ষিত হাইড্রোলিক হ্যামার।
এটিই এখন পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রধান আকর্ষণ। কারণ এর আগে বাংলাদেশে এত বড় হ্যামার কোনো স্থাপনার কাজে ব্যবহার করা হয়নি। আর বলা হচ্ছে বিশ্বের কোথাও এত শক্তিধর হ্যামারের ব্যবহার হয়নি। পদ্মাসেতু প্রকল্পের জন্য বিশেষ অর্ডারে বানানো হয়েছে এই হাইড্রোলিক হ্যামার।
হ্যামারের দিকেই শ্রমিক থেকে শুরু করে সবার কৌতুহলের দৃষ্টি
জাং জিং পিং ভাঙ্গা ভাঙ্গা কয়েকটি ইংরেজি বাক্যে হ্যামার সম্পর্কে কিছু তথ্য জানালেন। পিং বলেন, এটা বিশ্ব সেরা হ্যামার। পদ্মাসেতু নির্মাণের জন্য এটি বিশেষভাবে জার্মান প্রযুক্তির তৈরি। পুরো হ্যামারটি সেট করতে সময় লাগবে ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগবে। জুলাই মাস থেকে এই হ্যামারের ব্যবহার শুরু হবে।’
পদ্মাসেতুর সেতুর পাইলগুলো ১২০ মিটার বা ৪০ তলা ভবনের সমান কাঠামো পানির নিচে থাকবে। পাইলগুলো বসানো হবে এই হ্যামারের সাহায্যে। সেই জন্যই পদ্মাপাড়ে বিশেষ এই হ্যামারের প্রতি সৃষ্টি হয়েছে বিশেষ কৌতুহল
সুত্র: বাংলা নিউজ ২৪
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০১৫ বিকাল ৪:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



