বিএনপি নেতা আখতারুজ্জামান বলেন, ‘১৯৯১ সালের ১৪ই আগষ্ট রাতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্ট বাসভবনে ঘটে ঐ ঘটনা। সে সময় প্রায় প্রতি রাতেই দলের সিনিয়র নেতারা যেতেন তার বাসায়। দল এবং রাষ্ট্রের বিষয় নিয়ে আলোচনা হত সেখানে। এরই এক পর্যায় উঠে ১৫ আগষ্ট প্রসঙ্গ। এরই মধ্যে দিনটিকে শোক দিবস হিসাবে পালনের ঘোষনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। দেশব্যাপী নানা কর্মসূচীও ঘোষনা করেছে তারা। পাল্টা হিসাবে কি করা যায় তাই নিয়ে কথা বলছিলেন নেতারা। নানা দিক থেকে আসছিল বিভিন্ন রকম প্রস্তাব। হঠাৎ করেই ১৫ আগষ্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনের প্রস্তাব দেন সাবেক ওই এমপি। কয়েকজন মৃদু প্রতিবাদ করলেও ধোপে টেকেনি তা। হয়ে যায় দিনটিকে জন্মদিন পালনের সিদ্ধান্ত’।
রাতের ওই আলোচনায় উপস্থিত থাকা অপর এক বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রস্তাব দিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি শহিদুল হক জামাল। জন্মদিন পালনের অংশ হিসাবে সোনারগাঁও হোটেল থেকে নিয়ে আসেন ঢাউস আকারের কেক। হৈ-হুল্লোড় করে তা কাটা হয় ক্যন্টনমেন্টের বাসায়। আর সেই থেকেই শুর হয় জন্মদিন পালনের ধারা।’
সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতের দিনে এভাবে জন্মদিন পালনকে দু:খজনক উল্লেখ করে মেজর (অব
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১৫ বিকাল ৪:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



