মেট্রো মধ্যবিত্ত নাগরিকের বিনোদনের জায়গার বড়ই অভাব। চট করে বিমানে উঠে যে এদিক-ওদিক যাবে তার সাধ্য কই!
মেট্রো-জীবনের ব্যস্ততা তাকে হাপিয়ে তোলে ঠিকই, সেটা নিবারনের সামর্থ্য তার নাই। তাই সে খোঁজে আশে-পাশেই একটু হাওয়া, একটু খোলা জায়গা, একটু প্রকৃতির নৈকট্য।
জীবিকার তাগিদে শহুরে জীবনে মানিয়ে চলতে হয়। উচ্চবিত্তের বিলাসী জীবন তাকে ইর্ষান্বিত করে ঠিকই, কিন্তু ভদ্রতার মুখোসে তা চেপেও যায়। তাই সে আহত হতে থাকে বাহিরে ও ভিতরে।
মানিয়ে নিতে নিতে সে হারিয়ে ফেলে তার নিজস্বতা, রুচি, অভ্যাস, আরাম - সবকিছু।
ক্রমে সে নিজের অজান্তেই অভিনয় করতে থাকে।
নিজের সাথে, আপনজনের সাথে, সহকর্মীর সাথে, বন্ধুর সাথে, পরিচিত জন, এমনকি রিকশাওয়ালা, দেকানদারের সাথেও অভিনয় করে।
আমি সুখে আছি'র এক সুখ সুখ অভিনয়।
সেই সুখাভিনয়ের তাগিদেই কখনো দিয়াবাড়ি, কখনো পূর্বাচলের বালু নদী, কখনো আশুলিয়ার লেক।
আর আক্ষেপ করতে থাকে - ঢাকার আশ-পাশ সব দখল হয়ে যাচ্ছে।
জলাধার, খোলা জায়গা, নদীর পাড় - সব দখল হয়ে গেল বলে আফসোসে বুক চাপড়ায়!
সেই তাকেই যদি কেহ কোন পথ বাতলায় যে এই কাশবনেই আছে একখান জমি সস্তায় নেয়া যায়, বিশ্বাস হোক বা না হোক লোভে চোখ চকচক করে উঠেই।
ভুলে যায় তখন গতকাল বিকালে সে কাশবন, আর শরতের খোলা আকাশের মেঘ-খন্ড দেখে এদেরই শাপান্ত করেছিল - ভুৃমিদস্যুরা সব খালি জায়গা দখল করে নিচ্ছিল বলে।
source: f/zazabormon

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

