মনেকরি,
A, B এবং C তিনটি মেয়ে।
প্রথম মেয়ে-A: দেখতে সুন্দরী হওয়ায় ভাব একটু বেশি আর খানিকটা বোকাও। কারন বোকারাই বেশি ভাব মারে। মাধ্যমিক স্কুলে ক্লাস সেভেন থেকে কানের কাছে প্রেমের হাওয়া ঘুরাঘুরি শুরু করে। প্রেমের হাওয়ার সাথে ভাবের হাওয়াও লাগে। নতুন নতুন জামা বেশি পড়ে সাথে ঢংও করতে দেখা যায়। এত ঢং দেখিয়া ছেলেরা পড়ে লাফাইয়া। ইতিমধ্যে একটা, দুইটা প্রপোজ পাইয়া বসে। শেষমেষ পছন্দের ছেলের লগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এই প্রেম চলতে থাকে। উল্লেখ্য এই মেয়েদের বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়।
...
দ্বিতীয় মেয়ে-B: দেখতে মুটামুটি সুন্দরী। মাধ্যমিক স্কুলে দুই একটা প্রপোজাল পাইলেও তা মনের মত হয় নাহ বলে তার প্রেমও হয় নাহ। ইতিমধ্যে ফেসবুকে একাউন্ট হয়। ফেসবুক একাউন্টের মর্যাদা বুঝতে বুঝতে মেয়ে ইস্কুল থেকে কলেজে পাড়ি জমায়। তখন দুই একজন ফ্রেন্ডও হয়। ফ্রেন্ড শেষমেষ বয়ফ্রেন্ডে পরিনীত হয়। এই প্রেমও চলতে থাকে। সাধারন ইন্টার পাশের পর এই মেয়েগুলারও বিয়ে হয়ে যায়।
তৃতীয় মেয়ে C: দেখতে খুবই বাজে রকমের। ইস্কুল আর কলেজে কেও প্রেমের হাতছানি দেইনি বলে তাদের প্রেম হয় নাহ এমনকি তাদের ছেলে ফ্রেন্ডও থাকে নাহ। তাই এই ধরনের মেয়েকে ফেসবুকে বেশি মনোনিবেশ করতে দেখা যায় ইস্কুল থেকেই। প্রথমদিকে সাধারনত প্রোফাইলে গায়িকা, নায়িকা, কার্টুনের পিকচার ঝুলতে দেখা যায়। গোটা কয়েক স্ট্যাটাসও দিয়ে থাকে, গুড মর্নি, হাই হ্যালো মাঝে মাঝে ছেলেদের ছবিতে কমেন্টও করতে দেখা যায়। সময়ের আর্বতনে ফেইসবুক ফ্রেন্ডও হয়ে উঠে কয়েকজন। একসময় পেয়ে যায় ফটোশপের সন্ধান। নিজের চেহারার সৌন্দর্য প্রকাশে তখন উঠে পড়ে লাগে ফটোশপের পিছনে। এসময় তাদের আইডিতে লগইন করতে কম দেখা যায়, অনেক সময় আবার আইডি ডি-এক্টিভেটও থাকে। একসময় হয়ে উঠে পাক্কা ফটোশপ মাস্টার, তখন কার্টুনের পিকচার সরাইয়া নিজের ফটোশপ মন্ডিত ছবি দিয়ে পুনরায় ফেসবুকে রেগুলার হয়ে যায়। যখন উনি ফটোশপ মাস্টার তখনই হয়ে উঠে ফেসবুক স্টার। তখন উনার শুধু ফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড নাহ লগে ফ্যানও থাকে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



