আমি খারাপ জ্বীন মাহাব। জ্বীনের মধ্যে ভালো খারাপ দুইটাই আছে। খারাপ জ্বীনগুলা সাধারনত ভূত হিসেবে পরিচিত। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব তাই এদেরকে ক্ষতি করা জ্বীন-সম্প্রদায়ের কাছে একটি মারাত্মক অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি হলো, আমাদের সারাজীবনের জন্যে আলাদা করে দেওয়া হয়। তখন আমাদের নির্দিষ্ট কুনো এলাকায় একাকী জীবন কাটাতে হয়। সেই একা থাকা অনেক কষ্টের আর সেই জন্যেই মানুষের সাথে মজা করে আমাদের সময় কাটে। সেই থেকেই হয়ে যাই ভূত।
আমার ভূত হওয়ার পিছনে কারনটা একটু অন্যরকম। পাগলাটে স্বভাবের হওয়ার আমার বাবা আমার বিয়ের জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে। ইচ্ছে না থাকা স্বত্তেও তখন বিয়ে করেছি। অল্পবয়েসী একটা মেয়ে জ্বীন বয়স ১৪ কি১৫ হবে। ভীষন সুন্দরী। নাম ছিলো লাতফি। আমি যতদূর জানি জ্বীন-সম্প্রদায়ের মেয়ে জ্বীনদের মানুষ পরী বলে থাকে। বল্লে বিশ্বাস করবেন কিনা জানি নাহ বাসর রাতেই ওর প্রেমে পড়ে যাই। সুখের সংসার, জীবন ভালোই কাটছিল। বছর দুয়েক পড়েই একটা পুরুষের আদিম স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে আমি বাবা হব। আমার ভালোবাসায় লাতফি গর্ভ অবস্থার কষ্ট তেমন বুঝতে পারে নি। সবসময় চোখে চোখে রেখেছি। হঠাত একদিন লাতফির প্রচুর কষ্ট শুরু হয়। আমি বুঝতে পারলাম এখন বাচ্চা হবার সময়। সময়মত কিছু পরীদের খবর দেওয়া হল। ডেলীভারির জন্যে স্থানও নির্ধারিত হল একটা মেহেদি গাছের তলদেশ। ডেলীভারির সময় বিস্তির্ন এলাকা তে শুধু পুরুষ জ্বীনই নাহ, জনমানব ঢুকাও নিষেধ। হঠাত একটা মেয়ে মানুষ অই এলাকাতে পায়চারি শুরু করল। তার পায়চারির কারনে লাতফির ডেলীভারির সময় পার হয়ে যাচ্ছিল। শেষমেষ লেইট ডেলীভারির কারনে আমার লাতফির মৃত্যু হয়, সাথে আমার ভালোবাসারও। সেই থেকে আমি মানুষের ক্ষতি করে যাচ্ছি।
অসমাপ্ত
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



