ঊনিশ শতকে বাঙ্গালী বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে যিনি সিমীত সাধ্য ও ক্ষমতা নিয়ে নবজাগরনের দীপ জ্বালিয়েছিলেন তিনি হলেন কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদার ।নব্য বাংলার ইতিহাসে প্রতিবাদী চেতনার অলংকৃত নাম । নদিয়া জেলার ম্যাঞ্চেস্টার কুমারখালির অহংকার।
উৎকোচ গ্রাহী প্রজাপিড়ক নীলকর জমিদারের অপকর্ম প্রতিহত করার প্রয়াসে সাংবাদিকতার মহান কর্মে প্রবিষ্ট হন ।তাঁর সম্পাদিত ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’য় নির্ভয়ে প্রকাশিত হত তাদের সর্বীধ অত্যাচার অনাচারের বিবরন । তিনি এবং তাঁর সম্পাদিত মুখপত্র ছিল শাসক শোষকের আতংক। ‘গ্রামবার্ত্তা’য় তিনিই ছিলেন লেখক সম্পাদক লেফাফা ও বিলিকারক এবং তিনিই ছিলেন আদায় কারি অর্থ সংগ্রারাহক। তিনি একাধারে সাংবাদিক সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবি সমাজ সংস্কারক । তিনি নারী শিক্ষায় রেখেছেন বিরাট ভুমিকা ।
‘গ্রামবার্ত্তা পত্রিকা’র নির্ভিক সম্পয়াদক ,সংস্কারক্ ,সাধক বাউল কাঙ্গাল হরিনাথ-
বাউল গানের প্রচারক এবং ‘বিজয় বসন্ত’ ও ‘ব্রাহ্মান্ডবেদ’ নামক ধর্ম্ম গ্রন্থের লেখক হরিনাথ মজুমদার ধর্ম্মজগতের কি সাহিত্য ক্ষেত্রে ‘কাঙ্গাল হরিনাথ’-
আনিয়াছ তুমি নতুন প্রভাত হে কাঙ্গাল হরিনাথ
মিটায়েছ তুমি ধর্ম্মে কর্ম্মে সসকল বিসম্বাদ,
এই নামেই ঊনবিংশ শতাব্দিতে পরিচিত ছিলেন ।জাতির নব জাগরনের প্রথম দিকে বাংলার ঘরে ঘরে সাংবাদিকতায় ও সঙ্গীতের দ্বারা –
আধ্যাত্ন সাধনার দ্বারা সর্ব্বোপরি অন্যায় অত্যাচার ও কপটতার বিরুদ্ধে করে তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন ও প্রভাব বিস্তার করেছিলেন ।গ্রামে দরিদ্র কৃষক প্রজা ও অসহায় মানূষেরা তাঁকে দেবতার ন্যায় ভক্তি শ্রদ্ধা করত । তাঁর জীবন দুষ্ট জমিদার মহাজনের নিযুক্ত দূর্দ্ধর্ষ লাঠিয়াল ও গুন্ডা কর্ত্রিক যে একাধিকবার রক্ষা পেয়েছে তার জন্য দরিদ্র কৃষক ও প্রজাপুঞ্জের ‘দেবতা জ্ঞান ‘ অনেকখানি কাজ করেছে ।
প্রসিদ্ধ বাউল লালন ফকিরের অগণিত শিষ্য সামন্ত কাঙ্গালের অমুল্য জীবন রক্ষার অন্যতম প্রহরী ছিলেন ।
কাঙ্গালের অনেক গান দুই বাংলার হিন্দু মুসলিম সবার মুখে মুখে প্রবাদ বাক্যের মপ্ত উচ্চারিত হতে শোনা যায় –
ওহে দিন তো গেল সন্ধ্যা হ’ল পার কর আমারে
তুমি পারের কর্ত্তা শুনে বার্ত্তা ডাকছি হে তোমারে ।
কিন্তু এই সব গানের স্রষ্টা কে, কি তাঁর নাম , কি তার পরিচয় তা আমরা আজ অনেকেই ভুলে গেছি।
স্রষ্টাকে ভুললে কিন্তু সৃষ্টি কে ভুলিনি ।ভুলতে কি পারে কাঙ্গালের সেই ব্যাকুল হ্রিদয়ের গান-
যদি ডাকার পারিতাম ডাকতে
তবে কি মা এমন করে লুকিয়ে থাকতে পারতে ।
তাঁর এই গানগুলিসে দিন জাতীয়তার যথেষ্ট প্রেরনা যুগিয়েছিল । ভেবে দেখবার মত এই যে , এই সকল গান সে দিন ধর্ম্ম মন্দিরে কি যজ্ঞশালায় আকুল হ্রিদয়ে গাওয়া হয়েছে –
শক্তি পুঁজা কথার কথা নয়
যদি কথার কথা হত, চিরদিন ভারত
শক্তি পুঁজে শক্তিহীন হত না ।
কাঙ্গাল কয় কাতরে জাত বিচারে শক্তি পুঁজা হয় না
সকল বর্ন এক হয়ে ডাক মা মা বলে,
নইলে মায়ের দয়ে কভু হবে না ।
শাক্ত-বৈষ্ণব মিলন প্রচেষ্টা কাঙ্গাল হরিনাথের পাঁচালী ‘ কৃষ্ণকালী লীলা’র-
দেখ ললিতে আচম্বিতে শ্যাম যে
আমার শ্যামা হ’ল।
গানের অবদান যেমন অনস্বীকার্য, তেমনি হিন্দু মুসলমান বিদ্বেস ও তা%র চিত্ত বিচলিত করেছিল –
জাতির নামে ধুয়া তুলে /দিচ্ছ খড়ো ঘড়ে আগুন জ্বেলে
এ জাত যে,জাত মারবার কল /নদীর জল করছি পান /একই জমির খাচ্ছি ধান
একই ভাষায় গায়ছি গান / ভাইয়ের বুকে ছুরি মারে তারা শয়তানের দল ।
কাঙ্গাল হরিনাথের সাথে প্রিয় লালন ফকির দাঙ্গা করেনি ,বরংতাঁদের মাঝে ছিল হৃদয় টানের অন্তরঙ্গতা ।
নদীয়া জেলার (বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার ) কুমারখালি গ্রামে বর্দ্ধিঞ্চু পরিবারে হরিনাথ মজুমদারের জন্ম (১২৪০ শ্রাবন ইং ১৮৩৩)।তিনি দরিদ্র হেতু অধিক বিদ্বা অর্জন করতে সক্ষম হন নি। শৈশবে পিতৃ মাতৃহীন হয়াতে স্নেহ বঞ্চিত এই বালক দুরন্ত হয়ে অঠার যথেষ্ঠ সুযোগ পান ।অর্থের প্রয়োজন তাঁর যথেষ্ঠছিল কিন্তু তিনি অন্যায় অত্যাচারের কাছে মাথা নত করেন নি ।
১২৭০সসালের ১লা বৈশাখ ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা ‘ নামে একখানি সাপ্তাহিক সংবাদ পত্র প্রকাশ করতে শুরু করেন ।জমিদার কর্তৃক অত্যাচারিত দরিদ্র এবং অসহায় প্রজার পক্ষাবলম্বন করে হরিনাথ এই পত্রিকায় সসংদাব ও প্রবন্ধাদি লিখতেন।
হরিনাথের শ্রেষ্ঠ রচনা “বিজয় বসন্ত”তাঁর জীবদ্দশাতেই বিশ সংস্করণ প্রকাশিত হয়।হরিনাথ নারী শিক্ষার পক্ষপাতি ছিলেন এবং তিনি ১৩ই জানুয়ারি ১৮৫৪ সালে তাঁর চন্ডি মন্ডপে মেয়েদের লেখা পড়া শেখাতে ব্রতি হন এবং পরে বিদ্যালয়ের জায়গা সংকুলান না হওয়ায়, ১৮৫৮ সালে এক শুভ মুহুর্তে নিভৃত প্রান্তে কুমারখলী বালিকা বিদ্যালয় (টিনের ঘর) নামে নতুন ভবন উন্মুক্ত করেন ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়, ততপর পুনরায় উক্ত বিদ্যালয় টি পাকা বাড়ীতে রুপান্তরীত হয় এবং ২১শে ডিসেম্বর,১৯৩৪ সালে (শুক্রবার ৫ই পৌষ১৩৪১বঙ্গাব্দ) সভাপতি শ্রিযুক্তসসত্যেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় আই,সি,এস, নদীয়া জেলার মেজিস্ট্রেট উক্ত বিদ্যালয়ের দ্বার উন্মুক্ত করেন।এখানে স্বরন করা যেতে পারে ১৮৪৯ খৃঃ কলিকাতেয় বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন সর্ব প্রথম ড্রিংক অয়াটার রীটন,বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার নারী জাতির জন্য প্রথম উন্মুক্ত করেন ১৮৭৭খ্রিঃ তাদানীন্তন ভাইস চ্যান্সেলর আর্থার হাডেজ। কাঙ্গালের এই বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য অশেষ লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করতে হয়েছে ,সেই বিদ্যালয়টি আজও তাঁর অমর স্মৃতি রক্ষা করছে । স্কুল ইন্সপেক্টর হরিনাথের কাজ কর্মে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে ১৫ টাকা বেতন বৃদ্ধি করেন – তিনি সেই টাকা সকল শিক্ষকদের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ বন্টন করে দেন ।
সুপ্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক অক্ষায় কুমার মৈত্র,ত্নত্রাচার্য শিব চন্দ্র বিদ্যাবর্মন,সুহাহিত্যিক জলধর সেন, দীনেদ্র কুমার রায়, মীর মশাররফ হোসেন প্রভ্রিতি ছিলেন কাঙ্গাল হরিনাথের সাহিত্য শিষ্য।তাঁর বহু উপদেশ বানীর মধ্যে বলেছেন
মাটি হ’তে দেহতব মাটি হ’বে জান না।
মাটি হ’বার আগে তবে কেন মাটি হও না ।
অবিভক্ত ভারতের যখন ব্রিটিশ সশাশক পুর্ব থেকে পশ্চিম ,উত্তর থেকে দক্ষিন পর্যন্ত কোথাও পুলিশ বাহিনী কোথাও তার পোষা আমলাদের দিয়ে ভারত বর্ষের শান্তি প্রিয় নাগরিকের উপর শারিরিক অত্যাচার –শোষণ করছিল, ঠিক এমন সময়ে নদীয়া জেলার কুমার খালি গ্রামে এই কৃতি পুরুষের জন্ম (১২৪০ সাল)।
কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদার, ফকির লালন শাহ, তন্ত্রাচার্য শিবচন্দ্র বিদ্যাবর্মন এই তিনের মিলন মেলা ছিল সর্ব মঙ্গলা দেবীর মন্দির ও বিগ্রহ । এই তিনে মিলে গড়ে উঠেছিল সাহিত্য আর আর ভাবের তেমহনা ।যারা পরস্পর পরস্পরের হৃদয়হীত মিত্র। হিরন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৫-৮৫)এই প্রসঙ্গে লিখেছেন -
“...এই সুত্রে এঁদের তিনজনের মধ্যে গভীর সৈহার্দ্য গড়ে অঠে ।মনে হয় ,শিবচন্দের চিন্তায় শাক্ত বৈষ্ণবও বাউলের দৃষ্টিভঙ্গির যেন একটি সমন্ময় ঘটেছিল , তাঁরসঙ্গিতেও এই দ্রিষ্টী ভঙ্গির প্রতিফলন পাওয়া যায়”।
শিবচন্দ্র- লালন- কাঙ্গাল তিনজনের তিনটি ভিন্ন সাধন ধারার মিলন স্থল ছিল সর্ব মঙ্গলার বিগ্রহ মন্দির ।
হিন্দু চাতনাশ্রয়িতায় তাঁর কর্মজীবন ও দর্শন বৈভবের বিকাশ সাধিত হয়েছিল একথা যেমন সত্য, তেমনি একথাও সমান সত্য যে তিনি কোন রকম ধর্মিয় গোঁড়ামী প্রশ্রয় দিতেন না।মানবিকতা বোধ ও মানব চর্চা তাঁর কাছে অনূশীলনী ব্রত হিসেবে মান্যতা পেয়েছিল।জমিদার দেবেন্দ্রনাথের জমিদারিতে প্রজা অত্যাচার ও শোষণের প্রেক্ষিতে হরিনাথ সরাসরি প্রজা পক্ষাবলম্বন করেছিলেন এবং তাঁর ‘গ্রাম বার্ত্তা প্রকাশিকা’ইয় জমিদারের অত্যাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন ।যার ফল হিসেবে বিব্রত ও ক্ষুব্ধ হয় ।বিত্তশালী জমিদার তাঁর শ্রেনিচরিত্র অনুযায়ী ছল বল- কৌশলীর আশ্রয় নেয় কিন্তু বারেবারেই তা বিফলে পর্যবসিত হয় শেষে জমিদার কাঙ্গাল হরিথের জীবন বিপন্নকরতে ব্রত হন।একরাতে এক “মহৎ প্রান” জমিদার আশ্রিত সশস্ত্র দুর্বুত্ত হরিনাথের বাড়ি আক্রমন করে ।উদ্দেশ্য তাঁর গৃহবাসভবন অগ্নিসংযোগে ভস্মিভুত করা এবং নির্মম ভাবে হত্যা করা ।সেদিন হরিনাথকে রক্ষা করবার জন্য লালন ফকির স্বয়ং লাঠি হাতে দাঁড়ীয়ে অগণিত সশিষ্যভক্তদের নিয়ে আক্রমন প্রতিহত প্রতিরোধ করেছিলেন, বাঁচিয়েছিলেন কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারকে ।
হরিনাথ মজুমদারে একটা বাউল গানের দল ছিল “কাঙ্গাল ফিকির চাঁদের দল”।এই গানের দলে তিনি গেয়েছেন দরদী গলায়-
“আমার দিল যে গেল সন্ধ্যা হ’ল পাড়ের দেখা নাই “
তিনি তাঁর গানে মানুষের মাঝে সকল ভেদ জ্ঞ্যান দূর করে সাম্য সাম্প্রতির বন্ধন তৈরিতে গেয়েছেন-
“আগেও উলং দেখ , শেষেও উলঙ্গ।
মধ্যে দিন দুই কালের বস্ত্র প্রসঙ্গ।।
মরনের দিন দেখরে সসব ফক্কিরার।
তবে কেন মূঢ় মন করে অহংকার।।
আমি ধনি আমি জ্ঞ্যানি মানি রাজ্যপতি।
শ্মশানে সকলের দেখ একরুপ গতি।।
কেবা রাজা,কেবা প্রজা, কে চিনিতে পারে ।
তবে কেন মর জীব ধন- অহংকারে।।
পুঁথি পড় পাঁজি পড় কোরাণ পুরাণ।
ধর্ম্ম নাই এই জগতে সত্যের সমান।।
সত্য রাখি কর কর্ম্ম সংসার পালন ।
পাপ নাহি হবে দেহে মৃত্যুর কারন ।।
লোভে পাপ ,পাপে মৃত্যু সকলেই জানে ।
লোভের ধাঁধাঁইয় পড়ে কেহ নাহি মানে ।।
না মানে কুবুদ্ধি লোকে মনে ভরা মল।
আগুনে পুড়িয়া মরে পতঙ্গের দল।।
মায়ের সমান নাহিরে শরীরপালিকা।
ভার্য্যার সমান নাই শরীরতোষীকা।।
আনন্দ কারন দেখ বালক বালিকা
সর্ব্বদুঃখহরা দুর্গা রাধিকা কালিকা।।
আজের এই দিনে (বাংলা ১৩০৩ ৫ই বৈশাখ ১৮৮৬ ইং)অক্ষয় তৃতীয়ার পুন্যলগ্নে এই অমর বাংলার গ্রামীন সাংবাদিক, নির্ভিক সমাজ সংস্কারক বাউল সাধক কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারের পরলোক গমন করেন।
কাঙ্গাল হরিনাথ প্রসঙ্গ ও হরিনাথের মহাপ্রয়ানে তৎকালীন পত্রপত্রিকায় মন্তব্যঃ-
১. The district of Nyddea has lost one of its great men – The Indian mirror.
২. ...কেবল দুঃখ এই যে ,হরিনাথের ন্যায় পল্লি হিতোইষি দরিদ্র বন্ধু , সত্য পরায়ন সাহসী সাহিত্য সেবক বানেলাদেশে বড় অধিক দেখা যাইবে না – সাহিত্য
৩. দেশ পত্রিকার সম্পাদক বলেন – কাঙ্গাল হরিনাথের ‘গ্রাম বার্ত্তা প্রকাশিকা’ থেকে আমি আমার সাংবাদিকতার অনুপ্রেরনা পেয়ে থাকি ।কাঙ্গাল আমাকে উজ্জবিত করে ।
৪. আনন্দ বাজার পত্রিকার সম্পাদক প্রফুল্ল কুমার সরকার বলেন – কাঙ্গাল হরিনাথ নব্য বাংলার ইতিহাসে অমর হইয়া আছেন।পল্লি অঞ্চলে তিনিই প্রথম নব জাগরনেন সুচনা করিয়া ছিলেন।
৫. এই সুত্র ধরিয়া (কাঙ্গাল তাঁর অধ্যান্ত্ব সঙ্গীতের সুত্র ধরিয়া ) সাধক মহামহীরূহে পরিনত হইবে ।- রামকৃষ্ণ পরমহংস।
৬. আমি যেন নিত্যান্দেরগৃহে (কাঙ্গাল গৃহের অবস্থান প্রসঙ্গে) অবস্থান করিতেছি- বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী।
৭. আমি ইতিহাসের ন্যায় কঠিন সত্যানুসন্ধানের মূলে হরিনাথের অনুপ্রেরনা পেয়ে থাকি –অক্ষয় কুমার মৈত্র।
৮. কাঙ্গাল হরিনাথ শুধু সমাজ সংস্কারক প্রবন্ধের লেখকই না , তিনি সমাজ সংস্কারে প্রত্যক্ষ ভাবে অংশ গ্রহন করেন;আমরাই পারিবারিক ঘটনা তাহার সাক্ষ্য দান করিতেছি।– দীনেন্দ্র কুমার রায়।
সুত্রঃ
কিংবদন্তি কাঙ্গাল হরিনাথ হরিনাথ স্মারকগ্রন্থ ...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


