somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পলক ভাই কাঁদছেন......দয়া করে কেউ টিস্যু দেন!

২৬ শে জুলাই, ২০২৫ বিকাল ৫:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা সময় ছিল, মুখে ফেনা তুলে মানুষ বলত, পলক ভাইয়ের সাথে আমার দারুণ সম্পর্ক, আইসিটিতে কিছু লাগলে জানায়েন , কার যেন বাপের ICT!
ভবনে পলক ভাই আসবেন শুনলেই কতজন যে গালে তেল দিয়ে, ফোনে কনফার্মেশন দিয়ে হাজির হতো সেটা এখন স্মৃতির রঙিন এলবামেই।
কিন্তু হায়! সময় বদলেছে। আজ পলক ভাই কাঁদছেন! জানি না কে দয়াপরবশ হয়ে উনাকে একটা সফট টিস্যু দিলেন কিনা। আমরা শুধু অনুমান করত পারি।
হয়তো জেলের কংক্রিট বিছানায় তার পিঠে ব্যথা উঠেছে। হয়তো যে ফোন দিয়ে আগে দিনে ৪০০ কল রিসিভ করতেন, সেটি এখন রক্ষীরা বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে। আর নারীদের সঙ্গে রাত জেগে মিটিং?
সে তো এখন ‘জেলের ডিউটি অফিসার’ নামক এক নতুন বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে।
আর প্রজেক্ট? যে প্রজেক্ট একদিন “ঘুষের গন্ধে পাকা” হয়ে কোটি টাকায় ছড়িয়ে যেত... এখন তা শুধু মামলার কাগজে। আগে কে কত তেল দিল, কে কত "স্মার্ট নারী" পরিচয় করিয়ে দিল—সেই অনুযায়ী প্রজেক্ট ঝরতো। এখন ঝরে শুধু জামিন খারিজের খবর।
তবুও মনটা একটু নরম হয়ে যায়—যদি ধরে নিই, পলক ভাই কাঁদছেন তাঁর অপকর্মের অনুশোচনায়।
তাহলে হয়তো আল্লাহ একদিন দয়া করবেন। তবে সেটা হবে তদন্ত ও শাস্তির পর, ইনশাআল্লাহ!
আর যদি কাঁদেন মোবাইল, টাকা আর নারী হারানোর কষ্টে—তাহলে বলতেই হয়,রাজনীতি তো ভাই ‘স্কুইড গেম’ না যে হেরে গেলে এক কোপে শেষ!এখানে মৃত্যু আসে ধীরে ধীরে...প্রথমে সম্মান, তারপর ক্ষমতা, তারপর স্বাধীনতা... সবশেষে মানুষ নিজেকেই চিনতে ভুল করে।
হ্যাঁ, পলক ভাই জীবন খুব উপভোগ করেছেন,
কিন্তু সময়ের পলক পড়তেই সব উল্টে গেছে।
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দিয়ে শুরু করা মানুষটা এখন স্মার্ট কারাগারে!

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০২৫ বিকাল ৫:২১
৫টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেঁচে থাকাই পরম বিস্ময়

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩


পথেঘাটে ঘুরিফিরি, যেকোনো সময়
পটল তুলতে পারি গাড়ির ধাক্কায়।
মাঝেমধ্যে থাকি এমনও আশঙ্কায়,
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে
মাথা ফেটে রক্তক্ষরণে প্রাণটা যায়!
এমন পরিণতিতে লোকে দুঃখ করে।
গাড়ি, ট্রেন, প্লেন, হয়তোবা ইস্টিমার
দুর্ঘটনায় প্রাণটা চলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মা'কে লেখা প্রীতিলতার শেষ চিঠি

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৯




আমায় তুমি পিছু ডেকো না'গো মা
আমার ফেরা সম্ভব  না।
দেশ মাতৃকায় উৎসর্গিতা আমি
আমি তো সেই ক্ষণজন্মা! 

আমায় তুমি আশীর্বাদ করো মা,
মোছো তোমার চোখের জল।
নিপীড়িতদের আর্তনাদ শুনছো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৮



সূরাঃ ২ বাকারা, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমোদের সেই রবের ইবাদত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা মোত্তাকী হও।

সূরাঃ ২... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিনাশ গ্রহাণুপুঞ্জের অধিবাসী - সাইন্স ফিকশন

লিখেছেন আরাফাত৫২৯, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১০




১/
বিজ্ঞান একাডেমির প্রধাণ মহামতি গ্রাহাম উনার অফিসের বিশাল জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সময়টা প্রায় শেষ বিকেল। সন্ধ্যার রক্তিম আভা দূর আকাশে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরো আকাশটাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মসজিদে ইমামতি করা, আযান দেয়া, কুরআন শিক্ষাদান করা কিংবা সাধারণভাবে দ্বীন প্রচারের কাজে বিনিময়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×