
২০১২ সালের এশিয়া কাপের কথা কি কারো মনে আছে? ঐ যে ২২ মার্চ মিরপুরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানের ব্যবধানে হেরে শিরোপাবঞ্চিত হয় আমাদের টিম বাংলাদেশ! হারের বেদনায় অঝরে কেঁদেছিলেন সাকিব-মুশফিকরা। সঙ্গে কাঁদিয়েছিলেন আমরা গোটা বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমীদেরও! ২০১২ সালের এশিয়া কাপের কথা মনে পড়লেই চোখে ভাসে সাকিব আল হাসানের কান্না ভেজা একটি ছবিগুলো! যা দেখে কেঁদেছে গোটা বাংলাদেশও!(
আজ সেই এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে একই মাঠে আবারও মুখোমুখি হবে আমাদের টাইগাররা। এ ম্যাচে মাঠে নামার আগে হয়তো সাকিব-মুশফিকের মনে ফিরে ফিরে আসবে সেই স্মৃতিগুলো!
যদিও ২০১২ সালের ওই ম্যাচটি টুর্নামেন্টের ফাইনাল ছিল, আর আজকের ম্যাচটি ফাইনাল না হলেও আমাদের বাংলাদেশের জন্য অলিখিত ফাইনালই বলা যায়। কেননা পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি জিততে পারলে এবারের আসরেও আমাদের বাংলাদেশের ফাইনাল খেলা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে যাবে, নয়তো তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের জয়-পরাজয় আর রানরেটের সমীকরণের দিকে!
জানি, ক্রিকেটে প্রতিশোধ বলতে কিছু নেই। তবুও বলবো, এখন সময় প্রতিশোধের! মনে অনেক কষ্ট থাকলেও তা বুকের মধ্যের চাপা দিয়ে উচ্চঃকন্ঠে বলছি, বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের প্রতি শুভ কামনা। আমরা কোন অবস্থাতেই দেশের চাপ তোমাদের উপর চাপিয়ে দিতে চাইনা। মাঠে তোমাদের অনবদ্য অর্জনের মাধ্যমেই দেশকে আবারও তুলে ধর বিশ্বের দরবারে। দেশ ও জাতি হিসেবে আমাদেরকে এশিয়া কাপে সম্মানিত ও গর্বিত কর। সাধ্যটুকু মাঠে উজাড় করে দাও। নিশ্চয়ই তোমাদের সফলতা সন্নিকটে। দেশের মানুষ যখন দেশের আভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক দুঃসংবাদ শুনতে শুনতে ক্লান্ত তখন তোমরাই পার দেশের মানুষকে আবারও শান্তি দিতে। দেশবাসীর জন্য নিশ্চয়ই এটুকু করবে। সাকিব-তামিম ও মাশরাফিরা দলগত অর্জনের মাধ্যমেই বিজয় ছিনিয়ে আনবে এবং আমাদের মানসিক তৃপ্তিতে ভরিয়ে দিবে এমন প্রত্যাশাই করি...
আবারো, বাংলাদেশ দলের প্রতি অনেক শুভ কামনা ও দোয়া এবং আমাদের অনেক প্রত্যাশা এবার!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০১৬ ভোর ৪:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


