মানলাম, শবে বরাত পালন করা বা মানা বেদআত(নাউযুবিল্লাহ মিন জালেক)। তো, এবার শুনি সে বেদআত কিভাবে করা হয় বা আমরা কিভাবে করি...
শবে বরাত দিবাগত রাতে নফল নামাজ পড়া হয় বা পড়ি।
এখন প্রশ্ন রইলঃ তাহলে নফল নামাজ পড়া বেদআত?
শবে বরাতের আগে বা পরে 'রোজা' রাখা হয়।
প্রশ্নঃ তাহলে রোজা রাখা বেদআত?
শবে বরাতের রাতে, কুরআন তিলাওয়াত করা হয়, দরূদ শরিফ পাঠ, তাওবা-ইসতিগফার, তাসবিহ-তাহলিল মশগুল ইবাদত করা।
প্রশ্নঃ কুরআন তিলাওয়াত করা, দরূদ শরিফ পাঠ, তাওবা-ইসতিগফার, তাসবিহ-তাহলিল করা কি বেদআত?
মানলাম, তা পবিত্র কুরআনে নাই(যদিও এটা নিয়েও আয়াত আছে অনেকে উল্লেখ্য করেছে, আর তা বলেছেন ভুয়া! তো সঠিকটা কি?) তো আপনারা বেদআত বেদআত করে নাকে সরিষার তেল দিয়ে ঘুমান, আর অনাকে ঐ বেদআত মসজিদে গিয়ে নফল নামাজ পড়েই বেদআতই হয়ে যাক।(আল্লাহ্ আপনাদের হেদায়েত নসীব করুক, আমিন)
দিন-রাত-মাস-বছর সবই আল্লাহর সৃষ্টি। এরপরও কিছু দিন ও রাতের মর্যাদার মধ্যে বিশেষ বিশেষ তারতম্য আছে। তা এ রাতকে শবে বরাতের উছিলায় যদি আল্লাহ্র তালার পাপী বান্দা একটু ঘুনাহ ক্ষমা চাই এবং উপরের ঐ কাজ গুলো করে তারপর কি বেদআত?
জেনেই হোক না, না জেনেই হোক, আল্লাহ্কে একটু বা একটি রাত বেশী করে ডাকা বা ওনার কাছে মাথা নত করা কি বেদআত?
তবে হ্যাঁ, এখানে হালুয়া রুটির বিষয়টা বেদআত হতে পারে, আপনারা যদি সেটার বিষয়ে বলেন, তাহলে আমি সে বিষয়ে আপনাদের সাথে একমত পোষণ করলাম।
আমার বেদআত বেদআত করা ভাইয়েরা, একটু প্রশ্নের উত্তর গুলো দিয়ে যাবেন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




