somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জাদিদ
তুমি আমার রাতবন্দিনী। ধূসর স্বপ্নের অমসৃণ সুউচ্চ দেয়াল তুলে তোমাকে আমি বন্দী করেছি আমার প্রিয় কালোর রাজত্বে। ঘুটঘুটে কালোর এই রাজত্বে কোন আলো নেই। তোমার চোখ থেকে বের হওয়া তীব্র আলো, আমার হৃদয়ে প্রতিফলিত হয়ে সৃষ্টি করে এক অপার্থিব জ্যোৎস্না।

এই দুর্যোগ কিভাবে মোকাবেলা করবেন?

০৬ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

'ভর্তুকি' কখনই দীর্ঘ মেয়াদী অথনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হতে পারে না। মোটা দাগে ভর্তুকি অর্থনীতির জন্য খারাপ - এটা খুবই বেসিক অর্থনৈতিক জ্ঞান। কোন নির্দিষ্ট জিনিসে ভর্তুক্তি তখনই দেয়া হয়, যখন সরকার মনে করে উক্ত জিনিস ব্যবহার করে যেন বেশি বেশি প্রোডাক্ট উৎপাদিত হয় যা সার্বিক অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে বা ভর্তুকির ক্ষতি কিছুটা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। অর্থাৎ চেইন অব সাপ্লাই ঠিক রাখা।

সরকারী অর্থনীতিবিদের উচিত ছিলো আরো কয়েক বছর আগে থেকেই ভর্তুকি দুর করার জন্য অর্থনীতিকে তৈরী করার। এই দেশে ভর্তুকি দুর করার সঠিক অর্থনীতি কোন সরকারের ছিলো না, এখনও নেই। কিন্তু সেটা না করে জনগনকে ভুলানো হয়েছে অর্থনৈতিক সক্ষমতার মরিচিকায় যার ফাঁদে সরকার নিজেই পড়ছে। আমাদের দেশ এখনও ভর্তুকি ছাড়া এই চেইন অব সাপ্লাই বজায় রাখতে পারবে না। যতই দেশ সিংগাপুর মালেয়শিয়া হয়েছে বলে গালগল্প বলেন, জনগনের মাথাপিছু আয় কিন্তু বৃদ্ধি পায় নি। এই অবস্থায় আইএমএফ এর শর্ত মেনে জ্বালানি তেল বৃদ্ধির এই ফলাফল দেশে অর্থনীতি আদৌ নেয়ার মত সক্ষমতা আছে বলে মনে হয় না। ফলে যে দামে বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত অর্থনীতির দেশগুলোর জনগন কিনবে, সেই একই দাম এই দেশের মানুষের উপর চাপিয়ে দিলে তা হবে এক প্রকার নিরব জুলুম।


তাছাড়া, ইতিমধ্যে উপমহাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি করেছে। ফলে বিশ্ববাসীর সামনে একটি খাদ্য দুর্যোগের হাতছানি দেখা দিচ্ছে। আমাদের দেশে মরিচের দাম কেজিতে প্রায় ৩০০ টাকা হবার পথে। আগামীকাল থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কোথায় যাবে কোন ধারনা কারো নেই, বাংলাদেশের এমন কোন সেক্টর নেই যে বা যারা তেলের দাম বৃদ্ধির উযুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি করবে না।

এই সমস্যাটা এমন যে, শুধু আপনি একা সারভাইব করলে চলবে না, সবাইকে নিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতে হবে। যত আপনি অন্যকে ছাড়া বাঁচার চেষ্টা করবেন, তত আপনার বাঁচা কঠিন হয়ে যাবে।

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ১:১০
২১টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধে আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষে ছিলেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:০৬



সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভুলে যেও

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০১

" ভুলে যেও "

একটু একটু করে চলে যাচ্ছি গভীর অতলে,
ধীরে সুস্থে হাটি হাটি পা পা করে এগিয়ে যাচ্ছি
অনন্তকালের ঘরে।
যেখানে থাকতে হবে একাকি
নি:স্বীম আঁধারে।

ভালো থেক ফুল,পাখি, লতাপাতা,
ভালো থেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আকাশ বলতে কিছু নেই

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনেক হয়েছে । আর না ।
সেই পরশু রাত থেকে । এক-দুই-পাঁচ-দশবার নয় । তিরাশিবার ! হ্যাঁ, তিরাশিবার ঈশিতার নাম্বারে ডায়াল করেও কোনো রেসপন্স পায় নি অলক ।
ওপাশ থেকে একটা নারীকণ্ঠ... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪১

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাঙালীর পহেলা বৈশাখ উদযাপন করার রীতিও বদলে গিয়েছে। অনেক ঐতিহ্য কালের গর্বে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আবার যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন রীতি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ নাবিকের মনের নোঙর

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২২

ছুটি শেষে যে নাবিক গৃহত্যাগ করে
ফিরে চলে পোতাশ্রয়ে নোঙর করা
তার জাহাজ পানে, জিজ্ঞেস করোনা
তাকে কখনো তার গন্তব্যের কথা।

তার মনে গেঁথে থাকে ফেলে আসা
প্রিয়জনের কান্নাভেজা মুখ আর চোখ,
বাংলার শ্যামল প্রান্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×