somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাংঘর্ষিক জীবন,সাংঘর্সিক শিক্ষা ব্যবস্থা ,অস্থিরতা ,রাজনীতির কৌশল !

২২ শে এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাংঘর্ষিক জীবন,সাংঘর্সিক শিক্ষা ব্যবস্থা ,অস্থিরতা ,রাজনীতির কৌশল !

জাহাঙ্গীর বাবু

দুই গ্রূপের মধ্যে সংঘর্ষ !গাড়ি আর ব্যাবসা প্রতিষ্টান এই দু গ্রূপের নয় ,তাহলে এই সবের উপর আঘাত কেন ? পরের ধনেলোভ,হিংসা ,স্বার্থপর তারা।হরতাল,অবরোধ ,প্রতিবাদে জানমালের ধ্বংস কেন? কেন আবার ,এ যে রাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক অধিকার।ধর্মীয় কারণে,ধর্মীয় রাষ্ট্র কায়েমের চেষ্টায় চোরা গুপ্তা মানুষ খুন ,নিউ ভার্সন জঙ্গি দ্বারা হামলা ,কেন? এটা কি ধর্মীয় অধিকার,মোটেই না,শূন্য মগজের মানুষের দ্বারা এটা ষড়যন্ত্রের স্বীকার ,শর্টকাট জান্নাত পাবার দীক্ষায় দীক্ষিত ওরা কতিপয়।ক্রসফায়ারেরএকই ফর্মূলা ,কেন ? স্বার্থ সিদ্ধি।হাই জ্যাক,গুম,খুন,সন্ত্রাসী কর্মকান্ড যারা নিজের জন্য করে তারা নিজের জন্যই করছে নাকিঅন্যের জন্য।এই সব আবিষ্কারক ,উদ্ভাবক,প্রয়োগকারী ,ফায়দাবাজ কারা



স্কুলেই আগামীর নেতা তৈরির নামে রাজনীতির কোন বিষ ঢেলে দিচ্ছে। আগে ক্লাস ক্যাপ্টেন,মনিটর এই সব ছিলো ,এখন নির্বাচন।জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনের ফর্মুলা কি ,কিভাবে সব কচি মনে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে।নেশা ধরে যাবে এদের। ওদের পোষ্টার হচ্ছে !কবিতার আয়োজন নেই,বিতর্কের আয়োজন নেই ,সময় নেই পাঠ্য বইয়ের বাইরে পড়ার। মাদ্রাসার বই গুলির সাথে চাকরি জীবনেরবিষয়ের সমন্বয়! মাদ্রাসা যাও অনেকে কিছু সিলেবাসে এনেছে,সদ্য স্বীকৃতি পাওয়া কাওমী তে! আমি এদের বিরুদ্ধে নই।
ইমাম ,মধ্যে প্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি সম্মানী ব্যক্তি ,বেশি বেতন ভুগি ,সুবিধা ভোগী ,সুস্বাস্থ্য ,সুন্দর নূরানী চেহারার অধকারী বটে.তারাবিচার সালিশ ও নাকি করেন।আমাদের দেশে প্রতি জুম্মায় চাঁদা তুলে মাস শেষে বেতন দিতে হয় তাদের সংসার কিভাবে চলে,আল্লাহই ভালো জানেন।উনাদের সন্মান উনারা পান.সব মসজিদের বেতন সরকার দিক আপত্তি নাই.,তবে বাস্তবতার সাথে সমন্বয়করে শিক্ষাটা হোক.
একজন হাফেজ তৈরী করতে কি চরম কষ্ট অভিভাবক আর শিক্ষার্থী নিজে করে আর কি কষ্ট তাদের শিক্ষকরা দেয় আমি নিজেদেখেছি।আল্লাহর কোরান যাদের মগজে তারা নিশ্চই উত্তম ব্যক্তি।কিন্তু উত্তম ব্যক্তির এই শিক্ষা মানবের কল্যানেও , অন্য আট দশ জনের চেয়ে আলাদা হবে তাদের গুণাবলী,তারা হবেন স্বয়ং সম্পূর্ণ। হীনমন্যতা থেকে বেরিয়ে আস্তে হবে তাদের।হীন মন্যতা ,প্রশ্ন থাকতে পারে, তারা অনেকেই হীনমন্যতায় ভোগে একটা মিলাদ পরিয়ে বিয়ে পরিয়ে অপেক্ষায় থাকে মুজুরীর।চাঁদা তুলে রমজান মাসে তারাবি পড়ানোর মুজুরি, পথে ঘাটে নিজ মাদ্রাসার ছাড়া আদায়ের জন্য ছুটে কাটি আজকাল টুরিস্ট ভিসায় বিদেশে এসে চাঁদাবাজি করছে প্রতিষ্টালনের নাম যার সামান্য অংশই পায় প্রতিষ্ঠান। সাংবাদিক ,মানুষের নানা প্রশ্নে থতমত খাচ্ছে ইটা কি হীনমন্যতায় ভোগ নয়.ছোটবেলা থেকেই স্বাবলম্বী হবার স্বপ্ন অনেকেই দেখতে পারেনা। এখানেই মাদ্রাসা আর কাওমীদের একটা পার্থক্য বাস্তব জীবনে।
কাওমীদের কাজে লাগতে হলে আরবি যা পড়ছে তার সঠিক বাংলা অর্থ এবং প্রয়োগ ,বাং,লা,ইংরেজি, বিজ্ঞান অংক শিক্ষারপ্রয়োজন আছে. হাফেজ ইসলামের অহংকার। তিনি যদি বাস্তবতার চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।আল কোরান ধর্মীয় শিক্ষা আরো জনপ্রিয়তা পাবে।ইসলামের প্রতি আগ্রহ বাড়বে মানুষের। এমাম সাহেবদের অনেকেই মাদ্রাসার ফাজিল কামিল পাশ করা ,তিনিহয়তো হাফেজ নন ,তবে একজন হাফেজের চাইতে তার কথা চাল চলনে বাস্তবতা বেশি।প্রত্যেক শিক্ষার স্বীকৃতি প্রয়োজন,অর্থ,শ্রম,মেধা,সময় ,অধ্যাবসায় প্রত্যেক শিক্ষায় ব্যয় হচ্ছে তবে স্বীকৃতি কেন থাকবেনা। তবে ইংলিশ,বাংলা,আরবি সকল মিডিয়ামকারো চেয়ে কেউ যেন কম না হয়। সে সমন্বয় শিক্ষা কারিকুলাম অবশ্যই প্রয়োজন।বিষয় বিভাগ বছর বিন্যাসের প্রয়োজনআছে.একজন মাষ্টার ডিগ্রী অনার্স ,একজন কামিল,অনার্স সহ ,আর সদ্য সম্মান অধিকারী যদি একই যোগ্যতা সম্পন্ন হয় তাহলেসম্মানের আপত্তি কারো থাকার কথা নয়,.যার বিষয়ে তিনি বেশি জানবেন স্পেশালিষ্ট হবেন এটা যেমন সত্য ,তেমনি এট লিস্টমেডিসিন ডাক্তারের পরমোর্শের মতো জগৎ জ্ঞানের প্রয়োজন আছে.


এবার শুরুতে ফিরে যাই ,আমরা দেখি যখনি দুই গরূপে সংঘর্ষ তখন অন্যের যান মালের ক্ষতি হচ্ছে , এটা কেন হবে ক্ষতি হলেযারা সংঘৰ্ষ করছে তাদের হোক অন্যের কেন? সংঘৰ্ষ তাই সাংঘর্ষিক। সাংঘর্ষিক চিন্তা চেতনা ,সাংঘর্ষিক শিক্ষা ব্যাবস্থা। অথচ অন্যধর্মের লোকের তাদের পড়াশোনা নির্দিষ্ট একটা বিষয়ে পারদর্শী ,স্পেশালিষ্ট হচ্ছেন।আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে তারাবিশেষজ্ঞ হয়ে আসছেন। পরামর্শ দিচ্ছেন,বাংলাদেশের অনেক বিশেষজ্ঞ বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চ পর্যায়ে কাজ করছেন। আমরারাজনৈতিক ফায়দার জন্য সিলেবাসে পরিবর্তন আনছি,পরিবর্তন ইচ্ছামতো করছি,পাশের হার ,শিক্ষার মান ,শিক্ষকের মান,বেতনসব নিয়ে সাংঘর্ষিক ব্যবস্থাপনায় আছি। নতুন যোগ হলো কওমী প্যাঁচ। এই প্যাঁচ সহজে ছুটলেই ভালো। নইলে হতে পারে রক্তপাত।কারণ আমাদের রক্ত অনেক সহজ লভ্য। দেহ থেকে বের হয় সহজেই।কেউ জীবন দেয় ,কেউ জীবন নেয়। আল্লাহ সবার মঙ্গোলকরুন।সব কিছুর সুস্থ্য সমাধান এর রাস্তা দিন.আমিন।

সিঙ্গাপুর,২০-৪-২০১৭ ইং

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১১:৪৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"নিজেদের কেলেঙ্কারিই যখন নিরাপদ নয়, প্রধানমন্ত্রী কতটা নিরাপদ"

লিখেছেন রিয়াজ হান্নান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৭


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রিয় তারেক রহমান রাহিমাহুল্লাহ,আপনাকে সবার আগে বাংলাদেশের জন্য ভালোবাসি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি আপনার আশেপাশের লোকেরা কেলেংকারির সাথে জড়িত,এরা আবার ইলিয়াসের আগেই নিজেকে নিজে এক্সপোজ করে দেয়।

এরা নিজেরাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্যবাদী নীতি

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৫২

নেপাল সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা সম্প্রতি ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশের কিছু সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করেছে ।
গত ১৭ আগস্ট নেপালের রাজধানী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×