
শোকের মাস আগষ্ট ,পনের আগষ্ট রক্তাক্ত শোকের মাতম এর দিন,এই দিনে বাংলাদেশিরা হারিয়েছিলো দিক পাল ,স্বাধীনতার অমর কবিতার শ্রেষ্ঠ রচয়িতাকে ,ইতিহাসের কালোদিন স্মরণে সেনবাগ,নোয়াখালীতে নানাবিধ আয়োজন।জীবনের বেশির ভাগ সময় থাকি প্রবাসে ,সন্তানদের কাছে থাকার সুযোগ কম.আমার দুই মেয়ে। ওদের রয়েছে সাহিত্য সাংস্কৃতিক প্রতিভা।উপজেলা ,জেলা, বিভাগীয় পর্যায়ে রেখেছে মেধা আর প্রতিভার সাক্ষর। বড় মেয়ে তার স্কুলে কবিতা আবৃতিতে প্রথম,উপজেলায় দ্বিতীয় হলো ,পড়েছে আমার লেখা "রক্তাক্ত পনের আগষ্ট " ".ছোট মেয়ে উপজেলা প্রাথমিক বিভাগে কবিতা আবৃতিতে দ্বিতীয় হলো,পড়েছে মুক্তির ছড়া । আমি ও পড়লাম আমার স্বরচিত কবিতা মুক্তির বাঁশিওয়ালা।মেয়েরা পেয়েছে বই পুরস্কার। আমি পেলাম তৃতীয়বারের মতো অডিটোরিয়ামে কবিতা পড়ার সুযোগ।
একই দিনে একই উপজেলার দুটি লোকেশনে বাবা ,মেয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা পড়লাম।আমাদের পারিবারিক একটি ইতিহাস হলো,জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালাম কবিতায়।
উল্লেখ্য আমি সাংবাদিক এম এ আউয়াল সাহেবের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পাই কবিতা পড়ার সপ্তাহ দুয়েক পূর্বে।গত ১৪ তারিখ রাতে তিনি জানান প্রোগ্রামে পরিবর্তন এসেছে।বুড়োদের কবিতা পড়ার সুযোগ থাকছে না ,স্কুল পর্যায়ে প্রতিযোগিতা হবে. চলছিলো আলোচনা অনুষ্ঠান ,আমি করছিলাম ফটোগ্রাফি। পরিবেশ দেখে বুঝলাম ,কবিতা পড়া যেতে পারে।বললাম ভিপি দুলাল সাহেবকে। ব্যাস তিনজনের আলোচনা,বক্তব্যের শেষে মাঝামাঝি পর্যায়ে ডাক পেলাম। প্রাণ খুলে পড়লাম স্বরচিত কবিতা।
আলমগীর করলো মোবাইলে ভিডিও,সাংবাদিক হারুন বললো হয়েছে বেশ. বিদেশে অনেক সুযোগ হয় কবিতা পড়ার ,ঢাকায় মন্দ নয় ,সেনবাগে মানে আমার জন্মস্থানে কবিতা পড়লে কেমন যেন তৃপ্তি পাই.তাও যদি হয় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা।যিনি নিজেই স্বাধীনতার কবিতার অমর কবি.
ধন্যবাদ সবাইকে।
জাহাঙ্গীর বাবু
ছবিতে - ছোট মেয়ে এবং বড় মেয়ে টি এন ও সাহেব শারমিন আলম এর কাছ থেকে পুরস্কার নিচ্ছে।সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ
ছবি ক্রেডিট;জিয়াউর রহমান হিরণ

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




