জাহাঙ্গীর বাবু

আমার সমালোচনায় উঠে আসে বার বার,লেখায় ধৈর্য্য, সহনশীলতা নেই, নিজেকে নিজে জাস্টিফাই করি কম।
আমার নাকি সাপ্তাহ মাসে একটি লেখা, ছোট লেখা হওয়া উচিৎ,পড়ি কম।পড়ি, তবে তার চেয়ে বেশী উর্দু,হিন্দি,ইংরেজী, এরাবিক, কবিতা শুনি।গানের মাঝেও কবিতা খুঁজি
আমি শুনি দেখি,পড়ি,কিন্তু চারপাশে যা ঘটে,ঘটছে তার জন্য এক শব্দ, দুই শব্দ এক লাইন, দুই লাইন করে লেখা হয় না।
কেমন যেন উম্মাদনা কাজ করে।"ঝট মাংনি,পট শাদীর মতো।"
হাঁটার মাঝে,চলার পথে,ঘুমাতে গেলে
মাথায় এলেই ঝেঁড়ে দেয়া একটা রোগ।এর জন্য যতটা না আমি দায়ী তার চেয়ে বেশী দায়ী ফেসবুক স্টেটাস বার,হোয়াট ইজ ইন ইউর মাইন্ড,হোয়াট ইউ ওয়ান্ট টু শেয়ার,অপশন।
লাইক,কমেন্ট পাবো এই আশায় লিখিনি।কারো ইনবক্সে গিয়ে বলিনা প্লিজ! এতো হ্যাংলা পাতলা নই।লম্বায় খাটো হলেও বেশ মোটা বা পুরুত্ব আছে আমার।
কোন লেখা, লেখার মুহুর্ত পুর্বে ও জানিনা যে লেখব,একটি বাক্য বা শব্দ লেখা শুরু হলে আর থামেনা।চলতেই থাকে।হয়তো কেউ পড়ে কেউ না।তবে মগজের তাৎক্ষনিক বিকার কিছুটা কমে।
সমালোচনা শুদ্ধ করে কথাটা বলা সহজ।তবে প্রকৃতি প্রদত্ত ইগোতে লাগে।এটা হজম করার এন্টিবায়োটিক বাজারে নেই।তবে গ্যাষ্ট্রিক নিরাময়ের না হলে ওমিওপ্রাজোলের ব্যাবহারের মতো সয়ে যেতে হয় ।
তবে অন্যরা যারা কাব্য কবিতা লেখে তারা অনেক পড়েন,জানেন,কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় সনদ আছে হয়তো,তারা প্রকৃতি প্রদত্ত জ্ঞান আর পুঁথি গত বিদ্যার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে লিখেন।
আমি শুধুই বর্ণমালার অক্ষর জ্ঞানের সাথে বাস্তবতার সংমিশ্রণ সেই সাথে কিছু স্বপ্ন, কল্পনা,প্রকৃতির নির্যাস মেশাই।ব্যাস।লাইন উঁচু নিচু ছোট বড় করে কবিতার আদল দেই।এখানে কিছুটা প্রতারনা হয়ে যায় হয়তো কবিতার সাথে।
তবে স্বীকার করি,লেখা যাই হোক,আমি উম্মাদ বিকার গ্রস্থ বটে। নি:শ্বাস থাকবে যতদিন লেখা চলবেই।আমি আরো স্বীকার করি আমার চেয়ে সবাই ভালো লেখে।
দেশ বিদেশের যাপিত জীবনের ঘটে যাওয়া ঘটনা চারপাশের অনিয়ম,কষ্ট বেদনায় বাবর আলী উম্মাদ হয়,বিকার গ্রস্থ হয়।বাবর আলী অবয়বে আমার আমি।
সেনবাগ,নোয়াখালী
২২-৯-২০১৭ ইং
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




