শুভেচ্ছা, পুরস্কৃত গন,শুভ কামানা বাংলা একাডেমী।
জাহাঙ্গীর বাবু
যোগ্যদের সন্মাননা জীবতকালেই প্রাপ্য।পরকালের প্রাপ্তি হাস্যকর।কবি হিসাবে বাংলা একাডেমী থেকে পুরস্কার প্রাপ্তগন ফেসবুকে পরিচিত না হতে পারেন। নিশ্চই তাদের সরকারী পদবী কিংবা ক্ষমতা ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারনে পুরস্কৃত করা হয়নি।তাদের অবশ্যই শত, সহস্রাধিক কাব্য গ্রন্থ রয়েছে।রয়েছে বাংলায় উচ্চ ডিগ্রী। জাতীয় পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে অগনিত।
পুরস্কার যোগ্য বলেই পুরস্কৃত হয়েছেন।তাদের সাধুবাদ,শুভেচ্ছা জানাতে কার্পন্য করে কি লাভ?
যদিও অনেকেই অনেক কথা বলছেন।কে কি বললো তাতে কি আসে যায়,গনতন্ত্র,সংবিধান,নির্বাচন নিয়ে কত কথাই হয়। ক্ষমতার পাল্লা ভারী থাকে স্বাধীন দেশে,এমনকি পরাধীন দেশেও।
চামচামী, চাটুকারী ছিলো যুগে,যুগে।থাকবে।মন্দ আর ভালো বহে সমান্তরাল।রেললাইনের মতো।যোগ্যরাই বাংলা একাডেমীর পুরস্কার পেয়েছেন। বিশ্বাস করাই মঙ্গল। যারা পাবার পেয়ে গেছেন।আগামীতেও পাবেন।যারা পায়না,পাইনা, একটু হিংসা করি আর কি? বই, এখনতো নিজেরাই প্রকাশ করতে হয়।এই বই থাকেলেও কষ্ট, না থাকলেও কষ্ট!
বাংলাডেমী,কিংবা প্রকাশক কি, যার তার বই প্রকাশ করবে। হাতে গোনাদের মাঝেই সাফল্য সীমাবদ্ধ। হঠাৎ,পুরস্কারে কেউ এসে গেছে অনাকাঙখীত ভাবে, তাই দু চার দিন একটু ফিসফাস।
শুভেচ্ছা, পুরস্কৃত গন।শুভ কামানা বাংলা একাডেমী। যোগ্যদের সন্মাননা জীবতকালেই প্রাপ্য।পরকালের প্রাপ্তি হাস্যকর।
আমারা আছি অনলাইন পত্রিকা ফেসবুকে।এখানে প্রতিদিন,প্রতি সাপ্তাহে সন্মাননা দেয়া হয়। কবিতা,পড়েই যাচাই করেই দেয়া হয়! এখানেও কিন্তু এলার্জিক জ্ঞানীরা আছেন।ফেসবুকে থেকেই ফেসবুকিদের সমালোচনা করেন।
সিঙ্গাপুর প্রবাসী।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




