somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বরুপ উন্মোচন

২৬ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আহলে হাদিসের মুখোশ উন্মোচন
লা-মাযহাবীদেরকে ওয়াহাবি
কেন বলা হয়?
________________________
শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা
যতই করা হোক না কেন, মাছ কিন্তু
বেরিয়ে আসে। ওদেরকে
ওয়াহাবী বললে ওরা সহ্য করতে
পারেনা। দীলে অশান্তি পয়দা
হয়। আর সে অশান্তিকে
শান্তিতে রূপ দিতে তারা দুটি
যুক্তি দাঁড় করে থাকে।চলুন,
দেখে নেই- যুক্তি দুটি কী? তার
সাথে জবাবগুলো ও কী? তাও
একটু চোখ বুলিয়ে নেই।
( লেখাটি শেয়ার করবেন- এমন
আশা করছি।)
যুক্তিঃ এক
_______________________________________
ওয়াহাবী বলে কাউকে গালি
দেয়া ঠিক নয়। কারণ ওয়াহহাব
হচ্ছে আল্লাহর নাম। আল্লাহর নাম
নিয়ে কটুক্তি করা কোন ভাবেই
উচিত নয়।
প্রথম জবাবঃ
______________________________
________________
আমরা লা মাযহাবীদেরকে
ওয়াহাবী বলে থাকি তাদের গুরু
মুহাম্মাদ বিন আব্দিল ওয়াহহাব
নজদীকে লক্ষ্য করে। আল্লাহর
নাম হিসেবে নয়। এমন কোন
প্রমান কেউ দিতে পারবেনা
যে কেউ আল্লাহর নামের প্রতি
লক্ষ্য করে ওয়াহাবী বলে
থাকে। তাছাড়া আল্লাহর অন্য
যে কোন নামকে লক্ষ্য করে এমন
ভাবে কাউকে পরিচয় দেয়ার
কোন দৃষ্টান্ত নেই। তাহলে
ওয়াহহাবী বলতে কী বুঝানো হয়,
তা আশা করি পরিস্কার হয়ে
গেলো। এটা মুহাম্মাদ বিন
আব্দিল ওয়াহাব নজদি নামক
খ্রীস্টানদের এজেন্ট ও তার
ভক্তদের চিহ্নিত করতে বলা হয়ে
থাকে।
দ্বিতীয় জবাবঃ
____________________________________
প্রথম জবাবে যা বলা হলো, তার
সোজা সাক্ষী হচ্ছে
লামাযহাবীদের আরেক বড়
শায়েখ বিন বায। তাকে ঠিক এ
বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন
তিনি জবাব দিয়েছিলেন, ﻫﺬﺍ
ﺍﻟﻠﻘﺐ،ﻫﻮ ﻧﺴﺒﺔ ﺇﻟﻰ ﺍﻟﺸﻴﺦ ﺍﻹﻣﺎﻡ ﻣﺤﻤﺪ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ
ﺍﻟﻮﻫﺎﺏ
তিনি বলতে চেয়েছেন যে,
(ওয়াহাবী) এ উপাধিটি
মুহাম্মাদ বিন আব্দিল ওয়াহাব এর
প্রতি নিসবত বা সম্পর্কিত করে
বলা হয়ে থাকে।
রেফারেন্সঃ
মাজমু উ ফাতাওয়াঃ নবম খন্ড।
লক্ষ্যণীয়,
________________________________
বিন বাযের কথা থেকে দুটু
জিনিস পরিস্কার হয়ে গেলঃ
১/ এখানে ‘ওয়াহহাব’ আল্লাহর
নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয়না,
বরং একটি লকব বা উপাধি
হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
২/ ওয়াহহাব নামক এ উপাধীটি
মুহাম্মাদ বিন আব্দিল ওয়াহাব
নজদীকে পরিচয় দিতে ব্যবহার
করা হয়ে থাকে।
ব্যস, খালাস।
তৃতীয় জবাবঃ
__________________________________
আপনি অবাক হবেন, লা-
মাযহাবীরা তাদের পরিচয়
দিতে নিজেরাই ওয়াহাবী
শব্দটি ব্যবহার করেছে!!
প্রমাণঃ তারা বিভিন্ন কিতাব
লিখেছে যেখানে তাদের
পরিচয় দিতে গিয়ে তারা
নিজেরাই ওয়াহাবী শব্দটি
লাগিয়েছে।
কিতাবগুলোর নাম উল্লেখ করছি-
১/ “আল ফাসলুল হাসিমি বাইনাল
ওয়াহাবিয়্যীনা ওয়া
মুখালিফীহিম”- লিখেছেন
ওয়াহাবীদের অন্যতম এক নেতা
আব্দুল্লাহ আল কুসাইমী।
উনি ওয়াহাবীদের সাফাই
গাইতে গিয়ে আবার আরেকটি
কিতাব লিখেছিলেন, যার নাম
হচ্ছে-‘আস সাওরাতুল
ওয়াহাবিয়্যাহ’।
দেখুন দুটি কিতাবের নামের
মধ্যেই কিন্তু ওয়াহাবি শব্দটি
ব্যবহার করে তাদের পরিচয় পেশ
করেছে।
২/ ‘আল হাদিয়্যাতুস সানিয়্যাতু
ওয়াত তুহফাতুল ওয়াহাবিয়্যাতুন
নাজদিয়্যাতু’—আরেকটি
কিতাবের নাম, যেখানে
সরাসরি ওয়াহাবী লেখক
নিজেদের পরিচয় দিতে গিয়ে
ওয়াহহাব শব্দটি ব্যবহার করেছে।
কিতাবটি লিখেছেন, লা
মাযহাবী ওয়াহাবীদের এক বড়
শায়েখ সুলাইমান বিন সামহান।
৩/ ‘আসারুদ দা’ওয়াতিল
ওয়াহহাবিয়্যাতি’- লিখেছেন
আরেক ওয়াহাবী শায়েখ
মুহাম্মাদ হামিদ।
৪/ ‘আল ওয়াহহাবিয়্যূনা ওয়াল
হিজাযু’- কিতাবটি লিখেছেন-
মুহাম্মাদ রাশীদ রিদা।
হ্যাঁ, এবার বলুন, এই দুস্টদেরকে কী
বলা যায়?
যুক্তিঃ দুই
_______________
ওয়াহাবীরা বলে থাকে, ওরে
বোকা, উনার নাম হচ্ছে মুহাম্মাদ
বিন আব্দিল ওয়াহহাব, মানে
উনার মূল নাম হচ্ছে মুহাম্মাদ।
বাবার নাম আব্দুল ওয়াহহাব।
আরে বোকা, তোমরা ওয়াহাবী
ডাকছো কাকে? একান্তই যদি
ডাকতে হয়, তবে মুহাম্মাদী বলে
ডাকো। মুহাম্মাদ থেকে
মুহাম্মাদী। তার নিজের নাম
বাদ দিয়ে তার বাবার নাম
নিয়ে লাফালাফি করছো কেন?
আসলে তোমরা কী বলছ, তা
নিজেরাও বুঝোনা।
উপযুক্ত জবাবঃ
__________________________________
সরি, আমরা ঠিকই আছি। হে
ওয়াহাবী, তোমার ভেতরে যত
সব শয়তানী। দাঁড়াও দেখিয়ে
দিচ্ছি।
হে ওয়াহাবী,
____________________
শাফেয়ী মাযহাবের নাম
শুনেছো? ইমাম শাফেয়ীর নাম
জানো? বলতো, উনাকে
শাফেয়ী বলা হয় কেন? উনার নাম
তো মুহাম্মাদ বিন ইদ্রীস আশ
শাফেয়ী। তোমরা যেভাবে
বলছো, তাতে তো উনাকে ইমাম
শাফেয়ী না বলে ইমাম মুহাম্মাদ
বলে ডাকার কথা ছিল। বা
মুহাম্মাদী মাযহাব বলা হয় না
কেন? উনার দাদার নামে তাকে
বা উনার মাযহাবের পরিচয়
দেয়া হয় কেন?
হে ওয়াহাবী,
________________________
হাম্বালী মাযহাবের নাম
শুনেছো? মাযহাবটিকে
হাম্বালী মাযহাব বলা হয় কেন?
মাযহাবটির মূল ব্যক্তি হলেন,
আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন
হাম্বাল। হাম্বালী তো
হাম্বাল থেকে এসেছে।
হাম্বাল কে? ইমাম আহমাদের
দাদা। তো তোমরা যেভাবে
বলছো, তাতে তো মাযহাবের
নাম হওয়া উচিত ছিল ইমাম
আহমাদের নাম অনুসারে, অর্থাৎ
আহমাদী মাযহাব, তাই নয় কি?
কিন্তু তা না হয়ে দাদার নাম
দিয়ে মাযহাবটিকে হাম্বালী
মাযহাব বলা হয় কেন?
হে ওয়াহাবী,
_________________
মাথায় কি এবার কিছু ঢুকল
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ১:৪৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোকুলে বাড়িছে সে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৪

গোকুলে বাড়িছে সে

পরিস্থিতি যতই ঘোলাটে হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে- ক্ষমতার অন্দরমহলে অস্বস্তি বাড়ছে। একের পর এক বক্তব্য, ভিডিওবার্তা, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দেখে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে- এত অস্থিরতার কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্কাইভ থেকে: ফেলে আসা এক সড়কের কথা

লিখেছেন অর্ক, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫



ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও একটা ভুল হচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪২

একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিদারাবাদ থেকে মাছুয়াপাড়া

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৫৫

আপনার সবচেয়ে অপছন্দের খাবার হচ্ছে শুকর। শুধু অপছন্দের না, এটা আপনি ঘৃণাও করেন। কিন্তু আপনার পাশে বসে সবাই শুকর খায়। যে পাতিলে শুকর রান্না করা হয়, সেই পাতিলেই আপনার জন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×