মানুষের জীবনে চলার পথে প্রত্যেকের ই বিভিন্ন শত্রু জন্ম নেয়।কেউ কেউ মনে মনে শত্রুতা পোষণ করে রাখে আবার কেউ কেউ শত্রুদের শায়েস্তা করার চেষ্টা করে।তো ভায়েরা আজ আমরা এমন একটা পদ্ধতি অনুসরণ করবো যার মাধ্যমে শত্রুকে চরম শিক্ষা দেয়া যাবে।বহুকাল আগে চাণক্য এই নীতি অনুসরণ করে প্রতিশোধ নিয়েছিলেন মগধ রাজ ধনানন্দ এর বিরুদ্ধে। চলুন দেখা যাক কি সেই পদ্ধতি।
এটি চার ধাপে সমাপ্ত।
☆ সাম, দাম, ভেদ, দন্ড
. ১ম সাম- সামঝো, সোচনা অর্থাৎ নিজে আগে চিন্তা করো ভাবো- বোঝ ; তার পর শত্রুকে সামঝাও অর্থাৎ বোঝাও, দরকার হলে শত্রুকে বিপরীত ভাবে >কুটবুদ্ধি দিয়ে বোঝাও কোন একটা জিনিস কে এমন ভাবে বোঝাবে মনে হবে ভালো কথা বা ভালো বুদ্ধি কিন্তু তা ভালো বুদ্ধি না।
২য়- দাম - দমন করা। নিজে যদি না পারে তখন দেখবে, শত্রুর শত্রু কে আছে ; তার সঙ্গে মিত্রতা করে শত্রুকে দমন করে রাখবে।
৩য়- ভেদ- ভেদাভেদ সৃষ্টি করে রাখা। যাতে শত্রু আপনার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ না হতে পারে তার জন্য বিভিন্ন ভাবে ভেদাভেদ সৃষ্টি করতে হবে।রাজনীতি, রিলিজিয়ন, গোত্র বা বিভিন্ন বৈষম্য ব্যবহার করে ভেদাভেদ বজায় রাখতে হবে।
৪র্থ- দন্ড- সাজা দেওয়া। উপরোক্ত তিনটি কৌশল অবলম্বন করার পর শত্রুকে অনায়াসেই দন্ড দেয়া যায়।
শত্রুকে শায়েস্তা করে পাওয়া যায় সর্বোচ্চ মানসিক তৃপ্তি।
তবে ক্ষমার মহত্ত্ব সবচেয়ে অধিক।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৫:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


