'ব্লগ দিয়া ইন্টারনেট চালায়'। ব্লগকে এভাবেই সংগায়িত করেছিলো হেফাজতে ইসলাম। তাদের এই সংগায়ন থেকেই বোঝা যায় এরা কতটা অকাট মূর্খ।এরা আবার রাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাপারে নাক গলায়।কতটা ভয়ংকর সময় এসেছে ভেবেছেন কি কেউ?
ওদের ভাষ্কর্য উচ্ছেদ আন্দোলন দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই।কেননা,ওরা কি করে বুঝবে শিল্পের কদর?ওদের পেটে না আছে কালি,না আছে কলম।কালি কলম থাকলেতো আর নারীকে তেতুলের সাথে তুলনা করতো না।'মেয়েদের দেখলে জিভে লালা ঝরে',এমন ধর্ষকামী মন্তব্য করতো ননা।ওদের কাছে মূর্তিও যা ভাস্কর্যও তা।
হেফাজত ইসলাম এসেছে ইসলামকে হেফাজত করতে।আমি মনে করি হেফাজতে ইসলামের হাত থেকে ইসলামকে হেফাজত করা প্রয়োজন।কেননা ইসলাম এদের কাছে নীতি বা আদর্শ জাতীয় কিছু না।ইসলাম এদের কাছে ক্ষমতার স্বাধ নেয়ার স্বপ্ন পূরনের অস্ত্র।ইসলাম এদের কাছে এদেশের বৃহৎ ধর্মান্ধ উজবুক জনগোষ্ঠীকে আল্লাহ রাসূলের দোহাই দিয়ে স্বার্থ ব্যাবহারের দাওয়াই।এদের দ্বারা ইসলামের অপকার ছাড়া উপকার কোনদিন আশা করা ভুল।
বিসমিল্লায়ই যার গলদ সে কি করে দেশ জাতি ও ধর্মের জন্য কল্যানকর হতে পারে।হেফাজতে জন্মই হয়েছিলো যুদ্ধাপরাধীর মুক্তির দাবীতে।যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবীতে গর্জে ওঠা গনজাগরন মন্চ উচ্ছেদের দাবীতে।শুরুটাই যাদের ছিলো দেশদ্রোহীদের বন্ধুর ভূমিকায়, তারা কি করে দেশের জন্য কল্যান বয়ে আনবে?আর দেশপ্রেম হচ্ছে ঈমানের অংগ।এই বাক্যনুযায়ী,যারা দেশদ্রোহীদের মিত্রের ভূমিকায় ব্যাস্ত তাদের মাঝে দেশপ্রেম আশা করা নেহাত বোকামী ছাড়া আর কিছু নয়।আর দেশপ্রেমই যাদের নেই তাদেরতো ঈমানই নেই।আর ঈমান যাদের তাদেরতো ধর্মবান্ধব হওয়ার প্রশ্নই উঠে না।
রাষ্ট্রের কত বড় দুঃসময় এলে,কত বড় দূর্ভাগ্য হলে রাষ্ট্রপরিচালক এদের তেয়াজ করেন!সেই দূঃসময়ই চলছে এখন এই রাষ্ট্র,সেই দূর্ভাগ্যেই ভুগছে এখন এই রাষ্ট্র।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১৭ সকাল ১০:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



