জান্নাতুল নাইম এভ্রিল অথবা আমেনা।সবার চোখে যে বিয়ের তথ্য গোপন রাখার অপরাধে অপরাধী,আমার চোখে সে বাল্য বিবাহের শিকার এক মেয়ে যে কিনা শুধুমাত্র বিয়ের কারনে তার স্বপ্ন হাতে পেয়েও ধরতে পারলোনা।এর জন্য দায়ী কে?নিশ্চয়ই এভ্রিল না।দায়ী তার পিতা মাতা দায়ী তার সাবেক স্বামী এবং দায়ী এই সমাজ ব্যাবস্থা যে সমাজ ব্যাবস্থা ব্যালবিবাহকে নিরবে মুচকি হেসে আসকরা দিয়ে যাচ্ছে।দেশের আদালতে এভ্রিলের বাবা মা,স্বামী এবং এই সমাজ অপরাধী না হলেও এভ্রিলের আদালতেতো এরা ঠিকই অপরাধী।এভ্রিল যদি এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে তাকে বাল্য বিবাহ দেয়ার অপরাধে অপরাধী করে সেটা কি যথেষ্ঠ যৌক্তিক হবেনা?অবশ্যই হবে।কোন এক নিউজ পোর্টালকে যেন তার স্বামী বলেছে এভ্রিল তার সাথে প্রতারনা করেছে।হাসি পায় আমার তার কথা শুনে।লোকটা যে জেনে বুঝে অপ্রাপ্তবয়স্ক একটি মেয়েকে বিয়ে করে আইনত অপরাধ করেছে সেটা কি তার একটুও মনে হয় না?উল্টো সে এভ্রিলের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ এনে মন্তব্য করে।এখন এভ্রিলের উচিত এই লোকটার বিরুদ্ধে বাল্য বিবাহের অপরাধে মামলা করা।
আজ বাল্যবিবাহের কারনে একটি মেয়ের স্বপ্নগুলো দুমড়ে মুচড়ে গেলো।বাল্যবিবাহের এর চেয়ে করুন কুফল,করুন পরিনতি আর কি হতে পারে? প্রতিবছর বাল্যবিবাহের বলি হতে হচ্ছে শত শত এভ্রিলকে।জেনে শুনে বুড়ো হাবড়াগুলো অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালিকাগুলোকে বাল্যবিবাহের বলি করছে।কেউ কিছু বলছেনা।বাল্যবিবাহ বিরোধী আইন থাকা স্বত্তেও বাল্য বিবাহ তেমন হৃাস পাচ্ছেনা।আইনতো এদেশে কতই রয়েছে।এদেশে আইনের অভাব না থাকলেও আইন প্রয়োগের অভাব রয়েছে যথেষ্ঠ।আর সেই আসকারায় বলি হতে হচ্ছে শত শত এভ্রিলকে যাদের কেউ ভালো শিক্ষক হতে পারতো,যাদের কেউ কেউ ভালো গায়িকা হতে পারতো,চিকিৎসক পারতো,প্রোকৌশলী হতে পারতো,মিস ওয়ার্ল্ড অথবা ইউনিভার্স হতে পারতো,শিক্ষিত নাগরিক হতে পারতো,দেশের যোগ্য প্রতিনিধি হয়ে সারা পৃথিবীজুড়ে বিচরন করতে পারতো।অথচ কিছুই হওয়া হয়না তাদের।হারিয়ে যেতে হয়,বাল্যবিবাহের বলি হয়ে বোঝা স্বরুপ বেচে থাকতে হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



