শরতচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের বলা লাইন টা আজ স্বরন
না করেই পাড়ছিনা- "বাংগালিদের বিষ যে শাপের
বিষ নয় ইহা আমি বুঝিলাম।"
শাপে একবার কামরালে মৃত্যুর পুর্ব অবধি এর বিষ
ক্ষান্ত হইনা। কিন্তু বাঙ্গালিদের ক্রুধ নামক বিষ
নিমিষেই উবে যেতে পারে। আবার একটু
জ্বালানি পেলে যা ও বা জ্বলে উঠে তা ও আবার
অশ্রুর জলেই মিটে যায়।
হাহ!!!!!!!!!!!!!
ঢাবি! ঢাবি!! ঢাবি!!!
কত চিৎকার, কত চেচামেচিই না শুনেছিলাম কিছু
দিন আগে।
তারপর......
আবার,
দু দিন আগেও যেই না শুনলাম হাই কোর্ট
থেকে ঢাবিকে নোটিশ দেয়া হইসে, তখন
পোলাপাইনরা আবার চিল্লায়া উঠল।
এখন??????
ফেসবুক গ্রুপ গুলাতে ঘুরলে মনেই হইনা ১৪ ব্যাচের উপর
দিয়ে কোন কালে কোন ট্রাজেডি বয়ে গিয়েছিল।
কিছু দিন পর হইতো আবারো নিঃশ্বেষ
হয়ে যাওয়া মোম্বাতির নিঃস্তেজ আলোর মত
দামাল ছেলেরা ফুঁসে উঠবে।
তবে আমি জানি এর পর কি হবে
আর সেটা সবারই জানার কথা।
কারন
আবারো সেই চরনটুকুই বলার থাকে,
"বাঙ্গালির বিষ কোনকালে সাপের বিষ হয়েছিল
কি ????????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


