অগ্নিতে যা তাপ আছে, তা আমাতে নেই বলেই আমি শুরু করেছিলাম অগ্নির উপাসনা। পরন্তু, জ্ঞানার্জনের পর বোধ হলো এ তো শুধুই শক্তি; প্রাণীমাত্রই আমি শ্রেষ্ঠ, কারণ জ্ঞান জড়ো হয় শুধু আমারই মাথায়।
আবার যে জ্ঞান দিয়ে মাথাটা বোঝাই করেছে, মানুষ হলেও সে তো আমার মতো না। তার থেকে আমি আলাদা। আমাকে সে মানুষ সম্বোধন করলেও তাকে আমি ডাকি ফিলোসফার, বুদ্ধিজীবী, ইন্টেলেকচুয়াল; সম্মান দেখিয়ে না। ওর মতো অকর্মাকে আবার সম্মান কেন করতে যাবো?
আমি মানুষ হয়ে ভাত না পেলে সে কেন সাম্যের ডাক দিবে?
যতসব ঢঙী কথার ফাঁদে মানবতার অপমান। পারলে সে ভাতের ডাক দিক, বুভুক্ষের দলের সাথে আমি তার কাতারে না দাড়ালেও তাকে রাষ্ট্রদ্রোহী বলবো না; অবশ্য উপরওয়ালা চাপ দিলে ভিন্ন কথা।
জ্ঞান দিয়ে মাথাটা জড়ো করেছে, তো হয়েছেটা কি?
দুজনকেই শেষে মাটিতে পোতা হবে, অথবা পোড়ানো হবে। আমি বিলীন হয়ে গেলেও সে থাকবে। মানুষ হিসেবে না, শক্তি হিসেবে।
অগ্নিকে দেবতার আসন থেকে উলঙ্গ নামানোর পরও তাকে ব্যবহার করতে ভুলিনি, যেমন সকাল সন্ধ্যা জ্ঞানীর গোষ্ঠী উদ্ধারের পরও তার শক্তি ব্যবহার করতে চুল পরিমাণ ভুল হয়নি।
আমিই তো মানুষ, ব্যবহার করবো জ্ঞানীকে; জ্ঞান আমার দরকার নেই। বই না, ব্যক্তিই আমাকে অগ্নি উপাসনার সময় বলে দিবে,
'ওটা শুধুই আগুন। শুধুই শক্তি।'

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



