

কারন ওতে মনটা ভালো থাকে। বিক্ষিপ্ত মনে নেমে আসে স্বস্তির বারিধারা। কালি কলম দিয়ে লেখালেখির কতো বৈচিত্রময় ও কতো রোমাঞ্চকর হতে পারে তা কেবল তারাই উপলব্ধি করতে পারেন যারা এই যাত্রা পথে সামিল হয়েছেন।

কেউ চিকন নিবে সূক্ষ লেখা লিখতে পছন্দ করেন আবার কেউ মাঝারি নিবে লিখতে চান কারন মাঝারি নিবের লেখায় বৈচিত্র আনা সম্ভব। কেউ কেউ স্টাব নিব নিয়েও পরীক্ষা নিরীক্ষা। স্টাব নিব অবশ্য নিয়মিত লেখার জন্য না। মোটামুটি কোন লেখার হেডিং তৈরি করা, বা স্বাক্ষর দেয়া বা আর্টিস্টিক ফর্মে গোটা দু-এক প্যারা লিখে ফেলার জন্যই সাধারনত স্টাব নিব ব্যবহৃত হয়। স্টাব নিবের টিপটা অন্য নিবের মতো গোলাকৃতি নয়, কাটা এবং ভোতা। যাদুটা এখানেই। যখন এই নিব দিয়ে উপর থেকে নিচে টানা হয়, তখ্ন রেখাটা হয় মোটা আবার সেই একই নিব দিয়ে যখন আড়াআড়ি টানা হয়, তখন রেখাটা হয় চিকন। এ্কটানা লিখে গেলে কিছু সময় পর একটা শিল্পকর্ম দাড়িয়ে যায়।

কালি কলমের কালি যে কত শত শত রকমের আছে তার কোন তুলনাই হয় না। আমার মোটামুটি হালকা রংই পছন্দের। এর মধ্যে সবচেয়ে পছন্দের হলো turquoise blue...। দূর্দান্ত একটা রং
কালি-কলম কাহিনী/এই সময়
কালি-কলম কাহিনী

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
