সকালের রোদ্দুর দেখেই নাকি বলে দেয়া যায় দিনটা কেমন হবে। তবে এ বেলা আর সাহস নিয়ে বলতে পারছি না ব্লগের ভবিষ্যত কি হবে। এখনকার বেশিরভাগ পোস্টই পত্রিকার খবরগুলোর পুন:প্রকাশ। তবে আশা করছি নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে আবার ফিরে পাবো পুরনো ব্লগ। আসুন এবার দেখি সকাল দেখে কেমন দিন হবে একটু অনুমান করে . . .
1. রবি বাবু কখনো আমাদের মতো নামীদামী স্কুলে যাননি। তিনি বটতলার ছাত্র। টোলের মাস্টারমশায়ের কাছে তার হাতেখড়ি। তো একবার মাস্টারমশায় সব ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেন, আমি দুই লাইন কবিতা লিখে দিচ্ছি- পরের দু'লাইন তোমরা কাল বাড়ি থেকে লিখে আনবে। মাস্টারমশায় লিখলেন-
মীনগন হীন হয়ে ছিলো সরোবরে,
এখন তাহারা সুখে জলক্রীড়া করে।
পরদিন রবি এসে মাস্টারমশায়কে তাঁর দু'লাইন জমা দিলেন-
রবি করে জ্বালাতন আছিল সবাই
বরষা ভরসা দিলো আর ভয় নাই।
** এই কাহিনিটা আমার মায়ের মুখ থেকে শোনা। তাই সত্য মিথ্যা যাচাইয়ের কোন প্রয়োজন বোধ করিনি কখনো। অতএব আপনারাও . . . . .
2. জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান। একবার ক্লাশে এক শিক্ষক একটি কাগজ দেখিয়ে শিক্ষাত্রর্ীদের বললেন- বলো তো তোমরা আমার হাতে কি দেখতে পাচ্ছো?
একজন বাদে সবাই উত্তর দিলো- আপনার হাতে একটা সাদা কাগজ দেখতে পাচ্ছি যার মাঝখানে একটা বড় কালো বিন্দু।
শুধু একটা ছেলে বললো- আপনার হাতে একটা কাগজ দেখতে পাচ্ছি যার মাঝখানে একটা কালো বিন্দু আর তার চারপাশে অনেকটা সাদা অংশ।
সেই ছেলেটি হলেন কফি আনান, যিনি সেই ছোটবেলাতেই বিন্দুর মাঝে সিন্ধুর সন্ধান পেয়েছিলেন।
** এই গল্পটি কেন বললাম? এর সাথে ব্লগের বর্তমান কোন ঘটনার সম্পর্ক থাকলেও থাকতে পারে। রহস্য উদঘাটনের দায় উৎসাহী পাঠকদের।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



