দোহাই তোদের একটুকু চুপ কর,
ভালোবাসিবারে দে মোরে অবসর।
সেই কোন কালেই কবির আকুতি ঝরেছে পদ্যের পংক্তিতে। একটুখানি সময়, একটুখানি ভাবনার অতলে হারিয়ে যাওয়া, একটুখানি অবাক চোখে মুগ্ধ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকা অপলক, একটুখানি ছোঁয়া। ফ্রয়েডীয় আর প্লেটনিক দ্বন্দ্বের সীমানা ছাড়িয়ে আজ সে বুদ্ধিভিত্তিক আর কপের্ারেটের মাঝে এসে ঠাঁই নিয়েছে। তবুও থেমে নেই তার উদ্দাম চলার গতি। যদিও সেই রুমাল ভালোবাসা এখন আর্চিস ভালোবাসার অবয়ব পেয়েছে, তথাপি প্রাণের মানুষকে ভালোবাসার জন্য সবুজ হৃদয়টি এখনো যান্ত্রিক সময়ের দখলে যায়নি। তাই জীবনবাবুর সেই কবেকার উৎকন্ঠা আজো শুনি প্রেমিক প্রবরের মুখে-
সুরঞ্জনা, ওখানে যেয়ো নাকো তুমি,,
বোলো নাকো কথা অই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনা :
. . . . . . . . . . .
কি কথা তাহার সাথে? তার সাথে!
- - - - - - - - - - - - - - - -
তবে শুধু ভালোবাসলেই চলে না। সে ভালোবাসার পরিচর্যা করাটাও খুব জরুরী। তার একটু আভাষ পাওয়া যায় গানে- "ভালোবাসবো বাসবো রে বন্ধু তোমায় যতনে . . . . "। অর্থাৎ ভালোবাসায়ও যত্নবান হতে হবে, হতে হবে ভালোবাসার মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রবি বাবু অনেক যুগ আগেই উপলব্ধি করেছিলেন এই সত্য আর অকুন্ঠ চিত্তে বলেছিলেন-
যদি আরও কারে ভালোবাসো
যদি আরও ফিরে নাহি আসো
তবে তুমি যাহা চাও তাই যেন পাও
আমি যত দু:খ পাই গো।
ভ্যনগগের মতো প্রেমিকার কথায় নিজের কান কেটে উপহার পাঠানোর বোকা সাহস না থাকুক, ব্যর্থ হয়ে এসিডে ঝলসে দেয়ার মতো কাপুরুষ যেন না হয় কোন পুরুষ হৃদয়- এটাই প্রার্থনা। বরং ভালোবাসার বীণ বাজুক সকলের অন্তরে, হৃদয় মাঝারে পাওয়াটাই বড় হয়ে উঠুক, আর কাছে দূরে অনুরণিত হোক সেই সুর-
ভালোবাসি ভালোবাসি-
এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায় বাঁশি ।
**** উৎসর্গ : ধুসর গোধূলী

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
