তারিখ ঃ 5 জুন 2006।
ভ্যানু ঃ প্রাপ্তিদের বাসা।
আমি প্রচন্ড তাড়াহুড়া করে অফিস থেকে বের হয়েছি যাতে ঠিক সময়ে প্রাপ্তিদের বাসায় যেতে পারি। কিন্তু আমার কিছুটা দেরী হয়েই গেলো। বাসায় ঢুকে দেখি সবাই প্রাপ্তিকে নিয়ে অস্থির। আর প্রাপ্তিও দুই মুখোশধারী কোলে হাসি মুখে আছে। গায়ে হাত দিয়ে দেখলাম ওর জ্বর, এজন্যই বেশীন আড্ডা দিতে পারেনি আমাদের সাথে। অনলাইনের মানুষ গুলোর সাথে আড্ডা শুরু হয়ে গেলো অফ-লাইনে বসে। কালপুরুষ, কামউজা, একটু পর বলছি তো তাদের আসল নাম দুরের কথা ছদ্দ নামই বলতে চাচ্ছিল না। কামউজা আর একটু পর বলছি - র নাম বের করতে আমাদের একটু সমস্যা হচ্ছিল। কৌশিক ভাই টেলেন্ট মানুষ তিনি তাদের নাম বের করে ফেললেন। আবু সালেহ ভালো ছেলের মত নিজের পরিচয় দিয়ে দিল।
আড্ডায় ব্লগারদের মনের কথা গুলো বেড়িয়ে আসতে লাগলো। ব্লগে কার সাথে কার বন্ধুত্ব, কার সাথে শত্রুতা, কোন ছেলে - মেয়েদের নামে লিখে আবার কোন মেয়ে - ছেলেদের নাম নিয়ে লিখে ইত্যাদি ইত্যাদি। ধানসিড়ি তো প্রথমে আমাকে মেয়ে মনে করে ব্লগে আলগা খাতির জমানোর চেষ্টা করতো .... এখন আমাকে দেখে তার মাথায় হাত !! হা.... হা.... হা.... আর কালপুরুষ একজন অতি তরল মানুষ, উনি যে কারো সাথে বিশেষ করে মেয়েদের সাখে খুব সহজেই মিশে যেতে পারেন !! বিশ্বাস না হলে বাকিদের জিজ্ঞাসা করেন। উনি আমাদের তার জীবনের যে সব ঘটনা বলেছেন এটা কিন্তু এখানে বলা যাবে না। কৌশিক ভাই বেশ হ্যন্ডসাম, গলার টোন ভালো, খুবই ফ্রেন্ডলি ...... আর বলা যাবে না দাম বেড়ে যেতে পারে, তবে উনি ঐ দিন ভুলে লুঙ্গি পরে আসেন নি। অন্যমনষ্ক শরৎ ছবি তোলার ফাঁকে চামে আমাদের সাথে কিছু দুষ্টমি করে নিয়েছে। স্মার্ট বয় আবু সালেহ 'কে তো কালপুরুষ নায়কই বলে ফেলল। কামউজা তার অদ্ভুদ নাম নিয়ে শরমের মধ্যে আছে !! একটু পর বলছি সব কিছুই পরে বলবে জানিয়েছে। সারিয়া আপা সারান মেহমানদারী নিয়ে ব্যস্ত ছিল। ফোনে অমি রহমান পিয়াল ভাইয়ের সাথে শুধু কৌশিক ভাইয়ের কথা হয়েছে, আমাদের সাথে হয় নি
। আর ইউ.কে থেকে হাসান দুই বার ফোন করেছিল, ওর হাসিটা খুব জোস লাগছে আমার কাছে। প্রোফাইলে হাসানের হাত দিয়ে ঢাকা ছবিটা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা আছে আমাদের মনে, তবে যাই বলেন চেহারা মাশাআল্লাহ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

